আপনি মুসলমান? মুসলমান হলে আপনার দায়িত্ব কি জানা আছে?


মুসলমান হলেই আপনা আপনি আপনার
আমার উপর কিছু দায় দায়িত্ব এসে যায়।
কি সে দায় দায়িত্ব!?!
দায়িত্ব হচ্ছে সৎ কাজের আদেশ দেয়া
এবং অসৎ কাজের নিষেধ করা।
শুধু দায়িত্ব বললে ভুল হবে,বরং এটা ফরয।
কেননা মহান আল্লাহ পাক যা নির্দেশ
মুবারক করবেন তা অবশ্যই পালনীয়। আর
যে কোনো সৎ কাজ হোক তা অতি
ক্ষুদ্র তার আদেশ ,বা যে কোনো বদ
কাজ হোক তা যত নগণ্য তা থেকে
মানুষকে বিরত রাখা বা বিরত থাকতে
বলা মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ।
এখন কখন,কোথায় বলবো?!?
সামনাসামনি সুযোগ হলে
সামনাসামনিই বলতে হবে। আবারো
বলছি এটা ফরয।
এজন্য মাঠেই নামতে হবে,পথে লোক
ধরে ধরে বলতে হবে তাও নয়।
আপনার,আমার গন্ডিভুক্ত আশপাশের
লোকজনকেই বলা হোক।
কেউ ছবি তুলছে,এটা হারাম আপনি
যদি জেনে থাকেন তবে আপনি
তাকেও জানান। এতে করে সেও
জানতে পারলো,আর সে যদি আমল করে
তথা ছবি তোলা থেকে বিরত থাকে
তবে তার আমলের ক্রেডিট তো
আপনারো থাকলো।
আর সে যদি জানানোর পরও বিরত না
থাকে তবে আপনার দায়িত্ব
শেষ,আপনাকে আর এর জন্য জবাবদিহি
করতে হবে না। নচেৎ সত্য জেনেও
গোপন রাখার কারণে পাকড়াও হতে
হবে। হ্যা, এটা ভবিষ্যৎ। এজন্যই অনেকে
পাত্তা দেয় না বুঝি।
না দিক,শেষ তো আসবে,তখন তো আর
আপনার /আমার, আমরা যারা বলবো
তাদের তো কোনো চিন্তা থাকলো
না।
এখন,এটা তো গেলো সামনাসামনি
বলার বিষয়… এছাড়াও আমাদের হক্ব
বলার অনেক সুযোগ রয়েছে এই
অনলাইনেই।
সময় প্রতিটাই তো মূল্যবান। যখন কিচ্ছুক্ষণ
সময় ফেবু তেই দেয়া হয় তখন কিন্তু
আমাদের ফ্রেন্ড সার্কেলে যারা
আছে তাদের সকলকেই একযোগে একই
বিষয় জানানোটা খুবই সহজ হয়।
সুযোগ থাকতেও যখন সুযোগ কাজে
লাগানো হবে না,তখন তার
জবাবদিহি এবং পরিণতি সম্পর্কেও
ধারণা রাখা উচিত।
যেখানে অনলাইনেই কিছু কুচক্রী মহল
উল্টাপাল্টা, ভুল আক্বীদা,ভুল বিষয়
মানুষকে জানিয়ে বিভ্রান্ত করছে তখন
আপনার আমার কি দায়িত্ব নয় যে সঠিক
বিষয়টা নিয়ে লেখালেখি করা?
নিজে লিখতে না পারলে যারা
লিখে তাদেরটা শেয়ার অথবা কপি
করে ছড়িয়ে দেয়া?
জানি,অনেকেই আছে,মনে করে এসবের
কোনো প্রয়োজন নাই! তাদের বিষয়
আলাদা,তারা তাদের মূল্যবান
ফায়দাদায়ক কাজ করুক।
আমার চেনা একজনকে ক্বিবলার দিকে
পা দিতে দেখে বলেছিলাম,ওদিকে
পা দিতে নেই,এটা নিষিদ্ধ।
তার পাল্টা উক্তি ছিলো,” আমার মন
এটাকে খারাপ মনে করছে না,যখন
খারাপ মনে হবে তখন পা সরিয়ে
নিবো”
নাঊযুবিল্লাহ!
যেই মন শয়তান চালায় সে মন কখনো
নেককাজকে কি নেক হিসেবে
দেখাবে??? কখনোই নয়! বরং হারাম
এবং অপ্রয়োজনীয় কাজকেই সুন্দর
হিসেবে দেখাবে। তাইই কি হচ্ছে
না???
আজ লোকে মনে করে বিয়েহীন
রিলেশন পবিত্র!, র্যাগ ডে,থার্টি
ফার্স্ট নাইট,পহেলা বৈশাখ পালন
খারাপ কিছু না!,কাফিররা আমাদের
ভাই/বন্ধু!
কুরবানী করা জরুরী কিছু না,তার
চাইতে কুরবানীর টাকা দান করা
ভালো!,বাল্যবিবাহ বাজে বিষয়!
নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!!
নাঊযুবিল্লাহ !!!
কতো সহজেই না ঈমান চলে যায়…অত:পর
সারা জিন্দেগী নামায,রোযা,হজ্জ
্ব,যাকাত আদায় করলেও আমলের খাতা
শূণ্য!!!
পরিণাম জাহান্নাম!
আমার কথা আপাতত শেষ… এবার
পুরোটাই আপনার দায়িত্ব আপনি সৎ
কাজে আদেশ করবেন না বাধা
দিবেন! আর বদকাজে নিষেধ করবেন
নাকি মশগুল হয়ে যাবেন!
….ওয়ামা আলাইনা ইল্লাল বালাগ….
মালিক পাক সকলকেই ঈমান, আক্বীদা,
আমল হিফাযত করার ও ইস্তিক্বামত
থাকার তৌফিক দান করুন।
আমীন।।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে