রাজারবাগ দরবার শরীফে পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিযাম। সুবহানাল্লাহ!


মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ, অভূতপূর্ব, বেমেছাল, সুমহান তাজদীদ মুবারক ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ২৪ ঘণ্টা তথা দায়িমীভাবে সারা জীবন সম্মানিত সাইয়্যিদুল

পবিত্র শবে বরাত পালন বিষয়ে সৌদি ওহাবীরা মুসলমানগণের জন্য দলীল নয়; ইসলামী শরীয়তই মুসলমানগণের দলীলঃ


ইদানিং সৌদি ওহাবী মৌলভী এবং তাদের খুদ-কুড়া খাওয়া দেশী-বিদেশী উলামায়ে ছু গং পত্র-পত্রিকা মিডিয়া অনলাইনে ব্যাপক অপপ্রচার করে বলছে, পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কে কোন কিছু উল্লেখ নেই | সৌদি গ্রান্ড মুফতি ও তাদের অনুসরণীয় মুরব্বী গং শবে বরাতের অস্তিত্ব কোথাও খুঁজে

শা’বানের ১৫ তারিখ রাতকে শবে বরাত বা ভাগ্য রজনী নামে নামকরণ করা বিদয়াত নয় বরং তা শরীয়তসম্মতঃ


অর্ধ শা’বানের রাতটিকে অর্থাৎ শবে বরাত বা ভাগ্য রজনী নামে নামকরণ করা বিদয়াত নয় | বরং তা সম্পূর্ণরূপে কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ তথা শরীয়ত সম্মত | আর শরীয়ত সম্মত কোনো বিষয়কে বিদয়াত বলা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভূক্ত | মুসলমান হয়ে যে ব্যক্তি কুফরী

রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক যামানা থেকেই শবে বরাত পালিত হয়ে আসছেঃ


কোন কোন জাহিল বলে থাকে, খাইরুল করুনে ‘শবে বরাত’ ছিল না, তাই এটা বিদয়াত | মূলত তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণই মিথ্যা বরং সঠিক কথা হলো, শবে বরাত আল্লাহ্ পাক উনার হাবীব, রসূরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানা থেকেই শুরু

নফল ইবাদতের মাধ্যমে রাত্রি জাগরণ ও দিনের বেলায় রোযা পালন করা বিদয়াত নয় বরং খাছ সুন্নতঃ


নফল ইবাদতের মাধ্যমে রাত্রি জাগরণ ও দিনের বেলায় রোজা পালন করা বিদয়াত নয় | বরং তা সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ তথা শরীয়তসম্মত | আর কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফসম্মত কোন বিষয়কে বিদয়াত বলা প্রকাশ্য কুফরীর অন্তর্ভূক্ত | মুসলমান হয়ে যে ব্যক্তি কুফরী করে

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনাকে উনার আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি কিছু সুওয়াল মুবারক করেছিলেন। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম তিনি অতি উত্তমভাবে জবাব মুবারক প্রদান করেছিলেন; যা কুল-কায়িনাতবাসীর জন্য রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নাজাত ও হিদায়াতের জন্য যথেষ্ট। সুবহানাল্লাহ!


  ১. সদাচরণ কাকে বলে? জবাব মুবারকে তিনি বলেন- ‘সততার মাধ্যমেই অসত্যকে প্রতিহত করা।’ সুবহানাল্লাহ! ২. ভদ্রতা কাকে বলে? জবাব মুবারকে তিনি বলেন- পরিবার-পরিজনের প্রতি ইহসান করা এবং তাদের অসদাচরণের মোকাবেলায় ধৈর্য ধারণ করা। সুবহানাল্লাহ! ৩. উদারতা এবং দানশীলতা কাকে বলে?

শবে বরাত কি? শবে বরাত-এর অর্থ কি? অর্ধেক ফারসী আর অর্ধেক আরবী সহযোগে শরীয়তে কোন নাম হতে পারে কি-না?


শবে বরাত ও তার অর্থ: এর জওয়াব হলো, ‘শবে বরাত’ হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রিসমূহের মধ্যে একটি রাত্র | যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে | ‘শব’ ফারসী শব্দ | যার অর্থ হচ্ছে “রাত্র” | আর “বরাত” আরবী শব্দ যা

কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফে শবে বরাতের কোন অস্তিত্ব নেই- এ বক্তব্য সম্পূর্ণ জিহালতপূর্ণ ও গুমরাহীমূলক, যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত ——- পর্ব — (৫)


অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ দ্বারাও শবে বরাত প্রমাণিতঃ অর্ধ শা’বান তথা শবে বরাত সম্পর্কে রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ করেছেন তা সর্বজনমান্য ও বিশ্বখ্যাত হাদীছগ্রন্থে রয়েছে কিতাবের নামসহ তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো- # “জামিউত্ তিরমিযী

সুলতা, শুধু তোমার জন্য (বইটির ডাউনলোড লিঙ্কসহ)


Download Book    Read the book Live জীবনের নিঃসঙ্গ বন্ধুর পথ চলতে চলতে আকস্মিক তার সাথে দেখা। অজানা, অচেনা তবু যেন কত পরিচিত, যুগ জন্মান্তরের চেনা। ভাবি এই বুঝি আমার ঠিকানা, এখানেই বুঝি পথচলা শেষ। এখানেই বুঝি ভালবাসার ছায়ায় বিশ্রাম অবিরাম বিশ্রাম।

কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফে শবে বরাতের কোন অস্তিত্ব নেই- এ বক্তব্য সম্পূর্ণ জিহালতপূর্ণ ও গুমরাহীমূলক, যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত ——- পর্ব — (৪)


অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ দ্বারাও শবে বরাত প্রমাণিতঃ অর্ধ শা’বান তথা শবে বরাত সম্পর্কে রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ করেছেন তা সর্বজনমান্য ও বিশ্বখ্যাত হাদীছগ্রন্থে রয়েছে কিতাবের নামসহ তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো- # বিশ্ববিখ্যাত হাদীছগ্রন্থ

কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফে শবে বরাতের কোন অস্তিত্ব নেই- এ বক্তব্য সম্পূর্ণ জিহালতপূর্ণ ও গুমরাহীমূলক, যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত ——- পর্ব — (৩)


কুরআন শরীফ-এর আয়াত শরীফ দ্বারাই “শবে বরাত” প্রমাণিতঃ (ধারাবাহিক) শবে বরাত বা ভাগ্য রজনীকে স্বয়ং আল্লাহ্ পাক স্বীয় কুরআন শরীফ-এ “সূরা আদ দুখান”-এর ৩-৪ নম্বর আয়াত শরীফে ليلة مباركة (বরকত পূর্ণ রাত) হিসেবে উল্লেখ করে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ করেন-

কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফে শবে বরাতের কোন অস্তিত্ব নেই- এ বক্তব্য সম্পূর্ণ জিহালতপূর্ণ ও গুমরাহীমূলক, যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত —- পর্ব — (২)


কুরআন শরীফ-এর আয়াত শরীফ দ্বারাই “শবে বরাত” প্রমাণিতঃ শবে বরাত বা ভাগ্য রজনীকে স্বয়ং আল্লাহ্ পাক স্বীয় কুরআন শরীফ-এ সূরা ‘আদ দোখান’ এর ৩-৪ নম্বর আয়াত শরীফে ليلة المبارك (বরকত পূর্ণ রাত) হিসেবে উল্লেখ করে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ করেন-

কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফে শবে বরাতের কোন অস্তিত্ব নেই- এ বক্তব্য সম্পূর্ণ জিহালতপূর্ণ ও গুমরাহীমূলক, যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত —- পর্ব — (১)


>>> “শবে বরাত” শব্দের তাহক্বীক্ব বা বিশ্লেষণ ও ভাষা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা- মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইনসান তথা মানুষকে সৃষ্টি করে তাদের জীবন যাপন করার জন্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন | আর এই ইনসান তথা মানবজাতিকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন