প্রসঙ্গ: পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের ২০ শতাংশ বোনাস! এ কি আকবরের দীন-ই-এলাহীর আধুনিক সংস্করণ? ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে।


সম্প্রতি খবরে এসেছে পহেলা বৈশাখে ‘বাংলা নববর্ষ ভাতা’ নামে একটি উৎসব ভাতা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি চাকরিজীবীদেরকে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হিসেবে এই বোনাস দেয়া হবে। (সূত্র: দৈনিক সকালের খবর, ১০.০৯.২০১৫) এখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে- সারা বছরে এত উৎসব

ভালোবাসা দিবসের নামে আসলে কি করছে, জানেন কী ?


দিন বদলের সাথে সাথে ছেলে মেয়েরা আধুনিক হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষ করে প্রেমিকের সাথে লঙ ড্রাইভ, রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া, ফুল কার্ড দিয়ে সেলিব্রেট করা এতটুকু আমার কাছে স্বাভাবিক। কিন্তু শুধু তাই কি? না। বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। চলুন জানি ভালোবাসা দিবস পালনের

ভালোবাসা দিবসের নামে আপনার সন্তানেরা আসলে কি করছে, জানেন কী ?


প্রিয় আধুনিক বাবা-মা, আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তবে তো অবশ্যই পরকালেও বিশ্বাস করেন। আপনার সন্তান মদ খাচ্ছে, পাপাচার, যৌনাচার করছে কেয়ামতের দিন আল্লাহকে কি জবাব দিবেন সে প্রশ্ন রেখে গেলাম !! একটু পেছনে ফিরে যাই। এই ভ্যালেন্টান্স ডে এর আড়ালে

ভালোবাসা দিবসে ওয়ান টাইম গ্লাসের মতো ব্যবহার হয় অনেকেই


  মানুষ যখন বিশ্ব ভালোবাসা দিবস সম্পর্কে জানতো না তখন পৃথিবীতে ভালোবাসার অভাব ছিল না। আজ পৃথিবীতে ভালোবাসার বড় অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালোবাসার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়! আর হবেই না কেন? নোংরামিতে ভালোবাসা কতটুকু থাকে তা বোঝার জন্য

ভালোবাসা দিবস ও শফিক শয়তান


বাংলাদেশে ভ্যালেন্টাইন ডে প্রবর্তনের পিছনে রয়েছে পাশ্চাত্য গোলাম, খাছ এজেন্ট, একান্ত ফরমাবরদার ও বিশেষ তল্পীবাহক এবং সুবিধাভোগী মুসলমান নামধারী মুনাফিক শফিক রেহমান ও ইহুদী-খ্রিস্টান বা কাফিরদের স্বার্থ। এটা এদেশের মুসলমানদের মুসলমানিত্ব নির্মূলের গভীর ষড়যন্ত্র। মুসলমানদের জন্য এ গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন

মুসলমানের ভালোবাসা কি ?


ভালোবাসা শুধু পবিত্র নয় পূণ্যময়ও বটে। নির্দোষ ও পরিশীলিত ভালোবাসা আমাদের ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির পথ মসৃণ করে। সৃষ্টিজীবের প্রতি বিশেষ এবং পিতামাতা ও আল্লাহ-রাসূলের প্রতি সবিশেষ ভালোবাসা ছাড়া ঈমান পূর্ণতা লাভ করে না। আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত,

বিশ্ব ভালবাসা দিবস পালনের ক্ষতিকর কিছু দিক


১. ভালবাসা নামের এ শব্দটির সাথে এক চরিত্রহীন লম্পটের স্মৃতি জড়িয়ে যারা ভালবাসার জয়গান গেয়ে চলেছে, পৃথিবীবাসীকে তারা সোনার পেয়ালায় করে নীল বিষ পান করিয়ে বেড়াচ্ছে। ২. তরুণ-তরুণীদের সস্তা যৌন আবেগকে সুড়সুড়ি দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও ফাসাদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ

ভ্যালেনটাইন-ডে-র ইতিহাস


  আমাল : ক্যাথলিক বিশ্ব কোষে ভ্যালেনটাইন সম্পর্কে তিনটি ব্যাখ্যা মিলে। বিভিন্ন বইয়ে লেখা প্রসিদ্ধ ঘটনাটির স্বরূপ এই- ভ্যালেনটাইন, রোমের সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস এর আমলের লোক। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রাষ্ট্রীয় বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্রাট তার মৃত্যুর আদেশ প্রদান করে। কীসের

যারা ভালোবাসা দিবস পালন করবে তাদের হাশর-নশর কাদের সাথে হবে ?


একজন যুবক নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট আসলো এবং বলল, “ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম)! আমি আপনাকে আমার নিজের প্রানের, পরিবারের এবং সন্তানদের থেকেও বেশী ভালবাসি। যখন আমি ঘরে থাকি আর মাঝে মাঝে যখন আপনার কথা মনে

পাহাড়িদের আর কতভাবে চিনতে হবে?


আপনি কোনো সুন্দরি মেয়েকে পছন্দ করেছেন। তাকে বিয়ে করতে চান? কোনো সমস্যা নেই। শুধু বাড়িতে এটকা শুকর তৈরি রাখুন। কায়দামতো মেয়েটাকে আড়ালে নিয়ে গিয়ে হাবিজাবি করুন। হাবিজিাবি বলছি কারণ ‘‘আমাদের সমাজে ধর্ষণ শব্দটাই নাই। ব্যস, আপনার শুকরটাকে জরিমানা ধরে আপনাকে ফুলের

অত্যন্ত মুত্তাকী এক হুজুরের কাহিনী!


কুড়িগ্রামে থাকাকালীন আমার এক টিচার আমাকে একটা প্রাইভেট মাদ্রাসায় পার্ট টািইম চাকুরি নিয়ে দেন। মাদ্রাসাটি কওমি ছিলো। মুহতামিম ছিলো হাটহাজারি থেকে পড়ুয়া। কওমি মাদ্রাসার কথা শুনে একটু কেমন কেমন করছিলাম। স্যার বুঝতে পেরে আমাকে নির্ভয় দিলেন; বললেন যে- একটা ক্লাশ নিলেই

উপজাতি শান্তি বাহীনি-ই অশান্তির মুল


— শিক্ষিত এই পাহাড়ি দলটির সাথে মেলামেশা করে যতটুকু বুঝেছে শুভ্র ( উপন্যাসের নায়ক যার বন্ধুর নাম জ্যোতির্ময় ত্রিপুরা যে নাকি শিক্ষিত ) , তাতে বোঝা যায় তাআর সেনাবাহীনিকে পছন্দ করেনা। তবে সাধারন পাহাড়িদের মধ্যে সেনাবাহীনির প্রতি তেমন কোনো ক্ষোভ বা

মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তালাকদাতা ও তালাকপ্রার্থিনী উভয়ের প্রতি অসন্তুষ্ট


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يايها النبى اذا طلقتم النساء فطلقوهن لعدتهن واحصوا العدة واتقوا الله ربكم. অর্থ: হে নবী (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতকে বলুন) যখন তোমরা আহলিয়াদেরকে (স্ত্রীদেরকে) তালাক দিবে তখন তাদেরকে ইদ্দতের মধ্যে তালাক দিবে।