আমরা মুসলমান হচ্ছি না কেন???


কোনটা রেখে কোনটা নিয়ে লিখবো!?!রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘা!!! সচেতনতা কোনদিক থেকে সৃষ্টি করা উচিত!?! সিম্পলি এটাকে মহামারীই বলা চলে !আর কিচ্ছু না…
প্রথমে বলি যা মহান আল্লাহ পাক তিনিই বলেছেন…যে,”আর আপনি তাদেরকে আইয়্যামিল্লাহ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন,জানিয়ে দিন।নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিনগুলো উনাদের মধ্যে অবশ্যই প্রত্যেক শোকরগুজার ও ধৈর্যশীল বান্দা-বান্দীদের জন্য নিদর্শন মুবারক রয়েছে। “(সূ্রা ইবরাহীম শরীফঃ৫)
বলি,নারী দিবস কি আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন?????এই যে কিছুদিন আগে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার শাদী মুবারক দিবস গেলো,কই কাউকে তো তেমন একটা এ বিষয় নিয়ে পোস্ট দিতে দেখা গেলো না! কয়জন এ দিবস উনাকে পালন করেছিলো??সামনে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিলাদত শরীফ দিবস আসছে,কয়জন খোজ রেখেছে??
আজকে নারী সম্মানিত কেন???সম্মানিত দ্বীন ইসলাম আসার পূ্র্বে কি নারীদের এতোটা সম্মান ছিলো ছিল??জাহেলী যুগে নারীদের উপর চরম নির্যাতন করা হতো এবং জীব হিসেবেই গণ্য করা হতো না। ঘোড়ার লেজের সাথে বেধে ঘোড়া ছেড়ে দেয়া হতো আর পথের সাথে নারীরা হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যেত,অস্তিত্বেরই কোনো মূ্লয় ছিলো না। অন্যান্য ধর্মেও নারীদেরকে শয়তানের সাথে তুলনা করা হতো। আর সম্মানিত দ্বীন ইসলামই নারীর সম্মান ঘোষণা করলেন,হুযু্র পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিই জানালেন “মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের জান্নাত”। এছাড়াও নারীদেরকে উত্তরাধিকার করা হলো পিতার,স্বামীর সম্পত্তির।সুবহানাল্লাহ্‌।
যে দ্বীন ইসলাম আজকে আপনাকে সম্মানিত করেছে তার থেকে দূ্রে সরে থাকতে লজ্জাবোধ হওয়া উচিত।
যে দিবসে রহমত নাই,আরো যা কিনা কাফিরদের প্রবর্তিত দিবস যা পালন করার কারণে গযবে পতিত হওয়ার কারণ হবে সে দিবস নিয়ে মাতামাতি কেনো?
আপনি কি জানেন না কাফিরদের সাথে মুশাবাহা রাখার নিয়ম নাই?কোনোদিক থেকেই মিল রাখার নিয়ম নাই।তাহলে কেনো তাদের সাথে এতো মিল রাখতে যান? যেখানে আশুরা শরীফ উনার রোযা দুটি রাখার নির্দেশ হলো ইহুদীরা একটি রাখে বলে,রোযার ক্ষেত্রেই ব্যাতিক্রম করা হলো যেন সাদৃশ্য না থাকে । রোযার মধ্যে সাহ্‌রী ও ইফতারের নিয়ম করা হলো যেন কাফিরদের উপোসের সাথে মিলে না যায়।ইবাদতের ক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম করা হলো,সেখানে আপনি সরাসরি ওদের দিবসগুলোই পালন করতে যান কিসের জোরে!?!
না জেনে পালন করেছি এক বিষয়,আর জানার পর তওবা করে ফিরে আসা তো মুসলমানেরই পরিচয়। তবে আমরা মুসলমান হচ্ছি না কেন???
কাজেই মুসলিম মাত্রই উচিত নারী দিবস,মা-বাবা দিবসসহ কাফিরদের প্রবর্তিতো যত্তো দিবস রয়েছে সেগুলো থেকে ফিরে থাকা এবং আইয়্যামিল্লাহ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার দিবসগুলো স্মরণ করা ,পালন করা।
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে