মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম।


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হারাম।’ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। ক্রিকেট এবং এ জাতীয় সমস্ত খেলাধুলার উদ্ভাবক হচ্ছে কাফির-মুশরিকরা। তাই মুসলমান উনাদের জন্য মাঠে গিয়ে

রাজারবাগ দরবার শরীফে পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিযাম। সুবহানাল্লাহ!


মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ, অভূতপূর্ব, বেমেছাল, সুমহান তাজদীদ মুবারক ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ২৪ ঘণ্টা তথা দায়িমীভাবে সারা জীবন সম্মানিত সাইয়্যিদুল

আমেরিকা, নাকি মরিচীকা


হাড় জিরজিরে চেহারা, নাম বাহাদুর; অভাবে জবুথবু নাম জমাদার; প্রকৃতিতে চোর, নাম রাজা রামমোহন রায়- এই কথাগুলো ঠিক ঠিক যায় যার সাথে, তার নাম আমেরিকা। বিশ্বের ধনী দেশ, সবচেয়ে ক্ষমতাধর আমেরিকার নাম ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে সেরকম অবস্থাটাই সু¯পষ্ট। আমেরিকার ২৩

ছিঃ! হিন্দুরা কত নিকৃষ্ট, নাপাক, যবন, অস্পৃশ্য


হিন্দুদের নাম শুনলেই অন্তরের মধ্যে ঘৃণার উদ্রেক হয়। হিন্দুদের নাপাকী, নোংরামী মানুষ যদি জানত তাহলে তাদেরকে এই সমাজে বসবাস করতে দিতোনা বরং সমাজচ্যুত রাষ্ট্রচ্যুত করতো। মূলকথা হলো- হিন্দুরা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত সর্বকালের জন্যই যবন, অস্পৃশ্য নাপাক, চোর, চামার, ডোম, সমাজের

দেশকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে


নিটিং টেক্সটাইল, কম্পোজিট, বাংলাদেশের বায়িং গার্মেন্টস সেক্টর ব্যাবসাকে ধ্বংস করার জন্য আন্তর্জাতিক চক্রান্তে ভারতের ‘র’, পাকিস্তানের মোসাদ আমেরিকার সি.আই.এ, আই.এস এবং তাদের এদেশীয় এজেন্টদের মাধ্যমে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক কারখানা গার্মেন্ট সেক্টর বায়িং হাউসসহ বড় বড় ব্যবসা তাদের করায়ত্বে নিয়ে নেয়ার একটা

বাংলাদেশের কতিপয় উপজেলার নাম পরিবর্তন আবশ্যক (পর্ব-২)


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধুষ্যিত দেশ। এ দেশের অনেক জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম কিংবা এলাকা রয়েছে সেগুলোর নাম বিধর্মীদের নামে নামকরণ করা আছে; এটা মোটেও কাম্য নয়। আমরা যদি বিশ্বের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো বিভিন্ন দেশ ইসলাম সংশ্লিষ্ট অনেক স্থানের

ইয়াহুদী বংশদ্ভূত সউদী বাদশার নীরবতা তথা বোবা শয়তানের ভূমিকা পালন ও গোপনে উস্কানির কারণেই আজ পবিত্র ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ’র প্রতি যুলুমসহ পবিত্র কুরআন শরীফ উনাকে চরমপন্থী বলার দুঃসাহস দেখিয়েছে রাশিয়ান কাফির গোষ্ঠিসহ মুশরিকগোষ্ঠিরা!


সমগ্র বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ উনাদের একমাত্র প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে পবিত্র মদীনা শরীফ ও পবিত্র মক্কা শরীফ তথা সউদী আরব। আর সউদী আরবের যিনি আমীর হবেন তিনিই হবেন গোটা মুসলিম বিশ্বের অভিভাবক। কোন মুসলমান ব্যক্তি বা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ যদি ইয়াহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকদের দ্বারা

‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের যে বিষয়গুলো সংশোধন করা জরুরী অর্থাৎ ফরয


গ্রন্থ সমালোচনা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক ৫ম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকরূপে নির্ধারিত ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের যে বিষয়গুলো সংশোধন করা জরুরী অর্থাৎ ফরয পঞ্চম শ্রেণী ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বইয়ের ১১৮ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে- “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু

বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট তথা নাস্তিক্যবাদীরা কত লোকের রক্ত পান করেছে:


নাস্তিকরা ভাব ধরে, তারা খুব সাধু পুরুষ। তারা কখন কোন সহিংসতা চালায়নি, তাদের দ্বারা কখন কেউ নিহত হয়নি। আসুন দেখি, বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট তথা নাস্তিক্যবাদীরা কত লোকের রক্ত পান করেছে: ১) চীনে সাড়ে ৬ কোটি। ২) সোভিয়েত রাশিয়ায় ২ কোটি। ৩)

কোনো মুসলমান যদি কখনো রিযিকের সঙ্কট মনে করে…


অর্থাৎ খাদ্যের অভাবে ক্ষুধার্ত থাকে, তখন সে যেন বেশি বেশি ‘আল্লাহ আল্লাহ’, ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ যিকির মুবারক করে এবং বেশি বেশি ছলাত শরীফ বা দুরূদ শরীফ ও মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি যিকির শরীফ ও দুরূদ

রাষ্ট্রবিরোধী পত্রিকা ‘প্রথম আলো’ এবং সম্রাজ্যবাদীদের এজেন্ট সিএইচটি কমিশনকে বাংলাদেশে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হোক।


প্রথম আলো কি সরকারের উপর সরকার ? পার্বত্য উপজাতিদের জন্য সবার থেকে তার মায়া এত বেশি কেন ?? তারা কি বাংলাদেশের স্বার্থ দেখবে ? নাকি বাংলাদেশ বিরোধী স্বার্থ দেখবে ?? সরকার যদি পার্বত্য এলাকায় অবাধ বিদেশী যাতায়াত বন্ধ করে আইন করে,

পাঠ্য বইয়ে কুফরী


তৃতীয় শ্রেণী ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বইয়ের ৬৩ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে- “যাদের নিকট আসমানী কিতাব এসেছে তাঁরা হলেন রসূল। যাঁদের নিকট আসমানী কিতাব আসেনি তাঁরা হলেন নবী।” নাউযুবিল্লাহ! এ লেখাটি সম্পূর্ণরূপে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী হওয়ার

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহা-সম্মানিত বংশ মুবারক পরিচিতি


সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান বিন আলী বিন আবী তালিব আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত কুরাইশ বংশের হাশেমী শাখায় তাশরীফ আনেন। হিজরী ৩য় সনে শা’বান মাস উনার ১৫ তারিখ ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি অর্থাৎ রোজ বুধবার সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার তর্জ-তরীক্বা


সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম ওয়া ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তর্জ-তরীক্বা সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!