আরও ১০ কারণ: মুসলমান কিছুতেই পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারে না


(১) ‘এসো হে বৈশাখ’ বলা নিষেধ। কারণ এর দ্বারা মাখলুকের নিকট কল্যাণ কামনা করা হয়। অথচ কল্যাণের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি।
(২) মূর্তি নিয়ে বড় বড় র‌্যালি বের করা যাকে অমঙ্গল যাত্রা বলা হয়, এটা নিরেট হিন্দুদের ধর্মীয় কাজ। যা কোনো মুসলমান কখনো করতে পারে না।
(৩) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পান্তা-ইলিশ খাওয়া; এটা ও মূলত হিন্দুদের থেকে এসেছে। কেননা তারা আশ্বিনের শেষ রাত্রে রান্না করে কার্তিকের প্রথম দিনে খায়।
(৪) এই দিনে সাদা কাপড়/শাড়ী পরিধান করে এবং কপালে শাখা-সিঁদুর লাগায় ও উলুধ্বনি দেয়, যা মূলত হিন্দুদের কাজ।
(৫) জীব-জন্তুর মূর্তি ব্যবহার করা, যেমন পেঁচা, বাঘ, শিয়াল, হাতি, বানরের ইত্যাদি, যা হিন্দুদের দেব-দেবীর বাহন।
(৬) গালে, কপালে, হাতে উল্কি আঁকা, শরীরের যেকোনো জায়গায় খোদাই করা, যা সুস্পষ্ট হারাম।
(৭) গান-বাজনা ছাড়া তা পালন হয় না, যা হিন্দুরা পূজার সময় করে থাকে এবং ইসলামে গান-বাজনা হারাম।
(৮) নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা। যা পবিত্র দ্বীন ইসলামে হারাম।
(৯) মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টির পরিবর্তন। যেমন উল্কি, খোদাই করা, মুখোশ ব্যবহারের দ্বারা করা হয়, অথচ তা সম্পূর্ণ নিষেধ।
(১০) পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে অসাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ বলা হচ্ছে। অথচ পহেলা বৈশাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীদের পূজার দিন বৈ কিছুই নয়।
একজন মুসলমান কখনো ‘পহেলা বৈশাখ’ নামের পূজা পালন করতে পারে না। যে মুসলমান সে কখনোই বৈশাখী অনুষ্ঠানে যেতে পারে না। যে যায় সে কিছুতেই মুসলমান থাকতে পারে না।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে