রাষ্ট্র কর্তৃক মুসলমানদের বিয়ের বয়স নির্ধারন করে দেয়া দ্বীন ইসলাম অবমাননার শামিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধান অনুসারে একজন মুসলমান যে কোন বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন। বিবাহের জন্য নারী পুরুষের কোন সুনির্দিষ্ট বয়সকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে নির্ধারন করে দেয়া হয়নি। তার মানে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাকে যারা মেনে চলবেন উনারা 

সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَلِلّٰـهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُوْلِهٖ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَلٰكِنَّ الْمُنَافِقِيْنَ لَا يَعْلَمُوْنَ অর্থ: “সমস্ত ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী মহান আল্লাহ তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, আর 

বদকার লোক মারা যাওয়ার সময় কি অবস্থা হয় তার একটি বাস্তব উদাহরণ


এক লোক মারা যাওয়ার সময় খুবই ছটফট করছিল, চোখ বড় বড় করে এদিক-সেদিক তাকাচ্ছিল, হাত-পা ছুটাছুটি করছিল। ছটফট করতে করতে শেষ পর্যন্ত চকির উপর থেকে নিচে পড়ে মারা যায়। এর মূল কারণ হলো-সে যেহেতু বদকার ছিলো তাই তার রুহ কবজ করার 

পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ সমাজ থেকে উঠিয়ে দেয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের 

আত-তাক্বউইমুশ শামসী প্রণয়নের পেক্ষাপট: বর্ষপঞ্জি বা ক্যালেন্ডার ও তার একক সমূহ


বর্ষপঞ্জি বলতে বছর গণনা বা হিসাব করার একটি সুশৃঙ্খল তর্জ ত্বরীকাকে বুঝানো হয়। মূলতঃ বর্ষপঞ্জি হচ্ছে মাস, সপ্তাহ ও দিনে বিভক্ত একটি বছর ভিত্তিক সারণি; যেখানে দিন, সপ্তাহ, মাস ও বছর এককগুলো ব্যবহৃত হয়। বর্ষপঞ্জি প্রণয়নের ভিত্তি হলো মহাকাশবিজ্ঞানের পর্যবেক্ষণলব্দ উপাত্ত। 

প্রচলিত ‘জাতীয় সঙ্গীত’ পরিবর্তনের দাবির যৌক্তিকতা রয়েছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত 

যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয় না, তারা পথভ্রষ্ট।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে, সে তার জন্য কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়েখ) পাবে না।” অর্থাৎ যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয় না, তারা পথভ্রষ্ট। কাজেই, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত 

রাজা চেরামান পেরুমল (তাজউদ্দীন) রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু – ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম !


চেরামান পেরুমল (তাজউদ্দীন) রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন এবং শেষ নবী হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্র সাহচর্য লাভ করে সাহাবী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। চেরামান পেরুমল কথাটির অর্থ হল 

পর্দার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য সম্পর্কে একটি ওয়াকিয়া মুবারক


পর্দা করা ফরয। কিন্তু বর্তমানে তথাকথিত মুসলমানরা পর্দা করার ব্যপারে কোনো গুরুত্বই দিচ্ছে না। বিশেষ করে যারা পর্দা করতে মানুষকে উৎসাহ দিবে, যারা আলিম তারাই পর্দা করছে না। নাউযুবিল্লাহ! নিম্নে পর্দা সম্পর্কে একটি ওয়াকিয়া মুবারক উল্লেখ করা হলো। যার মধ্যে সবার 

ইয়াযীদ ও তার বাহিনী এখনো সমাজে বিদ্যমান ॥ আর এরাই উলামায়ে ‘সূ’ তথা ধর্মব্যবসায়ী মালানা


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস আসলেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ উনাদের মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে। স্মৃতিতে ভেসে উঠে পবিত্র কারবালা উনার হৃদয় বিদারক ঘটনা। এমন ঘটনা মানবজাতির ইতিহাসে দ্বিতীয় আর একটিও নেই। খিলাফতের দাবি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু 

আজ সুমহান ঐতিহাসিক মহা পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনার সম্মানিত দিন। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ঐতিহাসিক মহা পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনার সম্মানিত 

হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার যারা সমালোচনা করে, উনাকে নাক্বিছ বলে, উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে তারা সকলেই


সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছালিছ, মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম উনার মর্মান্তিক শাহাদাতকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ নববী কাননের সুরভিত গোলাপ, কাতিবে ওহী, ছাহিবে সির, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সমালোচনা করে