আপনার সন্তান যেভাবে ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো-
-বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
-তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
-‘লেখক পরিচিতি’ অংশে এ সব হিন্দু, নাস্তিক ও ফাসিক-ফুজ্জারদের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রশংসা বাক্য জুড়ে দেয়া হয়েছে। অথচ এসব কথিত কবি-সাহিত্যিকগুলো সারাজীবনই ইসলাম থেকেও দূরে থাকতো, এমনকি অধিকাংশরা ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করতো।
-বইগুলোতে এমনসব গল্প, কবিতা, রচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলোতে আছে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি, মানবতাবাদের নামে নাস্তিকতার শিক্ষা, আছে ছবি আঁকা, মূর্তি বানানোর নামে ইসলামবিরোধী শিক্ষা, অপ্রযোজনীয় ও সময় অপচয়কারী খেল-তামাশার শিক্ষা ইত্যাদি ইত্যাদি। এককথায় মুসলমানদের ইতিহাস-ঐতিহ্য সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ই বইগুলোতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
পাঠক! অত্যন্ত সংক্ষিপ্তভাবে বিশেষভাবে উল্লেখ্য কয়েকটি বিষয় এখানে তুলে ধরতে চেয়েছি। কিন্তু তারপরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ রয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যপুস্তকগুলোর যে করুণ এক চিত্র সেটা তুলে ধরতে গেলে এক-দু পৃষ্ঠা নয়, কয়েকটি নতুন বই রচিত হয়ে যাবে। যে উদ্দেশ্যে মূলত এই লেখা সেটি হলো- একটি জাতির মেরুদ- বলা হয় শিক্ষাকে। আজ আমাদের সেই মেরুদ-েই এভাবে আঘাত করেছে ষড়যন্ত্রকারী ইসলামবিদ্বেষী মহলগুলো। তারা জানে এ দেশের মুসলমানদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হলে প্রথমে তাদের শিক্ষানীতির উপর আঘাত করতে হবে। তারা এক্ষেত্রে যে অনেকটাই এগিয়ে গেছে- সেটা আমরা আমাদের উঠতি বয়সী যুবক-যুবতীদের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি। আজ মুসলমানরা নিজের ‘মুসলমান’ পরিচয় দিতেই হীনম্মন্যতায় ভোগে। ইসলাম পালন করতে তারা লজ্জা(!) পায়। কিন্তু ঠিকই বিধর্মীদের পূজা-পার্বণে সোৎসাহে অংশ নেয়। নাউযুবিল্লাহ!
তাই দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের জন্য এখনই চরম সময়- প্রচলিত শিক্ষানীতি পরিবর্তনে জোর দাবি জানানো ও তীব্র প্রতিবাদী হওয়া। না হয় আপনার পরবর্তী বংশধারা আপনার জন্য আযাব-গযবেরই কারণ হয়ে যেতে পারে। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে