‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩০ তারিখে পালিত না হয়ে এ মাস উনার শেষ আরবিয়া শরীফ পালিত হওয়ার হাক্বীক্বত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ আরবিয়া (বুধবার) সকাল বেলা মারীদ্বী শান মুবারক থেকে ছিহ্হাতী শান মুবারক প্রকাশ করেছিলেন। তাই উক্ত মুবারক দিন আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ হিসেবে মশহূর।
সম্মানিত ইসলামী বিভিন্ন পর্ব আরবী মাস বা চন্দ্র মাসের বিভিন্ন তারিখের সাথে সংশ্লিষ্ট। আবার আরবী মাসগুলো হয় ২৯ অথবা ৩০ দিনে। সে অনুযায়ী ১১ হিজরী সনের ছফর মাস ছিল ৩০ দিনে এবং এই দিনটিই ছিল সে মাসের শেষ আরবিয়া (বুধবার)। ফলে এ দিনটি উদযাপনের ক্ষেত্রে তারিখের হিসাব না করে বারের হিসাব করা হয়। কেননা তারিখ হিসেবে পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করলে কোনো কোনো বছর ৩০শে ছফর নাও আসতে পারে; কিন্তু মাসের শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) হিসাব করা সহজ। তাই সময়ের ধারাবাহিকতায় পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ ছফর মাসের শেষ আরবিয়া (বুধবার) হিসেবেই মশহূর।
আর এ উপমহাদেশে ফার্সী ভাষা প্রচলিত ছিল। সাম্রাজ্যবাদী নৌদস্যু ব্রিটিশ বেনিয়া বাহিনী অবৈধভাবে এ উপমহাদেশ দখল করে জাতীয় পর্যায় হতে ফার্সী ভাষা ১৮৩৪ থেকে ১৮৩৬ সন এই দুই বছরের মধ্যে তুলে দেয়। কিন্তু পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ শব্দটিসহ আরো বেশ কিছু শব্দের ফার্সী প্রচলন মুসলমানদের মাঝে থেকে যায়। তাই এ মুবারক দিনটি ফার্সী শব্দে পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ হিসেবে মশহূর।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে