নগ্ন ললনা পিয়াসী নয়; হুর-গেলমান লাভের মানসিকতা পোষণ করুন । তাহলে চরিত্রবান জীবন গড়ে উঠবে


জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনের একটি অসতর্ক অধ্যায় হলো সাম্যবাদীদের দ্বারা সাময়িক বিভ্রান্তি। কবি তখন অকুণ্ঠচিত্তেই লিখেছেন- “গাহি সাম্যবাদের গান।” অভিযোগ রয়েছে, নজরুলের অভাব ও আত্মভোলা মানসিকতাকে পুঁজি করে তখন সাম্যবাদী তথা সমাজতন্ত্রীরা বেশ কিছু কবিতা লিখিয়ে নিয়েছিল। তার মধ্যে 

মানুষ সবক্ষেত্রে নিজের স্বকীয়তা ফুটিয়ে তুলতে চায়…তাহলে দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে কেন সার্বজনীন হওয়াটা পছন্দ করে?


মানুষ… পোশাক নির্বাচনের সময় চেষ্টা করে যেন কারো সাথে তা মিলে না যায় সাজসজ্জার ক্ষেত্রে চেষ্টা করে একদম আলাদা দেখাতে লেখার সময় চেষ্টা করে ব্যতিক্রম কিছু লিখতে বলার সময় চেষ্টা করে ভিন্নধর্মী কিছু বলতে বাড়িগাড়ি হোক, ক্যারিয়ার হোক, লাইফ পার্টনার হোক…নিজের 

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক-ধারাবাহিক।


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক-ধারাবাহিক। ********************************************************************* মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন। والله ورسوله احق ان يرضوه ان كانو مؤمنين অর্থ 

যে ব্যক্তির নাম ‘মুহম্মদ’ ও ‘আহমদ’ হবে সে কখনো দোযখে প্রবেশ করবে না।”


যারা ‘মুহম্মদ’ ও ‘আহমদ’ সম্মানিত নাম মুবারক রাখবে বা ধারণ করবে তারা ইহকাল ও পরকালে বেমেছাল ফযীলত লাভ করবে। তিনি বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ও মিরকাত শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বরাত দিয়ে বলেন, “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু 

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্য ফরয হচ্ছে একটি সুন্দর, অর্থবোধক ইসলামী নাম রাখা বা ধারণ করা।


প্রত্যেক মুসলমান পিতা-মাতার জন্য সুন্নত হচ্ছে সন্তান বিলাদত বা জন্মগ্রহণ করার পর ১. সন্তানকে গোসল করানো, ২. ডান কানে আযান, বাম কানে ইক্বামত দেয়া। ৩. কোনো বুযুর্গ ব্যক্তির মাধ্যমে তাহনীক করা বা মধু পান করানো। ৪. সপ্তম দিনে মাথার চুল মু-ানো 

ই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত তাদের মুল নাম হিসেবে ‘মুহম্মদ’ ও ‘আহমদ’ নাম মুবারক রাখা বা ধারণ করা।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের নামে এবং তোমাদের পিতার নামে ডাকা হবে। তাই তোমরা সুন্দর (অর্থবোধক ইসলামী) নাম রাখো।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা 

” খাবার শুরুতে এবং শেষে লবন খাওয়া সুন্নত,এই সুন্নত আমলের মধ্যেই রয়েছে ৭৩ রোগের শিফা”


  “তানযিয়াতুশ শরীয়াতিল মারফুয়াহ” কিতাবে উল্লেখ আছে,   অর্থ:হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম  তিনি বর্ননা করেন,একদা নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,” হে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম আপনার জন্য লবন খাওয়া আবশ্যক। কেননা,লবনে সত্তর প্রকার 

”পিলখানা হত্যাকান্ড” আমাদের মনে করিয়ে দেয়, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমতঃ ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে।”


আমাদের ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে সর্বসাকুল্যে সেনাবাহিনীর ৫৫ জন অফিসার শহীদ হন। অথচ ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি এই দুই দিনের মধ্যে বিদ্রোহের নামে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যা করা হয় ৫৭ সেনাকর্মকর্তাসহ ৭৪ জন মানুষকে! উইকিলিকসের কল্যাণে এখন প্রায় সবাই 

হাসান মাহমূদ ওরফে হা. মা.র স্বরূপ উদঘাটন


হাসান মাহমূদ নাম। ওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেসের উপদেষ্টা দাবি করলেও তার তিন হাত দেহে ইসলামের চিহৃ নাই। রাস্তায় মরে পরে থাকলে প্যান্ট খুলে চেক না করে বোঝার উনায় নাই তার প্রকৃত পরিচয়।অথচ সে ফতোয়া দিচ্ছে মূর্তি ও ভাস্কর্য হারাম নয়। ইসলাম বিদ্বেষী 

হাইকোর্টে গ্রীক দেবীর মূর্তি হালাল করার জন্য ইসলাম বিদ্বেষীরা একের পর এক মিথ্যাচার করছে।


হাইকোর্টে গ্রীক দেবীর মূর্তি হালাল করার জন্য ইসলাম বিদ্বেষীরা একের পর এক মিথ্যাচার করছে। তারা এবার হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনার নামেও মিথ্যাচার করলো। তারা সূরা সাবার ১৩ নং আয়াত শরীফের একটা শব্দকে ভুল অর্থ করে হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনার 

ইসলাম বিদ্বেষী হাসান মাহমুদ ওরফে হা. মা.


বিডিনিউজ২৪ ব্লগে মূর্তি বিড়ম্বনার ইসলামি আঙ্গিক‘ শিরোনামে একটি পোস্ট (http://bit.ly/2lfgwf9) প্রকাশ পেয়েছে। যেখানে কথিত ইসলামী রেফারেন্স দিয়ে দাবি করা হয়েছে- ইসলামে নাকি মূর্তি বৈধ। ইসলামবেত্তাদের সাথে আলাপ করে জানতে পেরেছি, পোস্টে প্রকাশিত সকল দলিলই ভুয়া ও উদ্দেশ্যমূলক ইসলাম নিয়ে অপব্যাখ্যা। যাই 

বইমেলায় বিক্রি হচ্ছে ইসলাম অবমাননাকারী বই


গত কয়েকদিন আগে, মোস্তাফা সারোয়ার ফারুকীর ডুব‘ নামে একটা সিনেমা সেন্সর বোর্ড আটকিয়ে দিয়েছে। আটকানোর কারণ- ঐ মুভিতে নাকি উপন্যাসিক হুমায়ুন আহমেদের ব্যক্তি চরিত্রকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে। যদিও মুভির চরিত্রগুলো হুমায়ুন বা তার স্ত্রী-কন্যা হুবুহু নাম অনুসারে নয়, কিন্তু