আপনার শিশুকে আজই চিনিয়ে দিন তার প্রধান শত্রু “কে”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইহুদী-নাছারারা হিংসাবশত মুসলমানদের ঈমান আনার পর কুফরী করাতে চায়। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৯)।
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমান উনাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন যে, তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ইহুদী এবং মুশরিকরা। কাফির-মুশরিক, বিধর্মীরা তারা তোমাদেরকে ঈমান আনার পর কাফির বানিয়ে দিতে চায়। নাউযুবিল্লাহ!
তোমরা তাদের থেকে দূরে থাকো। তারা কখনোই তোমাদের কল্যাণ কামনা করে না; তারা তোমাদের কাফির বানানোর ষড়যন্ত্রে সর্বদা লিপ্ত থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
যেমন:- বর্তমানে কাফির-মুশরিকদের সবচেয়ে সক্রিয় ষড়যন্ত্র হচ্ছে হারাম খেলা-ধুলা। নাউযুবিল্লাহ! যার মাধ্যমে ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের ঈমান খুব সহজেই বিনষ্ট করে দিতে সক্ষম হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! যেখানে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, “সকল প্রকার খেলা হারাম”; সেখানে বর্তমান মুসলমানদের জন্য কি জায়িয হবে হারাম খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের ঈমানকে নষ্ট করে জাহান্নামী হওয়া? কখনোই নয়।
বরং সকল পিতা-মাতা উনাদের উচিত হবে- এই হারাম খেলাধুলা থেকে তাদের সন্তানদের দূরে রাখা ও তাদের প্রধান শত্রুদের চিহ্নিত করে দেয়া এবং জানিয়ে দেয়া যে, কোনো ব্যক্তি কি তার শত্রুর পাতা ফাঁদে পা রাখতে পারে?
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সবাইকে মুসলমান উনাদের চিরশত্রু ও প্রধান শত্রুদের থেকে হিফাযত করেন। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে