আপনি নিশ্চয়ই সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক-এর অধিকারী।’ এখন আমেরিকা ও ইসরাইলের দায়িত্ব কর্তব্য হলো- কুখ্যাত ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করা ও প্রদর্শনী বন্ধ করা এবং এর পরিচালক স্যাম বাসিলকে মৃত্যুদ- দেয়ার সর্বপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



অন্যথায় সব মুসলিম দেশকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যাতে উক্ত চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় ও প্রদর্শনী বন্ধ করা হয়।
এবং এ চলচ্চিত্রে পৃষ্ঠপোষকতার কারণে আমেরিকাসহ সমমনা সব দেশসমূহের সাথে সব রকমের কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করতে হবে এবং তাদেরকে বয়কট করতে হবে
৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ সরকারের উচিত আরো তীব্র ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা।
আমেরিকান ও ইসরাইলী পণ্য বর্জন করা এবং আমেরিকার সাথে সব ধরনের চুক্তি বাতিল করা।

যিনি খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি নিশ্চয়ই সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক-এর উপর অধিষ্ঠিত রয়েছেন।

, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকর কোনো বিষয়ই কোনো মুসলমানের পক্ষে শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে বরদাশত করা সম্ভব নয়। কাজেই আমেরিকায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে আপত্তিকর দৃশ্য সম্বলিত সিনেমা প্রকাশ করার প্রেক্ষিতে পৃথিবীর প্রায় সোয়া তিনশ কোটি মুসলমানের জন্য ফরজ-ওয়াজিব তা প্রতিহত করা এবং সব মুসলিম দেশের উচিত তথা ফরয আমেরিকাসহ সমমনা সব দেশসমূহের সাথে সব রকমের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা এবং জোর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো এবং সম্পৃক্ত দোষী ব্যক্তিদের মৃত্যুদ-ের জন্য শক্ত চাপ সৃষ্টি করা।

ইহুদীদের অর্থায়নে নির্মিত চলচ্চিত্রের কুখ্যাত পরিচালক স্যাম বাসিল তার কথিত চলচ্চিত্রে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তথা ইসলাম ধর্মকে সন্ত্রাসবাদের প্রেরণাদাতা হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছে এবং চারিত্রিক মিথ্যা অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করেছে (নাউযুবিল্লাহ)। কিন্তু তার এ মানসিকতা ও বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও চরম দুরভিসন্ধিমূলক। একমাত্র মৃত্যুদ-ই তার সঠিক বিচার হতে পারে।

, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন ‘খুলুক্বীন আযীম’ তথা সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক-এর অধিকারী। যেখানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ঘাম, ইস্তিঞ্জা ও রক্ত মুবারক ছিলো সুঘ্রাণযুক্ত ও পবিত্র থেকে পবিত্রতম। তাছাড়া উনার ক্ষমা, উদারতা, দয়া ইত্যাদি কোনো কিছুরই তুলনা নেই। উনার সুমহান আদেশ-নির্দেশ মুবারক-এর মধ্যে বিধর্মীদের প্রতি উদারতা, দয়া প্রদর্শনই

প্রস্ফুটিত হয়েছে। যেমন মক্কা বিজয়ের সময় মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একান্তভাবে হাতের মুঠোয় পেয়েও সারাজীবন উনাকে মহা যন্ত্রণাদানকারী, উনাকে অনবরত শহীদ করার চেষ্টাকারী, উনার বিরুদ্ধে অপবাদ রটনাকারী সারাক্ষণ ষড়যন্ত্রকারী লক্ষ লক্ষ কাফিরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এরূপ ক্ষমার উদাহরণ দ্বিতীয়টি আর নেই। সেখানে উনার সুমহান চরিত্র মুবারক নিয়ে অপবাদ দেয়া ইহুদী-খ্রিষ্টানদের পরিকল্পিত চরম ধৃষ্টতার শামিল।

আর ইসলামের জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্ববাসী জেনে আসছে, স্বীকার করে আসছে যে, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম শব্দের অর্থই শান্তি। আর কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য। আমাদের দ্বীন আমাদের জন্য।” “ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নেই।” হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। অতীতের অনেক জাতি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করার কারণে ধ্বংস হয়েছে।” এজন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখনো অন্য ধর্মের উপর বাড়াবাড়ি করার অনুমতি দেননি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আপনার রব যদি চাইতেন তবে পৃথিবীর সব মানুষকে মুসলমান করে দিতে পারতেন।” এ আয়াত শরীফও যার যার ধর্ম পালনের পক্ষে বিরাট দলীল।
, ইসলামের ইতিহাসে রয়েছে, দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে এক খ্রিস্টান বৃদ্ধকে ভিক্ষা করতে দেখে তাকে কাছে ডাকলেন। জানলেন তার খোঁজ-খবর নেয়ার কেউ নেই। সাথে সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট দায়িত্ববানকে ফরমান লিখলেন, সাবধান! এই লোকটিকে যদি তার যৌবনে আমরা খাটিয়ে থাকি অর্থাৎ আমাদের খিদমত করেছে আর এখন বৃদ্ধ অবস্থায় ভিক্ষা করাই তবে তা জুলুম হবে। তখন তিনি খ্রিস্টান ব্যক্তির জন্য মাসিক ভাতা ঠিক করে দিলেন। (সুবহানাল্লাহ) শুধু তাই নয় খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম তিনি আরো বলেছেন, ‘ফোরাতের তীরে একটা কুকুরও যদি না খেয়ে মারা যায় তবে আমি হযরত উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম উনাকে তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। (সুবহানাল্লাহ) কত সুন্দর ইসলাম। কিন্তু সে ইসলামকে ক্যান্সারের সাথে তুলনা করে পৃথিবীর সর্বকালের সর্ববৃহৎ অপবাদ ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

, একজন খলীফার যখন এই ছিল আদর্শ, তাহলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দয়া, দান, ইহসান কতটুকু ছিল সেটা চিন্তা ফিকিরের বাইরে। সুবহানাল্লাহ! তাহলে কী করে উনার উপর মিথ্যা অপবাদ দেয়া যেতে পারে। নাউযুবিল্লাহ! সুতরাং সব মুসলিম দেশের উচিত ইহুদী-খ্রিষ্টানদের প্রত্যক্ষ মদদে নির্মিত এ চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করে চলচ্চিত্রের কুখ্যাত পরিচালক স্যাম বাসিলকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও এ কুখ্যাত চলচ্চিত্র তৈরিতে মদদ দেয়ার কারণে আমেরিকাসহ সমমনা সব দেশের সাথে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা এবং জোর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো গোটা মুসলিম বিশ্বের উচিৎ আমেরিকাকে বয়কট করা।
-০-

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. সব মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের উচিত ইহুদী-খ্রিষ্টানদের প্রত্যক্ষ মদদে নির্মিত এ চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করে চলচ্চিত্রের কুখ্যাত পরিচালক স্যাম বাসিলকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ইবলিস ওবামা কে বাধ্য করা। এ কুখ্যাত চলচ্চিত্র তৈরিতে মদদ দেয়ার কারণে আমেরিকাসহ সমমনা সব দেশের সাথে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা এবং জোর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো গোটা মুসলিম বিশ্বের উচিৎ। এখনই আমেরিকাকে বয়কট করা। নইলে মহান আল্লাহপাক ও উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাষ্ট্রপ্রধানদের কে ক্ষমতা থেকে বয়কট করবেন ।ইনশাআল্লাহ ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে