অন্য কারো রুজির জন্য নিজের ঘুম হারাম করাটা অনর্থক।


মানুষ অনেক সময় নিজের জ্ঞান ও যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে আবেগ দ্বারা চালিত হয়। যেমন নিজে না খেয়ে কষ্ট করে সঞ্চয় করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এটা নেহায়েৎ বোকামি। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক বান্দা-প্রাণীর রুজির ব্যবস্থা করেই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। সুতরাং অন্য কারো রুজির জন্য নিজের ঘুম হারাম করাটা অনর্থক। বরং সঞ্চিত অর্থ মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় ব্যয় করলে তাহা বহুগুণে ইহকাল ও পরকালে পাওয়ার প্রতিশ্রুতি মহান রাব্বুল আলামীন তিনি ঘোষণা করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

আমি পৃথিবী থেকে বিদায় নিলে আমার সন্তানদের কি হবে- অনেকে এমন চিন্তা করে বিচলিত হয়ে পড়েন। কোনো এক জ্ঞানী ব্যক্তি বলেন- আপনার সন্তান কিন্তু আপনার নয়। তারা আপনার মাধ্যমে এসেছে, আপনার থেকে আসে নাই। তাদের সকল ব্যবস্থার জন্য স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব তিনিই যথেষ্ট।

আপনাকে আপনার সন্তানের শুধু লালন-পালনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, যখন সে শিশু এবং নিজে চলতে অক্ষম। সুতরাং সন্তানের চিন্তায় অধিক সময় ব্যয় না করে একটু নিজের ভবিষ্যতের চিন্তা করুন। সন্তানের ভবিষ্যতের সাথে সাথে নিজের পারলৌকিক জীবন নিয়ে ভাবুন! এর বাইরে আপনার দুশ্চিন্তা শুধু বাড়াতে পারবেন- ব্যাস এতটুকুই। বুদ্ধির ব্যবহারই বুদ্ধিমানদের সঠিক কাজ।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে