‘আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা ও সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত মুবারক প্রকাশে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত মুবারক প্রকাশে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, হাবীবুল্লাহ, মুহইউস সুন্নহ, কূল মাখলুকাতের ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার লক্ষ্যস্থল আহলে বাইত ওলীআল্লাহ, যামানার লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূল, যামানার শ্রেষ্ঠতম ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি সমস্ত ইমাম মুজতাহিদ ও ফক্বীহদের সমস্ত তাজদীদকে সম্মান প্রদর্শন করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে উনার সম্মান মুবারক প্রকাশার্থে পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার সীমাহীন ফযীলত মুবারক প্রকাশ করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
“সৃষ্টির শুরু থেকে ক্বিয়ামত অবধী হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা, উনাদের সমস্ত উম্মত, পূর্বকাল এবং পরবর্তি সমস্ত আউলিয়া কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা সহ দুনিয়ার সমস্ত মানুষের সমস্ত নেক আমলগুলো যদি মীযানের এক পাল্লায় রাখা হয় এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম একটি সুন্নত মুবারক এক পাল্লায় রাখা হয়; তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে সেই একটি সুন্নত মুবারক উনার ওজন তথা ফযীলত মুবারক-ই সবচেয়ে বেশী ভারী ও সর্বশ্রেষ্ঠ-সর্বোত্তম এবং সম্মানিত হবে।” সুবহানাল্লাহ ওয়া সুবহানা রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

আর সেই সম্মানিত ফযীলত মুবারক সমূহে বর্তমান সময়ে সমস্ত উম্মত ও মানুষেরা যাতে করে শামিল হতে পারেন, সেই লক্ষে সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি সমস্ত সুন্নত মুবারকগুলো খুটে খুটে, সুক্ষ্মভাবে, চিন্তা ফিকির করে, জাররা জাররা সুন্নত মুবারকগুলোও জারী করছেন। এক কথায় পায়ের তলা থেকে মাথার তালু এবং হায়াতের শুরু থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত সমস্ত সুন্নত মুবারক তথা জীন্দেগীর শতভাগ সুন্নত মুবারকগুলো জানিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ ওয়া সুবহানা রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়া সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!

এমনকি সেই সমস্ত সুন্নত মুবারক পালনের সুবিধার্থে এবং জানা ও প্রচারের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্র’।

যাতে করে বর্তমান সময়ের উম্মতগণও সেই মর্যাদাপূর্ণ সুন্নত মুবারকগুলো পালন করে পূর্বের যামানার মানুষদের মত মর্যাদাপূর্ণ হোন ও ফযীলত হাছিল করতে পারেন, যেমনটা হাছিল করেছেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাসহ তৎকালীন খইরুল কুরুন এবং সমসাময়িক ব্যাক্তিগণ। সুবহানাল্লাহ!
এ বিষয়ে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন: ‘শুরুর যামানায় মানুষ যেরকম আমল মুবারক করে ফযীলত হাছিল করেছিলেন ঠিক শেষ যামানায় তথা বর্তমান যমাানাতেও উম্মতেরা তেমনি ফযীলত মুবারক হাছিল করবেন।’

দলীল হিসেবে তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ
অর্থ: “যিনি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে কোন একটা সুন্নত মুবারক উনাকে আঁকড়িয়ে ধরে রাখবেন, উনাকে একশত শহীদ উনাদের ছাওয়াব প্রদান করা হবে।” সুবহানাল্লাহ! (মিশকাত শরীফ)

কেমন একশত শহীদের সওয়াব? হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা ‘আনহুম উনারা সম্মানিত বদর ও সম্মানিত উহুদ জিহাদে শহীদ হয়ে যে রকম মর্যাদা মুবারক হাছিল করেছেন ঠিক সেই রকম মর্যাদা হাছিল করবেন এই আখিরী যামানায় একটা সুন্নত মুবারক আদায় করলেই। সুবহানাল্লাহ! প্রসঙ্গত এক হাজার হিজরী শতকের পরবর্তী সময় তথা বর্তমান সময়কে আখেরী যামানা বলা হয়েছে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে