অতিরিক্ত জনসংখ্যা কোনো সমস্যা নয়, বরং মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত


বর্তমান বাংলাদেশে ২৫ কোটিরও বেশি লোকের বসবাস। অন্যান্য দেশের তুলনায় এদেশের জন্মহার বেশি তাই জনসংখ্যাও বেশি। যা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে এদেশের জন্য অশেষ রহমতস্বরূপ। কিন্তু ইহুদী-খ্রিস্টানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এই জনসমাজে এই নিয়ামতকে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হিসেবে এদেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

এটি হলো মুসলমানদের জনসংখ্যা হ্রাস করতে কাফির-মুশরিকদের দ্বারা গৃহীত এক গভীর ষড়যন্ত্র। একটু সূক্ষ্মভাবে চিন্তা করলে বিষয়টি উপলব্ধি করা সহজ, পৃথিবীর বুকে যেসব দেশ কাফির-মুশরিকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তন্মধ্যে বেশিরভাগ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। কিছু কিছু দেশে এ বৃদ্ধির হার মাইনাসে উপনীত হয়েছে। তাই ওইসব ইহুদী-খ্রিস্টানদের দেশে তারা তাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সেদেশের নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করছে এবং ক্ষেত্র বিশেষে পুরস্কারও ঘোষণা করছে। অথচ মুসলমান দেশগুলোকে তার জনসংখ্যা কমানোর জন্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে, যা ইহুদী প্রটোকলের একটি অংশ।

আমাদের দেশের বিষয়টি যদি আমরা চিন্তা করি তাহলে দেখা যাবে যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে এদেশের কোনোরূপ সমস্যা তো হচ্ছেই না, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি করছে। এদেশে যে পরিমাণ খাদ্য উৎপন্ন হয় তা এদেশের মানুষদের জন্য যথেষ্ট, বরং চাহিদার কয়েকগুণ বেশি খাদ্য উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু এ অতিরিক্ত খাদ্যের বেশিরভাগই অবৈধভাবে পাচার হয়ে যাচ্ছে পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে। পৃথিবীজুড়ে যখন অর্থনৈতিক মন্দার জোয়ারে সমগ্র ইউরোপ আমেরিকার অর্থনীতিতে ধস নেমেছে তখন বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ সারাবিশ্বকে চমক লাগিয়ে দিচ্ছে। এসব মূলত এদেশের জনসংখ্যারই অবদান। কারণ বাড়তি জনবল দ্বারা বাড়তি উৎপাদন হচ্ছে, বৈদেশিক রেমিটেন্সের পরিমাণ বাড়ছে, বাড়ছে শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানার পরিমাণও।

সর্বোপরি বলতে হয়, বেপরোয়া দুর্নীতি, অস্থিতিশীল রাজনীতি, অতিরিক্ত আমদানী ব্যয় ইত্যাদি শত প্রতিকূলতার পরও এদেশের ঈর্ষনীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের পিছনে জনসংখ্যার অবদানই বেশি। তাই এদেশের জনসংখ্যা এদেশের জন্য কোনোরূপ সমস্যা নয়, বরং মহান আল্লাহ পাক উনার এক মহান ও অমূল্য নিয়ামত।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে