রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থে পরিচালিত কার্যক্রমের কিছু নমুনা


সাম্রাজ্যবাদীরা গণতন্ত্রের মত এক অর্থহীন- অচল- অকার্যকর পদ্ধতি বিশ্বে চাপিয়ে দিয়ে এবং তার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে সহায়ক শাসক শ্রেণী বসিয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। এইসব শাসক শ্রেণী কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সুবিধাটুকুই দেখে প্রকারান্তরে বঞ্চিত থাকে আপামর জনগোষ্ঠী। 

প্রসঙ্গ: মেট্রোরেল


মেট্রোরেলের ফলাফল আর যাই হোক না কেন, এতে অন্ততঃ যানজট কমবে না বরং দ্বিগুন হতে বাধ্য। অন্য সব কারণ বাদ দিয়ে শুধু একটা কারনই বিবেচনা করা হোক। সেটা হচ্ছে, যে ষ্টেশনগুলোতে রেল থামবে সেখান থেকে যাত্রীদের গন্তব্য স্থলে যাওয়ার বা আসার 

মোবাইল ফোন বিস্ফোরণ ঠেকাতে কী করবেন ?


স্মার্টফোন বিস্ফোরণের ঘটনা একেবারে নতুন নয়। মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফোনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের ফোন যেমন- শাওমি, স্যামসাং ইত্যাদি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয় যা একেবারেই অনাকাঙ্খিত। স্মার্টফোন বিস্ফোরণ বা আগুন লাগার এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে নিজে থেকে সাবধান হতে 

‘নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী’ করার কথা বলা চরম পর্যায়ের জুলুম; যা পবিত্র কুরবানী উনাকে অবমাননা করার শামিল


সরকার বিগত কয়েক বছর থেকে পবিত্র ঈদুল আজহায় মুসলমানদেরকে স্বাধীনভাবে ও সুবিধাজনক স্থানে পশু জবাই করতে বাধা দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। নাউযুবিল্লাহ! যুক্তি হিসেবে তারা ময়লা-আবর্জনা ও যানজটের কথা উল্লেখ করে। এমন অযৌক্তিক চিন্তাধারার ফলে কি 

আয় আল্লাহ পাক! আপনি তাদের ধ্বংস করে দিন


আয় আল্লাহ পাক, যে সকল ইহুদী বশংবদ ওহাবী-সালাফী, ধর্মব্যবসায়ী মালানা, উলামায়ে সূ’রা নূর নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে, উনার পবিত্র রওযা শরীফ নিয়ে, উনার সংশ্লিষ্ট পবিত্র বিষয় নিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, চক্রান্ত করছে, 

এ যুগেতো হযরত নবী-রসূল উনারা আসবেন না : তাই আখিরী রসূল উনার নায়িব, যামানার ইমাম, মুজাদ্দিদে আ’যম তিনি এসেছেন;


আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি শেষ নবী, আমার পরে আর কোনো নবী নেই।” সুতরাং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, 

বিধর্মীদের প্রতি আমাদের কিরূপ মনোভাব পোষণ করতে হবে? আসুন পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে শিক্ষা নেই


কাফির কিংবা অমুসলিমদের প্রসঙ্গ আসলে অনেকেই মনগড়া ভাবে কিংবা শোনা কথায় দীক্ষিত হয়ে এরূপ মন্তব্য করেন যে, ‘ইসলাম সব ধর্মের প্রতি সমান অধিকার দিয়েছেন।’ কেউ বলে, ‘ইসলাম সম্প্রীতি শিক্ষা দেয়।’ কিন্তু এরা জানেনা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক 

পর্দা করা মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই ফরয


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে এবং যে দেখায়, তাদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” কাজেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পর্দাকে ফরয করেছেন। সেহেতু পর্দা পালন করা সমস্ত মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। পাশাপাশি শান্তি লাভের অন্যতম কারণ। 

ইবলিশ জানে….!


লক্ষ লক্ষ বছর ইবাদত করে ফেরেশতাদের মুয়াল্লিম হয়েও যদি প্রথম নবী ও রসূল হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার একটা বিষয়ে চু-চেরা করার কারনে সমস্ত কিছু নষ্ট হয়ে মালউন চির জাহান্নামী হতে হয়, তাহলে মানুষও যত বড় কিছু করুক না কেন, 

হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলে জ্বরের আশঙ্কা থাকে।


যদিও সময়টা ডেঙ্গুর, তথাপি ভ্যাপসা গরম আর ঝড়–বৃষ্টিতে পড়ে অনেকেরই ভাইরাল জ্বর হচ্ছে। গরমে ভিজে বা বৃষ্টিতে ভিজে ঠান্ডা লাগছে; আর এমন অস্বাভাবিক আবহাওয়ায় পরিবর্তনের সঙ্গে অনেকের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খাপ খাওয়াতে পারে না, তখন কিছু কিছু ভাইরাস শরীরের ওপর 

বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানগণের সাথে বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে 

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবিয়াহ (যয়নাব বিনতে জাহাশ) আলাইহাস সালাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’ হাক্বীক্বতে পালন


ইমামুল মুফাসসিরীন মিনাল আউওয়ালীন ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন: ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত 

নাপাক স্থানে নামায পড়লে যেমন নামায আদায় হয় না, তেমনি যেখানে সেখানে যাকাত, কুরবানীর চামড়া ইত্যাদি দিলে তা আদায়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর তোমরা নামায কায়িম করো ও যাকাত প্রদান করো এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য কর।” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬) উপরোক্ত আয়াত শরীফ উনার