আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘মাতৃভূমির মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।’
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যে সকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য সম্মানিত শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ এবং তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে তাঁদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
কেননা পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ তর্জ-তরীক্বা যেমন- খালি পায়ে চলা, স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনারে ফুল দেয়া, গান-বাজনা করা, ছবি তোলা, ভিডিও করা, এক মিনিট নিরবতা পালন করা ও বেপর্দা-বেহায়াপনা ইত্যাদি কাজগুলো পবিত্র ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িয। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- স্বাধীনতার সম্মানার্থে ও স্বাধীনতার হক্ব আদায়ার্থে গান-বাজনা, ছবি, বেপর্দা-বেহায়াপনা বন্ধ করার সাথে সাথে কালবিলম্ব না করে অতিসত্বর বাকী সকল যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত বিচার করে জনগণকে দেয়া ওয়াদা পূরণ করা। পাশাপাশি পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতার করা ও বিদেশে পালিয়ে যাওয়া যুদ্ধাপরাধীদের ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করা।

“মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের জন্য শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ এবং তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে তাঁদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ তর্য-তরীক্বায়, যেমন- গান-বাজনা, ছবি, বেপর্দা-বেহায়াপনা ইত্যাদির মাধ্যমে নয়। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- স্বাধীনতার সম্মানার্থে ও স্বাধীনতার হক্ব আদায়ার্থে কালবিলম্ব না করে অতিসত্বর সকল যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত বিচার করে জনগণকে দেয়া ওয়াদা পূরণ করা। পাশাপাশি পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতার করা ও বিদেশে পালিয়ে যাওয়া যুদ্ধাপরাধীদের ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করা।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুসলমান উনাদের করণীয় কি- এ বিষয় নছীহত মুবারক পেশ করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মাতৃভূমিকে মুহব্বত করা পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।” এর ব্যাখ্যায় বলা হয়, মাতৃভূমির স্বাধীনতাকে মুহব্বত করাও পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।

আমরা মুসলমান। সম্মানিত ইসলাম আমাদের দ্বীন। আর সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মোতাবেক মৃত্যুর পর প্রত্যেক বান্দা- ‘হয় কবরে আযাবে থাকে’ অথবা ‘সুখে থাকে।’ সেক্ষেত্রে জীবিতরা যদি মৃতের জন্য দোয়া করে ও মাগফিরাত কামনা করে তবে সে দোয়ার উসীলায় মহান আল্লাহ পাক তিনি কবরের আযাব ক্ষমা করে দেন। আর আযাব না থাকলে তার নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেন। সুবহানাল্লাহ!

মুসলমান হিসেবে আমাদের উচিত- মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যে সকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের জন্য শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ এবং তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে তাঁদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া।

‘বায়হাক্বী শরীফ’ কিতাবে বর্ণিত আছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খীরা মৃত ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, দোয়া-ইস্তিগফার করে মৃত ব্যক্তির নামে ছওয়াব রেসানী করে বা ছওয়াব বখশায়ে দেয়, তখন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা উক্ত নেকীগুলো মখমলের রুমালে জড়িয়ে মৃত ব্যক্তির নিকট পেশ করেন। মৃত ব্যক্তিরা তা দেখে খুশি হন।” সুবহানাল্লাহ!

খালি পায়ে চলা, স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনারে ফুল দেয়া, গান-বাজনা করা, ছবি তোলা, এক মিনিট নিরবতা পালন করা, বেপর্দা-বেহায়াপনাজনিত অনুষ্ঠান দ্বারা যারা জীবিত তারা কঠিন গুনাহে গুনাহগার হয় অর্থাৎ কবীরা ও কুফরী গুনাহে গুনাহগার হয়। আর যাঁরা মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়ে কবরে আছেন তাঁদের কোনোই উপকার হয় না। বরং তাঁরা এসব কাজের জন্য ভীষণ লজ্জিত হয় ও কষ্ট পায়। কারণ তাঁরা সবই দেখতে পায়। কেবলমাত্র তাঁরা নির্বাক বলেই কিছু বলতে পারে না।

মূলকথা হলো- মুসলমান হিসেবে আমাদের সবারই সেভাবে আমল করা উচিত যেভাবে আমল করলে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের উপকার হবে। অর্থাৎ দেশের জন্য যে সকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের জন্য শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ এবং তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে তাঁদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া। পাশাপাশি কেননা পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ তর্জ-তরীক্বা যেমন- খালি পায়ে চলা, স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনারে ফুল দেয়া, গান-বাজনা করা, ছবি তোলা, ভিডিও করা, এক মিনিট নিরবতা পালন করা ও বেপর্দা-বেহায়াপনাসহ সর্বপ্রকার হারাম, কুফরী ও সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত বিরোধী আমল ও বদ রসম থেকে বিরত থাকা সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- স্বাধীনতার সম্মানার্থে ও স্বাধীনতার হক্ব আদায়ার্থে গান-বাজনা, ছবি, বেপর্দা-বেহায়াপনা বন্ধ করার সাথে সাথে কাল বিলম্ব না করে অতিসত্বর বাকী সকল যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত বিচার করে জনগণকে দেয়া ওয়াদা পূরণ করা। পাশাপাশি পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতার করা ও বিদেশে পালিয়ে যাওয়া যুদ্ধাপরাধীদের ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করা।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে