অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন


অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন
নবীজির বিদায় গ্রহণের দিন ছিলো:
হিজরী সন: ১১ হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়াল
ঈসায়ী সন: ৬৩২ সাল, ৮ই জুন
বার: সোমবার
**(১ নং দ্রষ্টব্য দেখুন)
Back Calculation করে দেখা যায়, ৫৭০ ঈসায়ী সনে রবীউল আউায়াল মাস শুরু হয়েছিলো:
হয়,
২৩ শে এপ্রিল ৫৩ হিজরী পূর্ব সনে। (যদি সফর মাস ২৯শে দিনে হয়)
অথবা,
২৪ শে এপ্রিল ৫৩ হিজরী পূর্ব সনে। (যদি সফর মাস ৩০ শে দিনে হয়)
কিন্তু, এটা নিশ্চিত ৫৩ হিজরী পূর্ব সনে সফর মাস ৩০ দিনের হয়েছিলো। **(সূত্র: ২ নং দ্রষ্টব্য দেখুন)
সে অনুযায়ী আপনি নিজেই গণনা করলে পাবেন:
৫৭০ সালের ৫ই মে সোমবারই হচ্ছে ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ।
তাহলে আমরা দেখতে পেলাম-
বিলাদত দিবস : ৫ই মে, ৫৭০ ঈসায়ী সন ৫৩ পূর্ব হিজরী সোমবার
বিদায় দিবস : ৮ই জুন, ৬৩২ ঈসায়ী সন, ১১ হিজরী সোমবার
দুই ইংরেজী সনের সময়ের পার্থক্য-
৬২ বছর ১ মাস ৩ দিন
সুতরাং চন্দ্র বৎসর অনুযায়ী-
৬২x৩৬৫+৩১+৩= (২২৬৬৪ ভাগ ৩৫৫ দিন)= ৬৩+ বৎসর
১ নং দ্রষ্টব্য: আখেরী চাহার শোম্বা বলা হয় সফর মাসের শেষ বুধবারকে, কিন্তু কোন তারিখ নিদ্দিষ্ট করা হয় না। এর কারণ সফর মাসের শেষ বুধবার ছিলো হিজরী মাসের ৩০ তারিখ, যা সব সময় আসে না। তাই পরবর্তীতে এ দিনটি যেন প্রতি বছর পালন করা যায় সেই সুবিধার্থে সফর মাসের শেষ বুধবার ধরে দিনটি পালন করা হয়। এখন ৩০ তারিখ যদি বুধবার ধরা হয়, তবে আপনি নিজেই হাতে গুনে দেখুনে ১২ তারিখ সোমবার হয়।
২ নং দ্রষ্টব্য: ৫৭০ ঈসায়ী সন ৫৩ পূর্ব হিজরীতে সফর মাস যে ৩০ দিন ছিলো তার প্রমাণ দুটি:
ক) চাদ গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া যায়, নবীজির বিলাদতের আগে পর পর ৪ চন্দ্র মাস ৩০ দিন করে হয়েছিলো।
খ) যদি সফর মাস ৩০ না হয়, তবে বিলাদত দিবস সোমবার হয় না। অথচ সহিহ হাদীসে প্রমাণ পাওয়া যায় নবীজি নিজেই বলেছেন উনার বিলাদত গ্রহণ হচ্ছে সোমবার দিন।তাই অ্যাস্ট্রোনমার বা জোর্তিবিজ্ঞানীদের গবেষণায় নির্ভুল ভাবে প্রমাণিত নবীজির বিলাদতের দিন অবশ্যই ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে