আজকে ২২শে জুমাদাল উলা শরীফ কোন বিশেষ দিবস তা আপনার জানা আছে কি?


কুরআন শরীফে ইরশাদ হয়েছে– আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন সমূহ স্বরন করুন ! নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল শোকরগুযার বান্দাদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে !”( সূরা ইব্রাহীম ৫)

আল্লাহ পাক এখানে মুসলমানদের বিশেষ দিন সমূহ স্বরন করার জন্য বলছেন। মুসলমানের জন্য বিশেষ দিন কি? যেসকল দিবস ইসলাম, নবিজি, আহলে বাইতদের সাথে সম্পর্কযুক্ত তা-ই মুসলমানের জন্য বিশেষ দিবস। কিন্তু আফসোস হলেও সত্য আজ মুসলমান সেসকল দিবস হতে দূরে।

আজ মুসলমান ইসলামী দিবস পালন না করে করে বৈশাখী পূজা, ভালোবাসা দিবস, থার্টি ফার্ষ্ট, মে দিবস, এপ্রিল ফুল, রবীন্দ্র জয়ন্তী ইত্যাদি নাউযুবিল্লাহ।

মুসলমান ভ্যালেন্টাইন দিবস, কুফরী শিরিকি দিবসের কথা মনে রাখে, মিডিয়া তাকে স্বরন করিয়ে দেয়। কিন্তু আজকে যে ২২ জুমাদাল উলা উম্মতের মা উম্মুল মুমীনিন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে আজিমুশ্বান নিকাহ মুবারক তা কতজন মুসলমান জানেন? কতজন স্বরনে রেখেছেন ? কতজন পালন করবেন?

হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ফযীলত ও লক্বব মুবারক সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঈমানদারদের নিকট তাঁদের প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়। আর উনার মহাসম্মানিত আহলিয়াগণ উনারা মু’মিনগণ উনাদের মাতা।” (সূরা আহযাব শরীফ: আয়াত শরীফ ৬)
উনি আমাদের মা। কিন্তু সন্তান হয়ে আমরা কি করছি ? নিজ মায়ের জন্য আমরা কি করি? আমার মা যেদিন আমার বাবার সংসারে এসেছেন সেদিন পালন করে খুশি বোধ করি।মায়ের জন্য সবকিছু উজাড় করে দেই। তাহলে যিনি মায়ের ও মা সেই খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার এই বিশেষ দিবসে আমাদের কি করা উচিত?

উম্মত দাবী করে থাকলে বিনা চু চেরায় সকল মুসলমানের উচিত এই দিবসে খুশি প্রকাশ করা, কুরআন শরীফ পাঠ, ইবাদত -বন্দেগী করা, দান ছদকা করা, গরীব দুঃখীদের খাওয়ানো।
উম্মত দাবী করে, সন্তান হয়ে আমরা কি এতটুকু হক্ব আদায় করতে পারিনা ?

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে