راعي البقر الكذب أمام المجتمع الهندوسي


 

মিথ্যাবাদী রাখাল বনাম আমাদের দেশের হিন্দু সম্প্রদায়

মিথ্যাবাদী রাখাল অনবরত বাঘ বাঘ বলে চিৎকার করে অন্যদের ডেকে আনতো। লোকেরা এসে দেখত সেখানে কোন বাঘ নেই, তারা বিরক্ত হয়ে ফিরে যেত। অর্থাৎ তাদেরকে তকলিফ দিয়ে রাখালটা মজা নিত। একদিন ঠিকই বাঘ আসল, কিন্তু তার চিৎকারে কেউ তাকে সাহায্য করতে আসল না। কারণ তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গিয়েছিল।
বিপরীতে হিন্দুদের অন্যায় অবিচারের প্রতি বাঙালি মুসলমানদের ধৈর্যশক্তি অসীম! তারা এদেশের সাম্প্রদায়িকতা পরিস্থিতি নিয়ে তাদের মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত যথেচ্ছ মিথ্যাচার করছে, ফলশ্রুতিতে এদেশের ভাবমর্যাদা বহির্বিশ্বে ক্ষুণœ হচ্ছে। কিন্তু এই অকৃতজ্ঞ সম্প্রদায় তাদের এই দেশবিরোধী কর্মকা-ের প্রতিদান হিসেবে পাচ্ছে এদেশের প্রশাসনের উচ্চপদ থেকে শুরু করে পূজায় পুলিশ প্রহরা পর্যন্ত। মুসলমানদেরটা খেয়ে পরে তাদের গায়েগতরে তেল বাড়ায়ে তাদের দেশবিরোধী অপপ্রচার বাড়ছে বৈ কমছে না।
এদেরকে যদি ক্ষমতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হতো, প্রান্তিক অবস্থানে এদেরকে যদি ঠেলে দেয়া হতো তাহলে দেখা যেত এরা একদম সোজা হয়ে গিয়েছে। তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতায়ন না হলে তারা মিডিয়া ও সুশীল সমাজকে হাত করার শক্তি রাখত না, তখন তাদের বাড়াবাড়ি চিরতরে বন্ধ হতো। তাতে করে দেশের বদনাম ও দশের বদনাম ঠেকানো যেত। মিথ্যাবাদী রাখালের মিথ্যাচারিতায় যখন কান দেয়া হয়নি, তাকে যখন অগ্রাহ্য করা হয়েছিল তখনই সে তার মিথ্যাচারিতার উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছিল। বাঙালি হিন্দুরাও তাদের উপযুক্ত শাস্তি পাবে যদি মুসলমানরা চাকরি-বাকরি ও প্রশাসনে হিন্দুদেরকে অগ্রাহ্য করে, তাদেরকে বিশ্বাস না করে। আর বিপরীতে তাদেরকে যদি বিশ্বাস করা হয়, তাহলে অপাত্রে বিশ্বাস স্থাপনের শাস্তি মুসলমানদেরকেই পেতে হবে। হিন্দুদের খুন হত্যা সম্ভ্রম লুণ্ঠনের বানানো গল্পের দায় গোটা জাতিকেই নিতে হবে। মুসলমানদের নামে কালিমা লেপন করে মিথ্যাবাদী রাখালটার মতো মজা নেবে এদেশের ধূর্ত হিন্দুগোষ্ঠী। নাউযুবিল্লাহ!


 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+