আগামী কাল ১১ ই রবিউছ ছানী শরীফ ইয়ামুল আহাদ পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াজদাহম


রবীউছ ছানী মাস অত্যন্ত বরকত ও ফযীলতপূর্ণ মাস। এই মাসেই মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত শায়খ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বিছাল শরীফ লাভ করেন। গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত শায়খ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল

রাজারবাগ দরবার শরীফে পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিযাম। সুবহানাল্লাহ!


মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ, অভূতপূর্ব, বেমেছাল, সুমহান তাজদীদ মুবারক ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ২৪ ঘণ্টা তথা দায়িমীভাবে সারা জীবন সম্মানিত সাইয়্যিদুল

পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরী করা, কারানো ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে শরয়ী ফায়সালা| – পর্ব- ৫


প্রিয় বন্ধুরা আমরা ইতোমধ্যেই পবিত্র হাদীছ শরীফ, হাদীছ শরীফের ব্যাখ্যা গ্রন্থ ও ফিক্বাহের কিতাব সমূহের দলীলের মাধ্যমে ‘ছবি’র ব্যাখ্যা জেনেছি| এবার আমরা ছবির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানবো| মূলতঃ টি.ভি, ভি.সি.আর, সি.সি.টি.ভিতে প্রদর্শিত দৃশ্যাবলী অবশ্যই ছবির অন্তর্ভূক্ত| কেউ কেউ ছবির শরয়ী ও বৈজ্ঞানিক

আইএসআইএল’কে অর্থ দেয় আমেরিকা


পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল’এর এক কমান্ডার স্বীকার করেছে, আমেরিকার মাধ্যমে তাদেরকে অর্থের যোগান দেয়া হচ্ছে। ইউসুফ আস-সালাফি নামের এ কমান্ডারকে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে আটক করা হয় বলে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে। তদন্তে

তালেবান সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নয় -হোয়াইট হাউস


তালেবান কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নয়। গত ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছে হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি এরিখ সাল্টজ। এবিসি টেলিভিশনের এক রিপোর্টারের সঙ্গে বাক বিনিময়ের এক পর্যায়ে সে এ মন্তব্য করে বলে জানিয়েছে ‘ওয়াশিংটন টাইমস’ পত্রিকা। গত

পশ্চিমবঙ্গে ফের ধর্মান্তরকরণ: বাংলাভাষী মুসলমানদের সর্বত্র বয়কট করার আহবান


ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ধর্মান্তরকরণ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন সমাজকর্মীরা এই ঘটনায় নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় গত ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) এই ধর্মান্তরকরণের ঘটনা

রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কথিত ‘লাখো জনতার ঢল’ একটি গণতান্ত্রিক ধোঁকা॥ এ ঢল কি সাধারণ মানুষের, নাকি দলীয় আর ভাড়াটে লোকদের?


গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি বড় হাতিয়ার হচ্ছে মিডিয়া (গণমাধ্যম)। মিডিয়ায় প্রচারণার মাধ্যমে গণতন্ত্রের রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের চিন্তা জগতে তাদের পক্ষে অনুভূতি সৃষ্টি করে। দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৭/১/২০১৫ ঈসায়ী) বায়তুল মোকাররম মসজিদে অনেক লোকের অংশগ্রহণে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

দুটি সংবাদ এবং একটি প্রতিবাদ!


প্রথম সংবাদ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অবমাননা করে আবারো শার্লি হেবডো নামক ম্যাগাজিনে কার্টুন ছেপেছে! (নাউযুবিল্লাহ) [সূত্র: http://goo.gl/qodqhZ] দ্বিতীয় সংবাদ: সউদী বাদশাহর মৃত্যু: বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক! [সূত্র: http://goo.gl/2FWEyv] প্রিয় পাঠকগণ- সম্প্রতি যে সংবাদগুলো সারা বিশ্বেই

হরতাল অবরোধে যারা আগুনে মানুষ পুড়িয়ে মারছে এবং তাদেরকে ও আগুনে পুড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত


বাংলাদেশে সংবিধান অনুযায়ী নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হলে তার মৃত্যুদ- শাস্তির বিধান আছে। তবে নির্ধারিত শাস্তির বিধান লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, বিষ খাইয়ে হত্যা, আগুনে পুড়িয়ে হত্যা অর্থাৎ যেকোনো হত্যার ক্ষেত্রে সমান। কিন্তু শান্তির ধর্ম পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম মতে,

একদিকে গণতান্ত্রিক অবরোধে সরকারের ‘যেকোনো উপায়ে দমন’ নীতি, আবার বিপরীত দলের ‘অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ’ ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতির নামই কী গণতন্ত্র?


বিএনপি জোটের অবরোধের মধ্যে দেশে চলমান নাশকতা ‘যে কোনো উপায়ে দমন’ করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী। তিনি কঠোরভাবে বলেছেন, “এখানে কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নাই, কোনো চিন্তা নাই। যা কিছু হোক সে দায়িত্ব আমি নেব।” (খবর: বিডিনিউজ২৪.কম, ২৮ জানুয়ারী,

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক ৩য় শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকরূপে নির্ধারিত ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের যে বিষয়গুলো সংশোধন করা জরুরী অর্থাৎ ফরয


(নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আবনা আলাইহিমুস সালাম ও বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নাম মুবারক সম্মানের সাথে উচ্চারণ করতে হবে।) তৃতীয় শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের ৬৬ নং পৃষ্ঠায়- “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু

যদি কেউ ‘পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ উনাকে বিদয়াত বলে, তাহলে তাকে নিম্নের বিদয়াত কাজ অবশ্যই বাদ দিতে হবে


কিছু কিছু গন্ডমূর্খ, জাহেল খাইরুল কুরুনের পর আবিষ্কৃত প্রত্যেক নতুন জিনিস বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ বলে থাকে। অথচ ইহা মোটেও শুদ্ধ নয়। কেননা যদি তাই হতো, তবে আমাদের সামাজে প্রচলিত এমন অনেক নতুন বিষয় রয়েছে, যা অবশ্যই পরিত্যাগ করা জরুরী হয়ে পড়তো। যেমন-

হারামে নিমজ্জিত পাপীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিদয়াত বলে থাকে।


যারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিদয়াত বলে, তারাই সর্বপ্রকার হারাম কাজগুলো করে থাকে। যেমন- পহেলা বৈশাখ পালন করে। ভ্যালেন্টাইন ডে পালন করে। থার্টি ফার্স্ট নাইট পালন করে। মা-বাবা দিবস, বন্ধু দিবস পালন করে। মে দিবস ও এপ্রিল ফুল পালন করে। খালি