সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

অমঙ্গল শোভাযাত্রা: কাট্টা শেরেকী অনুষ্ঠান যা কুসংস্কারে পরিপূর্ণ। হিন্দু দেব-দেবী বাহনের প্রকাশ্য পূজা


অমঙ্গল শোভাযাত্রা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ধর্ম ও সংস্কৃতির অংশ। মূলত, দেব-দেবীকে উদ্দেশ্য করে এসব আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কল্যাণ কামনা করে থাকে। হিন্দুদের প্রতিটি দেবতার এক একটি বাহন রয়েছে। সংখ্যালঘু হিন্দু একটি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস মোতাবেক-
পেঁচা (অ)মঙ্গলের প্রতীক ও লক্ষ্মীর বাহন,
ইঁদুর গণেশের বাহন,
হনুমান রামের বাহন,
হাঁস স্বরসতীর বাহন,
গাভী রামের সহযাত্রী,
শীষ নাগ, ঈগল বিষ্ণুর বাহন,
রাজহাঁস ব্রহ্মার বাহন,
সিংহ, বাঘ দুর্গার বাহন,
হাতি ইন্দ্রের বাহন,
ময়ূর কার্তিকের বাহন,
কাক/শকুন দেবী শানীর বাহন,
বিড়াল দেব শাস্তির বাহন,
গাধা সিতালার বাহন,
মহিষ মৃত্যুর দেবীর বাহন,
বাঘ শিবের ছেলে আয়াপ্পার বাহন,
সূর্য দেবতার প্রতীক ও ময়ূর কার্তিকের বাহন।
ষাঁড়, হাতি, সিংহ, ঘোড়া, বাঘ, গরু, ছাগল, বাঁদর, শুয়োর, গাধা, খরগোস, কাক, ঈগল, ব্যাঙ, কাঁকড়া, কচ্ছপ, মাছ ইত্যাদি শিব-এর বাহন।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, অমঙ্গল শোভাযাত্রায় যেসব প্রাণীর মুখোশ পরানো হয় এবং মূর্তি বানানো হয়, তা মূলত হিন্দুদের বিভিন্ন দেব-দেবীদের বাহন। এমন কোনো পশু নাই, যা হিন্দুদের দেব-দেবীর বাহন নয়। অমঙ্গল শোভাযাত্রার দোহাই দিয়ে সূক্ষ্মভাবে এসব দেব দেবীর কাছেই অমঙ্গল চাওয়া হচ্ছে, যা একজন মুসলমানের জন্য জঘন্য শিরক। যে নিজেকে প্রকৃত মুসলমান মনে করে, সে কখনোই হিন্দু দেব-দেবীদের পূজায় ভরপুর অমঙ্গল শোভাযাত্রায় যেতে পারে না।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে