অজ্ঞতাই বিপথগামিতার মূল কারণ।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি প্রেরিত হয়েছি মূর্তিপূজা ও বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য।”
পহেলা বৈশাখ উৎসবের মূল উপকরণই হচ্ছে বিভিন্ন প্রাণীর প্রতীকী মূর্তি, বাঁশি, ঢোল, ডুগডুগি ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র। তাহলে এই বিজাতীয় অপসংস্কৃতি কিভাবে ইসলাম সমর্থিত হয়? বরং এটি বিভিন্ন দিক থেকে হারাম, কুফরী ও শিরকের অন্তর্ভূক্ত হওয়া যারাই এই উৎসবে যাবে তারা কাফির-মুশরিক হিসেবে সাব্যস্ত হবে। নাউযুবিল্লাহ! ইমাম হাফস কবীর রহমতুল্লাহি বলেন, “নওরোজ বা বছরের প্রথম দিন উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে তা বরবাদ হয়ে যাবে।”

পহেলা বৈশাখকে হাজার বছরের ঐতিহ্য, বাঙালি সংস্কৃতি, বাঙালির প্রাণের উৎব ইত্যাদি নানান রঙে রঞ্জিত করে কুচক্রী মিডিয়াগুলোতে ব্যাপক প্রচার প্রসার হয়। অথচ এই বাংলা সনের ইতিহাস-উৎপত্তি সম্পর্কে বেখবর  ঐতিহ্য উৎসব পালনকারী ৯৯ ভাগ মানুষ। তাদের অজ্ঞতাই বিপথগামিতার মূল কারণ। তাদেরকে যদি প্রশ্ন করা হয় কিভাবে এলো এই নববর্ষ, কিভাবে এটি বাঙালির প্রাণের উৎসব হলো, কিভাবে এটি হাজার বছরের ঐতিহ্য হলো? তার একটিরও জবাব দিতে পারবে না। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে পৌত্তলিকদের কর্পোরেট প্রচারণায় কান না দিয়ে সত্য ইতিহাস জানুন। নিজের ভেতর মুসলমানিত্ব বহাল রাখুন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে