পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মাঝে শুরু হলো পবিত্র রবিউল আউয়াল শরীফ উনার সম্মানার্থে ৬৩ দিনব্যাপী প্রতিযোগীতা ও ওয়াজ শরীফ উনার মাহফিল ।


সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে অনন্তকালব্যাপী মাহফিল অনুষ্ঠিত  হচ্ছে। তবে রবিউল আউয়াল শরীফ উনার সুমহান শান বিশেষভাবে প্রকাশার্থে ৬৩ দিন ব্যাপী মাহফিল শুরু হয়েছে আজ থেকে। এই মাহফিল উনার ওয়াজ শরীফ, কালামুল্লাহ শরীফ তেলওয়াত, হামদ

রাজারবাগ দরবার শরীফে পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিযাম। সুবহানাল্লাহ!


মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ, অভূতপূর্ব, বেমেছাল, সুমহান তাজদীদ মুবারক ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ২৪ ঘণ্টা তথা দায়িমীভাবে সারা জীবন সম্মানিত সাইয়্যিদুল

আহলে খবিশ সমগ্র


বর্তমানে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে বড় ফিতনা হোল এই লা-মাজহবি ফিরকা। এরা গায়রে মুকাল্লিদ, আহলে হাদিস, আহলে খবিশ, সালাফি, জোকারী, মাডানি ছাড়া ও আরও বিভিন্ন নামে পরিচিত। এদের একমাত্র টার্গেট হোল আধুনিক শিক্ষিত সমাজের লোকজন। কারন ধর্মীয় ব্যাপারে এদের ব্রেইন ওয়াশ

আহলে খবিশ – ৮


(পূর্বে প্রকাশিতের পর) আমার সুন্নি ভাইয়ের সাথে কথোপকথনের শেষ পর্ব। পরের দিন অনেক সাহস নিয়ে এবং জোরদার প্রশ্ন নিয়ে গেলাম। আমি নিশ্চিত এবার আমার বিজয় হবে। কি হোল জানতে পড়ুন– প্রশ্ন নং-১২ যদি কিছু আলেম কোন ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তারপরেও কি

আহলে খবিশ – ৭


(পূর্বে প্রকাশিতের পর) পরের দিন ‪#‎মাছ_টিভি‬ অর্থাৎ ‪#‎ফিশ_টিভি‬ থেকে কিছু টিপস নিয়ে এসে আবার ধরলাম সেই সুন্নি ভাই কে…… প্রশ্ন নং-৭ দলীল সহ জানার জন্য কেন আদেশ করা হল তাকলিদ যদি করাই সঠিক হতো? ‪#‎জবাব‬ দলীল সহ ই যদি সবার দ্বীন

সকল বান্দা-বান্দী ও উম্মত অর্থাৎ কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য ফরয হচ্ছে-


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যথাযথ খিদমত মুবারক করা অর্থাৎ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে খিদমত মুবারক উনার

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বিধর্মীদের কালচার বলা কাট্টা কুফরী


সুলত্বানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল” নামক কিতাবে বলেন, যেকোনো ঘরে অথবা মসজিদে অথবা মহল্লায় মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয় বা মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদ্যাপন করা হয়, সেখানে অবশ্যই মহান

ঈদ মুবারক!


আয় আল্লাহ পাক আমি যেন সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সাথে পালন করতে পারি|আমীন!

প্রানীর ছবি থেকে আমরা কখন মুক্তি পাবো?


  নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাপবিত্র হাদীছ শারীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে স্থানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম প্রবেশ করেন না।’ অর্থাৎ সে স্থানে রহমত উনার পরিবর্তে লা’নত বর্ষিত হয়।

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ বা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ


‘ঈদ’ অর্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা। আর ‘মীলাদ’ ও ‘নবী’ দুটি শব্দ একত্রে মিলিয়ে ‘মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’ বলা হয়। ‘মীলাদ’-এর তিনটি শব্দ রয়েছে- ميلادমীলাদ, مولد মাওলিদ ও مولود মাওলূদ। ميلاد‘মীলাদ’ অর্র্থ জন্মের সময়, مولد ‘মাওলিদ’

‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা সে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে এ মুবারক দিনটি ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে পালন করে আসছেন। পবিত্র কালামুল্লাহ

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার পরিচিতি


‘আখির’ অর্থ শেষ, আর চাহার শোম্বাহ অর্থ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। এক কথায় ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ অর্থ শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় পবিত্র ছফর মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়ায়া বা বুধবারকে ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ বলা হয়। সাইয়্যিদুল

মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর, পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত, নিসবত ও তায়াল্লুক হাছিলের মহান উপলক্ষ- ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’


পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ বুধবারকে ফার্সী ভাষায় ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ বলা হয়। দিনটি আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাহুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনেক বরকতপূর্ণ স্মৃতি ধারণ করে রেখেছে। ফলশ্রুতিতে সকল মু’মিন-মুসলমান সারা বছরব্যাপী পবিত্র ছফর শরীফ মাস

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা সুন্নত; বিদয়াত বলা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, والذين اتبعوهم باحسان رضى الله عنهم ورضوا عنه . অর্থ: “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে যারা উত্তমভাবে অনুসরণ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের প্রতিও সন্তুষ্ট হবেন এবং তারাও মহান আল্লাহ পাক