রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থে পরিচালিত কার্যক্রমের কিছু নমুনা


সাম্রাজ্যবাদীরা গণতন্ত্রের মত এক অর্থহীন- অচল- অকার্যকর পদ্ধতি বিশ্বে চাপিয়ে দিয়ে এবং তার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে সহায়ক শাসক শ্রেণী বসিয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। এইসব শাসক শ্রেণী কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সুবিধাটুকুই দেখে প্রকারান্তরে বঞ্চিত থাকে আপামর জনগোষ্ঠী। 

যেভাবে বাস্তবায়িত হয় সাম্রাজ্যবাদ!


সাম্রাজ্যবাদীদের দেশ দখলের কৌশল অনেক প্রকার। এর মধ্যে একটি হচ্ছে কালচারাল এগ্রেশন। আমাদের দেশের অনেক কালচারাল গ্রুপগুলোতে রয়েছে বিধর্মী-বিদেশী গোয়েন্দাদের সরাসরি যোগাযোগ। রাশিয়ার সাংবাদিক এবং গোয়েন্দা আলেক্সান্ডার ব্রেযমিনভের ফর্মুলা অনুযায়ী যুদ্ধবিহীন একটি দেশ দখলে প্রয়োগ করা হয় কয়েকটি ধাপ। স্টেজ এক: 

ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়!


পবিত্র দ্বীন ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র দ্বীন ইসলামই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ 

ঘাদানি কমিটির শাহরিয়ার কবিরও স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার (৪)


“শাহরিয়ার আমরা একসঙ্গে বহুদিন কাজ করেছি, বিশেষ করে ৭১-এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিতে। কিন্তু যখন জানতে চেয়েছি সে কোথায় যুদ্ধ করেছে, তখনই সে নিশ্চুপ থেকেছে, কোনদিন সদুত্তর দেয়নি”। শাহরিয়ার কবিরের হাক্বিকত এভাবেই ফাঁস করেছেন কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান সেক্টর কমান্ডার। এভাবেই একে 

দরপতনের ধারায় পুঁজিবাজার!


নির্বাচনের মওসুমে দেশের পুঁজিবাজারে যে চাঙ্গাভাব দেখা গিয়েছিল, তা উবে গিয়ে বইতে শুরু করেছে মন্দার হওয়া। সপ্তাহের প্রথম দিন গতকাল রোববার প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৮ পয়েন্ট কমেছে। গতকাল রোববার সিএসইতে ১০ কোটি ৪৯ লাখ টাকার 

পবিত্র যাকাত ও আয়কর সরাসরি সাংঘর্ষিক!


‘যাকাত’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে বৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধি, পবিত্রতা, বরকত ইত্যাদি। যেহেতু পবিত্র যাকাত প্রদানে যাকাতদাতার মাল বাস্তবে কমে না; বরং বৃদ্ধি পায়, পবিত্র হয় এবং কৃপণতার কলুষ হতে নিজেও পবিত্রতা লাভ করে। সম্মানিত শরিয়ত উনার পরিভাষায় মৌলিক চাহিদা মিটানোর পর অতিরিক্ত 

বিনা কারণে কিছুই ঘটে না এই ধরায়!


মহান আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব মালিক রব উনার প্রিয় বান্দা ওলীআল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা ভক্তগণের পানির উপর ফু মুবারক দিয়া থাকেন। ভক্তবৃন্দ সেই পানি পান করে রোগ-ব্যাধি থেকে উপশম পেয়ে থাকে। সুবহানাল্লাহ! কেউ এই বিষয়টি অলৌকিক কিছু মনে করে। কেউ এর 

কামিল মুর্শিদ উনাদের সাহায্য ছাড়া নফস ও শয়তানের বাধা অতিক্রম করা সম্ভব না


মরিতে চাহি না আমি এই সুন্দর ভুবনে। কবি এখানে পৃথিবীকে সুন্দর বলে নাই, সুন্দর বলেছে পৃথিবীর কতিপয় বন্তুকে। যার প্রতি মানুষের রয়েছে দারুণ আকর্ষণ। এই আকর্ষণ স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনিই মানুষকে দান করেছেন। এ সবের উল্লেখ রয়েছে 

” পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুলের ইতিকথা “


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন যে ব্যক্তি যার সাথে মিল রাখবে সে তাদেরই দলভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে।’ আর হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, ‘যে ধোঁকা দেয় বা প্রতারণা করে সে আমার উম্মত নয়।’ স্মরণ রাখতে হবে যে, ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে মুসলমানদের 

সবার রিযিকের মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি; এটা সম্পূর্ণ কুদরতী বিষয়!


“যমীনে যত প্রাণী আছে সবার রিযিকের মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি।” (পবিত্র সূরা হুদ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬ ) হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তিনি একবার বললেন, মহান আল্লাহ পাক আমি সমস্ত মাখলুককে এক বছর খাওয়াতে চাই। মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, 

ঘাদানি কমিটির শাহরিয়ার কবিরও স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার (৩)


শাহরিয়ার কবিরের নামে ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার বিষয়টি শুধুমাত্র ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাবেক আহবায়ক বেগম মোস্তারী শফি লিখিত ‘জাহানারা ইমামের স্মৃতির উদ্দেশে লেখা চিঠি’ নামের বইটিতেই নয়, আরো অনেকের কাছ থেকেই পাওয়া গেছে। এমনকি বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর 

ঘাদানি কমিটির শাহরিয়ার কবিরও স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার (২)


গত ১৫/১২/২০০১ তারিখে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার হয়ে স্বাধীনতা বিরোধিদের মুরগি সাপ্লাই করা ঘাদানি সভাপতি শাহরিয়ার কবির। ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলো। বাংলাদেশের সেনা বাহিনীর বিরোদ্ধে ভুয়া ডকুমেন্ট গুলোর কথা স্বীকার ও করেছিলো। মূলত যারা ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে 

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতে ইন্তেকাল করলে সম্মানিত জান্নাত ওয়াজিব হয়


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اَلَا وَمَنْ مَاتَ عَلَى حُبِّ الِ (سَيِّدِنَا حَضْرَتْ) مُحَمَّدٍ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَشَّرَهُ مَلَكُ الْمَوْتِ بِالْجَنَّةِ ثُمَّ مُنْكَرً وَّ نَكِيْرً عَلَيْهِمَا السَّلَامُ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! আপনারা সাবধান