হালাল খাবার খেলে হালাল কাজের প্রতি প্রেরণা জন্মে, আর হারাম খাবার খেলে মানুষ ইচ্ছায় অনিচ্ছায় হারামের দিকে ধাবিত হয়


একজন বজুর্গ ব্যক্তির এক অত্যন্ত ধনী মুরিদ ছিল। সে অনেক ব্যস্ততা থাকা সত্বেও প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় তার শায়েখের (পীর সাহেবের) ছোহবত ইখতিয়ার করত। খানকা শরীফের নিকটবর্তী সদর রাস্তায় কিছু গরীব ও অন্ধ ভিক্ষুক ভিক্ষা করত। একদিন এক অন্ধ ভিক্ষুককে দেখে লোকটির 

মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার প্রদত্ত সম্পদ, উনার রাস্তায় খরচ করার মধ্যেই রয়েছে কামিয়াবী


হযরত ইয়াহ্ইয়া ইবনে যাকারিয়া আলাইহিস সালাম একদিন শয়তানকে দেখে জিঙ্গাসা করলেন, সেই ব্যক্তি কে যাকে তুমি সর্বাপেক্ষা বড় শত্রু বলে মনে কর এবং সেই ব্যক্তি কে যাকে তুমি সর্বাপেক্ষা অধিক ভালবাস? শয়তান উত্তরে বলল, কৃপন দরবেশকে আমি সর্বাপেক্ষা অধিক ভালবাসি। কেননা 

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ


পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনিই হচ্ছেন বর্তমানে বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের চরম নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের একমাত্র ত্রাণকর্তা, মুক্তির দিশারী। 

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক-ধারাবাহিক।


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক-ধারাবাহিক। ********************************************************************* পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে আরও উল্লেখ আছে- قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الله عز وجل وعزتى وجلالى لاعذبت 

প্রত্যেক কাজই ধীরেসুস্থে করার মধ্যে কল্যাণ রয়েছে।


হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক কাজই ধীরেসুস্থে করার মধ্যে কল্যাণ রয়েছে। তবে আখিরাতের আমল ইহার ব্যতিক্রম। (আবু দাউদ শরীফ)   অর্থাৎ আখিরাতের কাজে দেরী করা উচিত 

সম্মানিত আহলুবাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতই হচ্ছে নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার মুহব্বত।


তিরমিযী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,   “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত কর। কেননা তিনি তোমাদের প্রতি খাদ্য সামগ্রীসহ সর্ব 

সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিশতির ন্যায়। যে তাতে


‘মুসনাদ আহমদ বিন হাম্বল’- উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, হযরত আবু যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার দরজা মুবারক ধরে বলেছেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, সাবধান! 

হাজার বছরের ওলী আল্লাহ মুজাদ্দিদে আলফেসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র মীলাদ শরীফের পক্ষে লিখেছেন।


    হাজার বছরের ওলী আল্লাহ মুজাদ্দিদে আলফেসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র মীলাদ শরীফের পক্ষে লিখেছেন।   আজ হিজরী সনের ২৮ ছফর। আজ থেকে ৪০৪ বছর আগে ১০৩৪ হিজরী সনে পৃথিবী বিখ্যাত ওলী আল্লাহ হযরত আহমদ ফারুক সিরহিন্দ মুজাদ্দিদে আলফে সানী 

প্রতিটি জিনিসের ভিন্ন ভিন্ন তাছীর থাকে; যে ব্যক্তি যে বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত হয় তার তাছীরই তার উপর পতিত হয়


জনৈক নাপিত নিয়মিত এক বাদশাহের চুল কাটতো। একদিন সে চুল কাটতে কাটতে বলল, জাঁহাপনা, আপনার একান্ত আদরের মেয়েটিকে দিন। আমার ছেলের সাথে বিয়ে দেব। কথা শুনে বাদশাহ তো কিংকর্তব্যবিমূঢ। নাপিতকে জবাব দেয়ার মত ভাষাই সে খুঁজে পেল না। একজন নাপিত কিভাবে 

ভিন্ন সুরে যৌতুক লাভের বাসনার প্রকাশ….


” আমরা মানুষের মতো লোক ঠকাবো না।বিয়েতে মেয়ের সাথে যা দেয়া প্রয়োজন সব দিবো!” সাউন্ড কেমন??? মানুষের কথার মধ্যেও বিভিন্ন সুর থাকে!!! একটা মেয়ের বিয়ের সময় তারা বাবা-মা যদি সব না দেয় তবে কি সেই বাবা-মা পাত্রপক্ষকে ঠকালো!!!?????? উল্লেখ্য,”সব” বলতে কি 

যে ব্যক্তি আপনাদের উপর দুরূদ শরীফ পাঠ করে না, তার নামায কবূল হয় না।”


শাফেয়ী মাযহাব উনার ইমাম হযরত ইমাম শাফেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন-   يَا اَهْلَ بَيْتِ رَسُوْلِ اللهِ حُبُّكُمْ .. فَرْضٌ مّنَ اللهِ فِـى الْقُرْاٰنِ اَنْزَلَهٗ يَكْفِيْكُمْ مّنْ عَظِيْمِ الْفَخْرِ اَنَّكُمْ … مّنْ لَّـمْ يُصَلّ عَلَيْكُمْ لَا صَلَاةَ لَهٗ   অর্থ: “হে 

সম্মানিত হাদিছ শরীফ না মানার ভয়াবহ পরিনতী।


সম্মানিত হাদিছ শরীফ না মানার ভয়াবহ পরিনতী। *********************************************** আমাদের ফিকির করা উচিৎ, সম্মানিত হাদিছ শরীফ কার ? এ কি বানানো কোন বিষয় ? নাউযুবিল্লাহ। যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহিও ওয়াসাল্লাম উনার সম্মানিত হাদিছ শরীফ। সুবহানাল্লাহ।