বিশেষ ইন্তেজামে ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল : মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফযল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে লাভ করার কারণে বিশ্ববাসী যেন খুশি মুবারক প্রকাশ করে বা ঈদ উদযাপন করে।” সুবহানাল্লাহ!
আজ দিবাগত রাত থেকে শুরু হচ্ছে- কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে জারীকৃত অনন্তকালব্যাপী সুমহান মাহফিল উনার মধ্যে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে- আযীমুশশান প্রতিযোগিতা শরীফ, ওয়াজ শরীফ, মীলাদ শরীফ, সামা শরীফ ও মক্ববুল মুনাজাত শরীফ উনার বিশেষ আয়োজন ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল। সুবহানাল্লাহ!
তাই জ্বিন ইনসান সকলের জন্য দায়িত্ব ও কতর্ব্য হচ্ছে- এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাহফিলে উপস্থিত হওয়া, অংশগ্রহণ করা, আর্থিক ও শারীরিকসহ সার্বিক খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া। যা সকলের জন্যই ইহকাল ও পরকালে নিশ্চিত নাজাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কালিমা শরীফ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন এবং পাঠ করে আমরা মুসলমান হয়েছি। অর্থাৎ আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার একত্বতা ও সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালাত মুবারক উনাদের প্রতি যুগপতভাবে বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমেই ঈমানদার হয়েছি। কিন্তু এতটুকুই ঈমানদার হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদারই হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের সমস্ত কিছু থেকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি মুহব্বত না করবে।” (বুখারী শরীফ : কিতাবুল ঈমান, হাদীছ শরীফ ১৪ ও ১৫)

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুহব্বতের একটি সাধারণ দাবী হচ্ছে, মুহব্বতের পাত্রকে সম্মান করা, উনার প্রশংসা বর্ণনা করা, উনার খিদমত করা। সাধারণ মুহব্বতের দাবীই যদি এরূপ হয়, যেখানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত না করলে ঈমানদারই হওয়া যায় না, তাহলে উনার প্রতি কিরূপ বা কত বেশি সম্মান মুবারক প্রদর্শন করতে হবে, কত বিস্তৃত পরিসরে উনার প্রশংসা মুবারক করতে হবে, কত আন্তরিকভাবে উনার খিদমত মুবারক করতে হবে তা সহজেই অনুমেয়। সর্বোপরি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ। কাজেই তিনি যেদিন যমীনে তাশরীফ মুবারক এনেছেন সেদিন কত বেশি ও কত ব্যাপকভাবে খুশি প্রকাশ করতে হবে তা মুসলমানদের চিন্তা-ভাবনা করা উচিত।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি খুশি প্রকাশ তথা ঈদ উদযাপন করার নির্দেশ মুবারক দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ফজল ও রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে লাভ করার কারণে বিশ্ববাসী যেন খুশি প্রকাশ বা ঈদ উদযাপন করে। এই খুশি প্রকাশ করা তাদের সমস্ত নেক আমল বা ইবাদত থেকে সর্বোত্তম।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইউনূস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৮)

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ছানা-ছিফত মুবারক আলোচনা করে ও ছলাত-সালাম মুবারক পেশ করে ঈদ উদযাপন করাও একটা বিশেষ ইবাদত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা সকলে যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত মুবারক পেশ করেন। তথা উনার ছানা-ছিফত মুবারক করেন। হে ঈমানদারগণ! আপনারাও উনার মুবারক শানে ছলাত মুবারক পেশ করুন এবং সালাম দেয়ার মতো সালাম দিন অর্থাৎ যথাযথ আদব সহকারে ক্বিয়াম বা দাঁড়িয়ে সালাম মুবারক পেশ করুন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কতক্ষণ করতে হবে-এ প্রসঙ্গে পবিত্র সূরা ফাতহ্ শরীফ উনার ৮ ও ৯নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তারা তথা বান্দারা যেন মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনে, উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক করে, উনার সম্মানিত তা’যীম তাকরীম মুবারক করে এবং উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করে সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে, অনন্তকালব্যাপী।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইতিহাসে নজিরবিহীন, অবিসংবাদিত, বিরল, আশ্চর্যজনক, বিস্ময়কর, কিংবদন্তী, বেমেছাল, অনন্তকালব্যাপী সুমহান মাহফিল জারী হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! একথা সুস্পষ্ট যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। যেহেতু উনার জন্য খুশি প্রকাশে খোদায়ী নির্দেশনা মুবারক রয়েছে, যেহেতু তিনি সমস্ত বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ, সেহেতু উনার যমীনে তাশরীফ মুবারক নেয়ার দিবস পবিত্র ১২ই শরীফ উনাকে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন বা খুশির দিন হিসেবে ঘোষণা মুবারক করা হয়েছে। এ কারণেই দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক, তা’যীম-তাকরীম মুবারক ও ছানা-ছিফত মুবারক করার উদ্দেশ্যেই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনন্তকালব্যাপী মাহফিল জারী করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইতিহাসে নজিরবিহীন অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত এ সুমহান মাহফিল উনার বিশেষ শান মহাসম্মানিত পবিত্র ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আয়োজন করা হয়েছে ৬৩ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল। সুবহানাল্লাহ! যা ২৮শে মুহররমুল হারাম শরীফ- ১৪৪২ হিজরী, ১৯শে রবি- ১৩৮৮ শামসী, ১৭ সেপ্টেম্বর- ২০২০ খৃঃ, লাইলাতুল খামীস থেকে শুরু হয়ে ২রা রবীউছ ছানী শরীফ- ১৪৪২ হিজরী, ২০শে সাদিস- ১৩৮৮ শামসী, ১৭ নভেম্বর- ২০২০ খৃঃ পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে প্রথম ৩০দিন প্রতিযোগীতা শরীফ মাহফিল, দ্বিতীয় ৩০দিন বিষয়ভিত্তিক ওয়াজ শরীফ মাহফিল। অত:পর ৩দিন পবিত্র সামা শরীফ মাহফিল। আর ১২ই শরীফ অনুষ্ঠিত হবে কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিল। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই জিন ইনসান সকলের দায়িত্ব ও কতর্ব্য হচ্ছে- রাজারবাগ শরীফে অনুষ্ঠিত উক্ত আযীমুশ শান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাহফিলে উপস্থিত হওয়া, অংশগ্রহণ করা, আর্থিক, শারীরিকসহ সার্বিকভাবে খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দিয়ে কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদতে মশগুল থেকে দোজাহানে চূড়ান্ত কামিয়াবী হাছিল করা। যা সকলের জন্যই ইহকাল ও পরকালে নিশ্চিত নাজাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে