নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী, কটাক্ষকারী, অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড প্রদান


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ 

রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থে পরিচালিত কার্যক্রমের কিছু নমুনা


সাম্রাজ্যবাদীরা গণতন্ত্রের মত এক অর্থহীন- অচল- অকার্যকর পদ্ধতি বিশ্বে চাপিয়ে দিয়ে এবং তার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে সহায়ক শাসক শ্রেণী বসিয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। এইসব শাসক শ্রেণী কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সুবিধাটুকুই দেখে প্রকারান্তরে বঞ্চিত থাকে আপামর জনগোষ্ঠী। 

করোনা ভাইরাসকে যারা ছোঁয়াচে বলবে শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে তারা কুফরী শিরকী করবে এবং এদের জন্যই আযাব-গযব


পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “কোন হারামকে হালাল বলা কুফরী।” আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলে কোন রোগ নেই।” বর্তমানে সারা পৃথিবীতে করোনা ভাইরাস নিয়ে সবাই আতঙ্কিত। মূলত: এটা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ 

পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ (শবে বরাত) উনার মধ্যে হালুয়া-রুটি তৈরির সঠিক ইতিহাস


পবিত্র শবে বরাত শরীফ উপলক্ষে বিশেষ করে আমাদের দেশ ও তার আশপাশের দেশসমূহে যে রুটি-হালুয়ার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে তার পিছনে ইতিহাস রয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ববর্তী যামানায় বর্তমানের মতো বাজার, বন্দর, হোটেল-রেস্তোরাঁ ইত্যাদি সর্বত্র ছিল না। তখন মানুষ সাধারণত সরাইখানা, 

‘সারা বছর নামায নেই, রোযা নেই, ইবাদত-বন্দেগী নেই; শুধু পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উপলক্ষে নামায-কালাম পড়ে ও রোযা রেখে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে এক বিন্দু বা জাররা পরিমাণ নেকী করবে, সে তার বদলা পাবে।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষায় ‘লাইলাতুম মুবারকাহ’ আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষায় ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান’ মশহূর পবিত্র শবে বরাত 

কথিত ছোঁয়াচে রোগ ও ঈমানী পরীক্ষা


অসংখ্য বিশুদ্ধ ও মশহুর হাদীছ শরীফ উনার মাঝে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- لَا عَدْوٰى ‘ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই।’ কিন্তু এই আখেরী যামানায় এসে আজ দেখতে হচ্ছে- বিশ্বের কথিত ডাক্তার-বিজ্ঞানীরা আজ করোনা 

মসজিদে জামায়াত নিষিদ্ধ করার অধিকার কারও নেই


পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর। পবিত্র মসজিদ মুসলমানদের নিরাপত্তার স্থান, রহমত-বরকত লাভের স্থান। রোগ-শোক, আযাব-গযব থেকে রক্ষা পেতে দোয়া কামনার স্থান। পবিত্র ছলাত তথা নামায আদায় করার স্থান। একজন ঈমানদার, একজন মুসলমান মসজিদে যাবে, জামায়াতে নামায পড়বে, দোয়া-মুনাজাত করবে; 

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিপরীত বক্তব্য প্রদানকারী ও বিশ্বাসকারী কেউই ঈমানদার নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোন রোগই ছোঁয়াছে বা সংক্রমণ নয়। উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা বুখারী শরীফ কিতাব, মুসলিম শরীফ কিতাব 

ইসলামিক ফাউণ্ডেশন অনুবাদকৃত বুখারী শরীফ কিতাবের মধ্যেই ‘সংক্রমণ বা ছোঁয়াচে কোন রোগ নেই’ বলে উল্লেখ রয়েছে


বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউ-েশন সম্পাদনা পরিষদের তত্ত্বাবধানে অনুদিত এবং তৎকর্তৃক সম্পাদিত প্রকাশকাল: র্মাচ ১৯৮৪ বুখারী শরীফ নবম খণ্ড বাবুল জুযাম বা কুষ্ঠরোগ অনুচ্ছেদের ২২৮৯ নং হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে- وَقَالَ عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَلِيْمُ بْنُ حَيَّانَ حَدَّثَنَا سَعِيْدُ بْنُ مِيْنَاءَ قَالَ 

যাকাত কে আদায় করবেন?


যিনি মালিকে নিছাব তিনি যাকাত আদায় করবেন। সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ বা মৌলিক চাহিদা মিটানোর পর অতিরিক্ত ২০ মিছকাল অর্থাৎ সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ অথবা ২০০ দিরহাম অর্থাৎ সাড়ে ৫২ তোলা রৌপ্য অথবা এ সমপরিমাণ অর্থ-সম্পদ যদি কারো অধীনে 

পবিত্র শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মসজিদে জামায়াত নিষিদ্ধকারী বা নিরুৎসাহিতকারীরা সবচেয়ে বড় জালিম


সম্প্রতি করোনা ভাইরাস গযবের কারণে কাফির বিশ্ব একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছে এবং জাহান্নামী হয়ে যাচ্ছে। কাফিরদের এহেন কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের এজেন্ট ও অনুসারী মুসলমান নামধারী কিছু দেশ ও গোষ্ঠী মসজিদে আযান পরিবর্তন সহ জামায়াত নিষিদ্ধ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! মুসলমানদের 

পবিত্র শা’বান শরীফ মাসে তিনটি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক। যারা তিনটি রোযা রাখবে তাঁদের সমস্ত গুণাহখতা ক্ষমা করে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১৫ তারিখ রাত্রি অর্থাৎ বরাত শরীফ উনার রাত্রি উপস্থিত হবে তখন তোমরা উক্ত রাত্রিতে (সজাগ থেকে) ইবাদত করো ও দিনে রোযা রাখো। 

বরকতময় পবিত্র শাবান মাসকে আরো রহমত মুবারক দিয়ে শুভোষিত করতে তাশরীফ নিলেন সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম ঈদ


মুবারক হো মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ২রা শা’বান শরীফ: মুজাদ্দিদে আ’যমী হুজরা শরীফে জান্নাতী ইমাম হয়ে তাশরীফ মুবারক নিলেন সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! হিজরী চান্দ্রবর্ষের অষ্টম মাস হলো ‘শাবান শরীফ’। এই মাসটি বিশেষ মর্যাদা ও ফযীলতপূর্ণ। সুতরাং এ 

মহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ শরীফ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত