১লা রবিউল আউয়াল শরীফ : ‘পবিত্র হিজরত মুবারক’ করার মহাসম্মানিত দিন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ 

পহেলা রবিউল আউয়াল শরীফ, সম্মাণিত হিজরত মুবারক দিবস


মুসলিম জাতির মাঝে কে আছে যে হযরত আবু আইয়ূব আল-আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম জানে না? উনার সুনাম, খ্যাতি, মর্যাদা, মর্তবা আল্লাহপাক এবং উনার রাসূল শাহীদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমুন্নত করেছেন সমগ্র বিশ্বে। উনার মর্যাদা, খ্যাতি বৃদ্ধির অন্যতম কারন, 

অনেক দিন পরে আগমন


অনেক দিন পরে আজ আমার আবার সবুজের দেশে আগমন হলো, ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভালোই হতো। শেয়ার করুন TwitterFacebookGoogle+ 

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কিভাবে পালন করতে হবে? =


অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে, কিভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে হবে? এই বিষয়ে অর্থাৎ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারনে, উনার বেলাদত শরীফ (আগমন) উনার সম্মানার্থে, কিভাবে সাইয়্যিদুল 

সুন্নত মুবারক উনার বিরোধিতাকারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতাকারী এবং তারা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারও বিরোধিতাকারী


হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুয়াত্তা শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি পবিত্র নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, এই দুটি 

খালিক্ব হিসেবে মহান আল্লাহ পাক তিনি একক। আর মাখলূক্বাতের মধ্যে বা মাখলূক্ব হিসেবে নূরে মুজসসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু


পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি গুপ্ত বা পুশিদা ছিলাম। অত:পর আমার মুহব্বত বা ইচ্ছা হলো যে, আমি পরিচিত হই তখন পরিচয় লাভের উদ্দেশ্যে আমি সৃষ্টির যিনি মূল (আমার 

পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কমে যাওয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের 

ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্র; কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়। আর দ্বীনদার বা ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির জন্য দ্বীন বা ধর্মটাই সবচেয়ে বড়।


পবিত্র ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি 

মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তির কারণ নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলে তারা ইতিহাস জ্ঞানশূন্য


সমাজে নামধারী অনেক মুসলমান আছে, যারা ইসলাম সম্পর্কে তো কিছু জানেই না, ইতিহাস সম্পর্কেও ধারণা নেই। এ শ্রেণীর লোকগুলো সাধরণত দুনিয়াদার (টাকার মোহে অন্ধ) হয়ে থাকে। ইতিহাস ও ইসলামী শিক্ষায় অজ্ঞতার কারণে মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি নিয়ে এরা প্রায় সময়ই এমন কথা 

ডাকাতের কবলে চট্টগ্রাম ভ্রমণ


ডাকাতের কবলে চট্টগ্রাম ভ্রমণ ————————————— মাদ্রাসার ভিতর ঝিম ধরে বসে থাকতে ভালো লাগছে না।ঝিম কাঠতে বন্ধের দিনকে কাজে লাগাতে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর জুমাবার গেলাম চট্টগ্রামের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে।সাথে ছিলো, বন্ধু ইমরান ও ফুফাত ভাই মোহাম্মদ। প্রথমে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে উঠলাম 

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র ‘মীলাদ’ শব্দ মুবারক উনার ব্যবহার


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ব্যবহৃত মীলাদ শব্দ মুবারক : মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَسَلَامٌ عَلَيْهِ يَوْمَ وُلِدَ وَيَوْمَ يَـمُوْتُ وَيَوْمَ يُبْعَثُ حَيًّا অর্থ : “আর (হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম) উনার প্রতি সালাম (অবারিত শান্তি) যেদিন তিনি পবিত্র 

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে একটি বিশেষ দিন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ বুধবার উনাকে বলা হয়। পবিত্র ছফর শরীফ মাস ব্যতীত আর কোনো মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবারকে ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলা হয় না। যেমন ‘আশূরা’ শব্দটি আরবী