অনিচ্ছাসত্ত্বে নয় বরং ইচ্ছাকৃতভাবেই পরিকল্পনা মাফিক হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারকে কটূক্তি করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!


যারা মনে করছে, এমনি এমনিই সিনেমাতে নবীজি উনার পরিবার উনাদের নামে নায়িকার নামকরণ করে অভিনয় করা হয়েছে তারা একদম ভুলের রাজ্যে বসবাস করছে। কেননা ইসলামবিদ্বেষীরা অনিচ্ছাকৃত কোন কাজ করেনা ইচ্ছাকৃত ভাবেই মুসলমানদের বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিত্ব উনাদের নাম কোন নায়িকার নামকরণ করে সে নায়িকাকে ইচ্ছাকৃতই খারাপভাবে উপস্থাপন করে। ইতিপূর্বে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এক নায়িকা মুসলমানদের মাতা উম্মুল মুমিনীন হযরত ছিদ্দিকা আলাইহাস সালাম উনার নামে অত্যন্ত বাজেভাবে অভিনয় করে উনার মহা শান ও মহা মান মুবারক উনার বিরেধীতা করেছে। আপনি যদি মনে করেন এগুলি এবসেন্স মাইন্ডে হয়েছে সেটাও সঠিক না, তাহলে আসুন কিছুদিন আগে ভারতের এক মুসলিম অভিনেতা তার ছেলের নাম রেখেছিলো তৈমুর। তৈমুর ছিলো মুসলিম যোদ্ধা। তাতেই চটেছিল হিন্দুরা। শেষ পর্যন্ত তার ছেলের নাম পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়।
এখন একটু চিন্তা করুন, মুসলমান তার ছেলের জন্য ইসলামিক নাম রাখবে এটাই স্বাভাবিক, তাতেই যদি হিন্দুরা আপত্তি করে মুসলিম নাম পরিবর্তন করতে বাধ্য করে তাহলে একজন খারাপ চরিত্রে মুসলমান উনাদের বিশেষ ব্যক্তির নাম কি এমনি এমনি আসে?
এমনতো নয় নায়িকার চরিত্রের নামের অভাব আছে। ইচ্ছে করলে কালি, দুর্গা, দেবী বা বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানদের নারীর নাম দিতে পারতো।
কিন্তু তাদের কারো নাম না দিয়ে সরাসরি মুসলিমদের বিশেষ চরিত্র এবং মুসলিমদের মা উনাদের নামগুলি বেছে বেছে প্রকাশ করে সিনেমার মতো জঘন্য কাজে যুক্ত করা হয়েছে।
এগুলি বিষয় এমনি এমনি আসেনা? পরিপূর্ণ ইসলাম বিদ্বেষ থেকেই আসে।
অতএব, এদের প্রত্যেকেই শরঈ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে