বেমেছাল রহমত, বরকত, ছাকিনাপূর্ণ মাস পবিত্র জুমাদাল উখরা মাস।। সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি এ পবিত্র মাস উনার ২০ তারিখ পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বীয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত ছিদ্দীক্ব আকবর আলাইহিস সালাম তিনি এ পবিত্র মাস উনার ২২ তারিখ পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন।


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শান-মান মর্যাদা-মর্তবা ফযীলত ও সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী বা জীবনী মুবারক নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি

রাজারবাগ দরবার শরীফে পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিযাম। সুবহানাল্লাহ!


মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ, অভূতপূর্ব, বেমেছাল, সুমহান তাজদীদ মুবারক ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ২৪ ঘণ্টা তথা দায়িমীভাবে সারা জীবন সম্মানিত সাইয়্যিদুল

মানুষ কতোটা নিবোর্ধ হলে বর্ষবরণ করতে যায়, কুসংস্কারে বিশ্বাস করে


এখনকার মানুষ নিজেকে যতোই শিক্ষিত আর প্রগতিশীল মনে করুক না কেন আসলে এরা যে, গ- মূর্খ, নির্বোধ সেটা তাদের কৃতকর্মের দ্বারাই প্রকাশ পায়। এবার যারা পহেলা বৈশাখ পালন করলো তাদের ভেতর শিক্ষা-দীক্ষার ন্যূনতম নির্যাসও নেই। হিন্দুদের মধ্যে অনেকে আছে যারা নিজেদের

পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার ঘটনাকে কাফিরের মুখে শুনে বিশ্বাস করার কারণে ‘ছিদ্দীক্ব’ (চরম সত্যবাদী) উপাধি পেয়েছেন খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিক পবিত্র নুবুওওয়াত প্রকাশের এগারতম বৎসরে ২৭শে পবিত্র রজবুল হারাম সোমবার শরীফ রাত্রিতে পবিত্র মি’রাজ শরীফ হওয়ার পর তিনি সকালবেলা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার ঘটনা বর্ণনা করছিলেন। যারা মুসলমান উনারা বিশ্বাস

যাকাত, ফিতরা, কুরবানীর চামড়া, মান্নত ও দান কোথায় ও কাদেরকে দিবেন


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য ও সহযোগিতা করো গুনাহ ও সীমালঙ্ঘনের মধ্যে সাহায্য করো না।” দান-ছদকা ইত্যাদি করা ক্ষেত্র বিশেষে ফরয, ওয়াজিব, সুন্নত ইত্যাদির অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু এটা যদি

আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সাওয়ানেহে উমরী মুবারক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আখাছছুল খাছ মনোনীত ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি অন্যতম। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি সারা কায়িনাতবাসীর জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। নূরে মুজসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বিলায়েত মুবারক হচ্ছে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার স্থলবর্তী সম্মানিত নিয়ামত


‘আউলিয়া’ শব্দটি ‘ওলী’ শব্দের বহুবচন। আরবী উচ্চারণ اَوْلِيَاءُ (আউলিয়াউ) শব্দটি হচ্ছে বহুবচন আর একবচন হচ্ছে وَلِـىٌّ (ওয়ালিয়্যুন) শব্দটি। অর্থ: বন্ধু, অভিভাবক, সাহায্যকারী, মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত বা প্রিয় বান্দা। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে وَلِـىٌّ এবং

আমাদের একমাত্র দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম করা


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হাশর শরীফ উনার পবিত্র ৭নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وما اتكم الرسول فخذوه ومانهاكم عنه فانتهوا অর্থ: “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্য

বাঙালির বৈশাখ বরণের উন্মাদনা দেখে হতবাক বিদেশী বিধর্মীরাও॥ শয়তানেও হার মেনেছে বাঙালির কাছে


কথায় বলে, ‘ওর কাছে শয়তানেও হার মানে’। মুসলমানদের জন্য হারাম পহেলা বৈশাখে বাঙালির কা- দেখে বিদেশী কাফিরদেরও চোখ কপালে উঠেছে। বাঙালির পহেলা বৈশাখ নিয়ে মাতামাতি দেখে কানাডার নাগরিক ফ্রাঙ্ক আশ্চর্য হয়ে তার অভিমত ব্যক্ত করে বলেছে, ‘রমনা পার্কে গিয়েছি। গুলশান, বারিধারা,

পহেলা বৈশাখ পালনের নামে নারীর শ্লীলতাহানীর মহোৎসব


পহেলা বৈশাখ পালনের নামে গত ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দিনভর নারীর শ্লীলতাহানীর মহোৎসব চলেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলা ইনস্টিটিউট, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, জাতীয় সংসদ ভবন, চন্দ্রিমা উদ্যান, শিশুপার্ক, হাতিরঝিল, ধানম-ির রবীন্দ্র সরোবরসহ বিভিন্ন

সম্মানিত ২০শে জুমাদাল উখরাজ‘ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সকলের জন্য ফরয ওয়াজিব।


খলিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্য ইরশাদ মুবারক করেন-وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لا يات لكل صبار شكور -অর্থাৎ আর তাদের কে মহান আল্লাহ পাক উনার দিবসসমুহকে স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিবসসমুহের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্য্যশীল-শোকর

জীবনের সমস্ত পাপরাশি ক্ষমা পাবার মাধ্যম হল- সম্মানিত দ্বীন ইসলামে পরিপূর্ণ দাখিল হওয়া!


আরব অন্ধকার যুগে তথা আইয়ামে জাহিলিয়াহ বিরাজমান অবস্থায় মেয়ে সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া নিয়ম ছিল। সে জীবন্ত মেয়ে সন্তানের কবর দেওয়া দলের প্রধান ছিলেন হযরত দাহিয়াতুল কালবি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তায়ালা আনহু। ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় গ্রহন করে আইয়ামে জাহেলিয়ার হাত

দেশের সব মুসলমান কি বোবা শয়তান হয়ে গেছে?


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আকাশ পৃথিবী ও এতদ্বয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।” (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬) আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম,