আপনি মুসলমান? তাহলেতো শরীয়ত মুতাবিক চলতে হবে


হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন আপনি নিজেকে একজন মুসলমান বলে দাবি করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে- আপনি কেন সৃষ্টি হলেন? আপনাকে কেন সৃষ্টি করা হলো? আপনার নিজের প্রতি কি দায়িত্ব? আপনার স্বজাতির প্রতি আপনার কি দায়িত্ব? আপনাকে আরো ভাবতে হবে- আপনি প্রতিনিয়ত কতটুকু পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানিত্বের উপর রয়েছেন? আপনাকে ফিকির করতে হবে- আপনার কোনো কাজ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের ব্যাতিক্রম হয়ে যাচ্ছে নাতো? আপনাকে এটাও জানতে হবে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কি করতেন, উনাদের আদর্শ মুবারক কি ছিলো? উনাদের ত্যাগ- আত্মত্যাগ কেমন ছিলো। এসব ভেবে নিজেই নিজেকে পরখ করে দেখতে হবে যে, আপনি নিজে কতটুকু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বারা সুশোভিত হচ্ছেন।
কারণ একজন মুসলমান যখন সাক্ষ্য দিবে পবিত্র কালেমা শরীফ উনার, তখন তাকে ইচ্ছা অনিচ্ছায় পবিত্র তাওহীদ এবং রিসালত শরীফ উনাদের খিলাফ কোনো কাজ করা যাবে না। পবিত্র তাওহীদ উনার বিপরীতে মুশরিকী কাজে নিজেকে নিয়োজিত করা যাবে না। পবিত্র রিসালত শরীফ উনার আদর্শ মুবারকের বিপরীতে কোনো নিয়মনীতি মতবাদ অনুসরণ করা যাবে না। সর্বাবস্থায় সম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্বারা নিজেকে পরিচালিত করতে হবে। বিদয়াত ব্শেরাকে কঠোরভাবে বর্জন করতে হবে। কাফির, মুশরিক, মুনাফিকদের সাথে চলাচল উঠাবসায় খুবই সতর্ক সচেতন থাকতে হবে। আর এগুলোর মূলভিত্তি হলো- তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ভয় রেখে আর উনার দয়া করুণার উপর ভরসা করেই সমস্ত আমল করতে হবে। তাহলে অসচেতনভাবেও কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদেরকে গুমরাহ করতে পারবে না। বাস্তবিক জীবনে আমরা মুসলমান হিসেবে কতটুকু এমন ভাবনার মধ্যে আছি তা চিন্তা ফিকির করতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে