সুমহান ২রা রমাদ্বান শরীফ মুবারক হো!


তিনি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রথম আওলাদ আলাইহিস সালাম। উনার নাম মুবারকেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুনিয়াত মুবারক গ্রহণ করেছিলেন। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত চার জন আবনা তথা পুত্র সন্তানদের মাঝে 

রোযা রেখে ইঞ্জেকশন,ইনসুলিন,ইনহেলার নেয়া যাবে??


ডাক্তারের কাজ ডাক্তারী করা ফতওয়া দেয়া না! অথচ পান্ডিত্যের নিদর্শন রাখতে গিয়ে কিছু ডাক্তার মনগড়াভাবে ফতওয়া দেয় আর কিছু দুনিয়াদার আলিম তথা উলামায়ে ছু’ এতে মদদ দেয়! নাউযুবিল্লাহ! এরা সাধারণ লোকদেরকে বিভ্রান্ত করে এই বলে যে,রোযাবস্থায় ইঞ্জেকশন,ইনহেলার,ইনসুলিন ইত্যাদি নিলে রোযা ভংগ 

আল ওয়ালিইয়্যু ওয়ালিই ইয়ান ওয়ালাও কানা ছবিইইয়ান


সেইদিন ছিল ৪৭১ হিজরী উনার পবিত্র শা’বান শরীফ মাসের ২৯ তারিখ, যেদিন জিলান নগরের আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। চাঁদ দেখতে না পেয়ে সাবধানতাবশতঃ লোকেরা সাহরী খেয়ে পরদিন এক মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনার কাছে চাঁদ দেখা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জবাবে 

পর্দানশীন ও তাক্বওয়াসম্পন্না মাতা উনার রেহেম শরীফ-এ আগমন ঘটে ষষ্ঠ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার


ষষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিতা মাতা ছিলেন অতি পর্দানশীন ও তাক্বওয়াসম্পন্না। উনার পবিত্র রেহেম শরীফ-এ এই মহান ওলী উনার আগমন ঘটে। তাহলে যিনি সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, যিনি সরাসরি ক্বায়িম-মাক্বামে রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া 

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মহান তাজদীদে পীরানে পীর, গাউছুল আ’যম দস্তগীর সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি


মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা অসীম রহম করে, ইহসান করে মুসলিম উম্মাহর পবিত্র ঈমান-আমল হিফাযতের জন্য, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাজদীদের জন্য প্রতি হিজরী শতকেই একজন মহান মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন। 

গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতো ওলীআল্লাহগণই ইবলিস শয়তানের ধোঁকা থেকে সর্বাবস্থায় নিরাপদ


কিতাবে বর্ণিত আছে, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন কঠিন ইবাদত, রিয়াজত-মুজাহাদার সর্বোচ্চ সোপানে অধিষ্ঠিত, ঠিক সে সময় উনার সম্মুখে একটি আলোর ঝলক উদ্ভাসিত হলো, সেখান হতে একপ্রকার আকৃতিও জাহির হলো। সেই আকৃতি আওয়াজ করে বলে উঠলো, ‘হে আল্লাহ 

সাইয়্যিদুল আউলিয়া গাউছুল আ’যম দস্তগীর সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত বুযূর্গ পিতা তিনি হালাল খাদ্য গ্রহণের


আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বুযূর্গ পিতা আওলাদে রসূল হযরত আবু ছালেহ মুসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছে, তিনি যখন যুবক ছিলেন তখন একদিন জিহাদ থেকে বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করা কালে ক্ষুধার্ত অবস্থায় দজলা নদীর তীর 

গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন পবিত্র মাযহাব উনার অনুসারী এবং হযরত পীর ছাহেব উনার মুরীদ


হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুবারক জীবনী পাঠে জানা যায়, তিনি ছিলেন সম্মানিত হাম্বলী মাযহাব উনার অনুসারী। আর তরীক্বতের পথে তিনি ছিলেন কামিল পুরুষ। এক্ষেত্রে তিনি তদীয় পীর ছাহেব হিসেবে হযরত শায়খে আবূ সাঈদ মুবারক মাখদুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হাতে 

সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত ওলীআল্লাহ


সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাওয়ানেহে উমরী মুবারকে একটি বিশেষ ঘটনা বর্ণিত রয়েছে। একবার এক ব্যক্তি একটা আমল করার নিয়ত করেছে এভাবে যে, তার সাথে ওই সময় পৃথিবীতে আর কেউই শরীফ থাকতে পারবে না। যদি 

এমন মহীয়সী, গরিয়সী আহলিয়া যার ঘরে আছে তিনি ইহকালেও পরকালে কামিয়াব


গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদ আবু ছালেহ মূসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটি আপেল ফল ভক্ষণের কাফফারাস্বরূপ কয়েক বছর হযরত সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ সাওমায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গোলামী শেষে বিদায় বেলা উনার 

“”””সুমহান পহেলা রমাদ্বান শরীফ:


    গাউছুল আ’যম, মুহিউদ্দীন, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আযীমুশ শান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন”‘”   তদানীন্তন সময়ে মুসলিম আওয়াম ছিলো মজলুম, প্রশাসন কর্তা ছিলো যালিম। বিশেষ করে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে পুরো মুসলিমগণ ছিলেন জাহিলিয়াতের কষাঘাতে 

এক মহান ও বরকতময় মাস আমাদের উপর ছায়া বিস্তার করেছেন…


পবিত্র শা’বান মাসের শেষ তারিখে,নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খুৎবা মুবারকে ইরশাদ মুবারক করেন,   “হে মানুষেরা! নিশ্চয়ই এক মহান ও বরকতময় মাস আপনাদের উপর ছায়া বিস্তার করেছে। এটা এমন এক মহান মাস যাতে এমন একটি