“আত তাক্বউইমুশ শামসী”একটি নতুন সৌর সন


বিজ্ঞানের প্রায় সমস্ত আবিষ্কারের নেপথ্যে রয়েছে মুসলমান উনাদের অবদান। আর কাফিরদের তৈরি করা হয়েছে মুসলমান উনাদের খিদমতের জন্য। যেখানে মুসলমানদের রচিত বিষয় থাকবে সেখানে মুসলমানদের বিষয় অনুসরণ করতে হবে। সময় এবং কাল গণনা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ। সেক্ষেত্রে মুসলমান রচিত ‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’ সন অবশ্যই অনুসরণীয়। বিধর্মীদের বিষয়গুলো পরিহার করা ঈমানী দায়িত্ব।

একজন মুসলমান মেয়েকে কখোনো এই বলে সম্বোধন করা উচিত নয় যে “মেয়েটি বেশ লক্ষ্মী”। কারণ লক্ষ্মী হচ্ছে হিন্দুদের একটি দেবীর নাম। কিন্তু অনেক মুসলমান অজান্তেই এক দেবীর নাম উচ্চারণ না করলেও প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নামই উচ্চারণ করে থাকে।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির মাধ্যমে অজান্তেই প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নাম স্মরণ হয়। এই বর্ষপঞ্জির ৬টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীর নামে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে, জুন); ৪টি মাসের নামকরণ হয়েছে রোমান শব্দ থেকে (সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর); আর ২টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দুই রোমান সম্রাটের স্মরণে (জুলাই, অগাস্ট)। ফলে মাসের নাম দ্বারা দেব-দেবীর নাম স্মরণ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ!
রোমানরা গ্রহের সাথে দেবতার সম্পর্ক করতো এভাবে- Sunday (Day of God, বিধাতার দিন), Monday, (Moons Day, চাঁদের দেবীর সাথে মিলিয়ে), ঞঁবংফধু (দেবতা Tyr বা Ti’ ws দেবতার নাম থেকে), Wednesda (Wodens day বা Mercury দেবতার নাম থেকে), Thursday –(Thor দেবতার নাম থেকে), Friday- (দেবী ঋৎরমম-এর নাম থেকে), Saturday- (শনি গ্রহের (Saturn) সম্মানে)। নাঊযুবিল্লাহ! ফলে সপ্তাহের দিনের নাম উচ্চারণ করতে গিয়েও অজান্তেই মুসলমান উনাদের দেব-দেবীর নাম উচ্চারণ করতে হয়। নাউযুবিল্লাহ।
মুসলমান উনাদের জন্য কখনোই এভাবে গ্রহ-নক্ষত্র, দেব-দেবীর নামানুসারে মাসের নাম, দিনের নাম ব্যবহার করা উচিত নয়।
মুশরিকরা গরুকে বলে মা আর মায়ের অংশকে বলে মাংস। ফলে মুসলমানগণ যেহেতু গরুকে মা মনে করে না ফলে তার অংশকে মাংস বলতে পারে না। এরকম অনেক শব্দ আছে যা মুশরিকদের নিজেদের শব্দ, মুসলমানগণ তা ব্যবহার করতে পারে না। অর্থাৎ বাংলা ভাষায় হিন্দুয়ানী শব্দও পরিত্যাজ্য, দেব-দেবীর নাম উচ্চারণও পরিত্যাজ্য।

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে