অতিসত্বর সুন্নতী বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন উঠিয়ে নেয়া হোক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে নিহিত রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২১)

এতদ্বসত্ত্বেও ব্রিটিশ কুচক্রীদের দ্বারা প্রণীত আইনের যে ভাইরাস আমাদের দেশে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, সেই ভাইরাসে আক্রান্ত দুর্বল ঈমানের মুসলমানরা আজ সম্মানিত সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। এমনকি এদেশের শাসক গোষ্ঠীরা তাদের ষড়যন্ত্রে পা ফেলে নানাভাবে এই সম্মানিত সুন্নতী বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! সারা দেশে সমাজে গ্রামে গঞ্জে মানুষদেরকে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে লেলিয়ে তুলছে যেমন এই যে কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখলাম জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের বাসনী গ্রামে এক মেয়ের বাল্যবিবাহ দেয়াতে মেয়ের বাবাসহ ৬ জনকে পুলিশ আটক করে। নাউযুবিল্লাহ!

এখন আমরা সরকারের কাছে জানতে চাই! সরকার মূলত এই আইন কার বিরুদ্ধে করেছে? সরকার কি জানে না- এই সম্মানিত সুন্নতী বাল্যবিবাহ কার মুবারক হুকুমে কাদের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিলেন? যদি সরকার ভুলে যেয়ে থাকে, তাহলে সরকারকে আবারো স্মরণ করিয়া দিতে চাই- এই সম্মানিত সুন্নতী বাল্যবিবাহ যিনি কুলকায়িনাতের মালিক, যিনি সারা আলমের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক, যিনি সৃষ্টির মূল, যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ৬ বছর বয়স মুবারকে নিসবাতুল মুবারক সম্পন্ন হয়েছিলেন। কাজেই এই দেশের সরকারের বোধগম্যে আসা উচিত যে, সম্মানিত সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন করা চরম অন্যায় অর্থাৎ কুফরী।

সুতরাং আমরা সরকারকে জানাতে চাই- বাল্যবিবাহ বিরোধী সমস্ত আইন উঠিয়ে নেয়া হোক! এবং যদি কোনো পিতা-মাতা তাদের সন্তানদেরকে বাল্যবিবাহ দিয়ে থাকেন, তাহলে উনাদের মুবারক সম্মানার্থে ঐ পিতা-মাতাকে পুরস্কৃত করা হোক। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের সরকারের কাছে এটা আমাদের জোর দাবি এবং আশা।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে