মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফযল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে লাভ করার কারণে বিশ্ববাসী যেন খুশি মুবারক 

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী, কটাক্ষকারী, অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড প্রদান


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ 

পবিত্র ইসলামে অশুভ বা কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই, এবং ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই


সমাজে অনেক মানুষ আছে যারা বিভিন্ন মাস ও দিনকে অশুভ বা কুলক্ষনে মনে করে। এবং রোগ ব্যাধিকে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে মনে করে থাকে। কিন্তু কোন রোগ মাস ও দিনকে অশুভ বা কুলক্ষন মনে করা এবং রোগ ব্যাধিকে সংক্রামক এবং ছোঁয়াচে মনে 

প্রত্যেকের এটা মনে রাখতে হবে- মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য; আর মসজিদ ভাঙ্গা কাফিরদের বৈশিষ্ট্য


মসজিদ যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ঘর। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান মসজিদ। মহান আল্লাহ পাক তিনি মসজিদ নির্মাণ ও আবাদ করার জন্য নির্দেশ মুবারক করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَا كَانَ 

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত উম্মে হাবীবা বিনতে আবি সুফিয়ান আলাইহাস সালাম। তিনি কুরাইশ গোত্রের উমাইয়া শাখার অন্তর্ভূক্ত। হযরত হাবীবাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মেয়ের নাম, সেজন্য 

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন,


প্রথম শাদী মুবারক: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ আসার পূর্বে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার শাদী মুবারক হয়েছিলো ‘উবাইদুল্লাহ ইবনে জাহাশের সাথে। তখন ‘সাইয়্যিদাতুনা 

পবিত্র সুন্নত মুবারক জারী হওয়া মানেই বিদয়াত দূরীভূত হওয়া


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা 

ধনসম্পদ, সামাজিক অবস্থান কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চপদ নয়: মুসলমানদের স্ট্যাটাস সিম্বল হলো অধীনস্থ নারীদের পর্দা পালন


বর্তমানে মুসলমানরা দুনিয়াবী বিভিন্ন বিষয়কে স্ট্যাটাস সিম্বল হিসেবে নিয়ে থাকে। যেমন দুনিয়াবী দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো নামকরা প্রতিষ্ঠানের কোনো উচ্চপদের চাকরি, কিংবা অর্থসম্পদ প্রতিপত্তি দ্বারা মানুষ নিজেকে সম্মানিত মনে করে। অথচ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে 

উত্তম আমল হলো সুন্নতী আমল, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক


পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত সীমাহীন। কিন্তু কে না চায় এই সীমাহীন ফযীলত উনার পরিপূর্ণ ফায়দা হাছিল করতে? কে না চায় ফযীলত অর্জন করতে? কে চায় না যে সমস্ত নিয়ামত হাছিল হোক? সবাই চায়। সবাই ভালো জিনিস ও নিয়ামতরাজি চায়। কিন্তু 

সুমহান বেমেছাল বরকতময় ৩রা ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” অর্থাৎ কোনো পুরুষ ও মহিলা কেউই আপনাদের মত নয়। সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ৩রা ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ 

‘নির্যাতিতে’র অভিনয় করাই হলো অমুসলিমদের প্রধানতম অস্ত্র


এদেশের অধিকাংশ আইনজীবীদের মতে, নারী নির্যাতন আইন’ নামে যে আইনটি রয়েছে এদেশে, তার ব্যবহারের চেয়ে অপব্যবহার বেশি। যেহেতু এই আইনটিতে সাক্ষী কিংবা প্রমাণের তোয়াক্কা না করেই কেবল কথিত ‘ভিকটিমে’র দাবির উপর ভিত্তি করে রায় দেয়া হয়, সেহেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিরুদ্ধপক্ষের 

মাযহাব মানা ফরয; অস্বীকারকারীরা গুমরাহ


মাযহাব অনুসরণ করার বিশেষ কয়েকটি খুছুছিয়ত- ১. সহীহ ও সুস্পষ্টভাবে সম্মানিত শরীয়ত পালন করা, ২. পবিত্র কুরআন মাজীদ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সঠিক তাফসীর ও ব্যাখ্যা জেনে আমল করা, ৩. ইজমাউল উম্মাহ ও ছহীহ ক্বিয়াস উনাদের মাসয়ালাগুলো সহজেই জানা, ৪. 

যেসব মালানা, মুফতী, মুফাসসির, মুহাদ্দিছ ও পীর দাবিদাররা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তারা নিঃসন্দেহে উলামায়ে ‘সূ’


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ফযল-করম মুবারক এবং মহাসম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হচ্ছেন পবিত্র ঈমান; তাই উনার শান মুবারকে বিন্দুতম চু-চেরা


পবিত্র ঈমান উনার মূলই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার প্রতি পরিপূর্ণ পবিত্র ঈমান না আনা পর্যন্ত, পরিপূর্ণ হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ না করা পর্যন্ত, উনাকে সবচেয়ে মুহব্বত