আলহামদুলিল্লাহ! পাঁচবিবিতে চুনাপাথরের পর এবার সাদামাটির খনির সন্ধান!


জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আয়মা রসুলপুর ইউনিয়নের আগাইর গ্রামে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপের প্রাথমিক অনুসন্ধানে চুনাপাথরের পর এবার মূল্যবান সাদামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে।

ভু-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কয়লাখনি এলাকার নির্ধারিত কূপের মাটি পরীক্ষা করে সাদামাটির সন্ধানের খবর নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুনিরা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, ভূপৃষ্ট হতে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৭৬০ ফুট স্তরে সাদামাটির মজুদ রয়েছে।

টাইলস ও সিরামিক পণ্য তৈরিতে সাদামাটি একমাত্র কাঁচামাল হওয়ায় এই সাদামাটির খনিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, এবছর মার্চ মাসে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর ওই গ্রামে খনিজ সম্পদের সন্ধান পায়। এপ্রিল মাসে প্রাথমিক খনন কাজের মাধ্যমে কয়লাখনির সন্ধান পায় জরিপকারীরা।

পরবর্তীতে প্রকৌশলীরা ১৪৯৪ ফুট থেকে ১৫৩০ ফুট স্তরে চুনাপাথরের সন্ধান পান। ১২কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮ কিলোমিটার এলাকাব্যাপী ওই চুনাপাথর মজুদ রয়েছে বলে জানান তারা।

খনি এলাকায় কর্মরত ভূ-তাত্ত্বিক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক প্রেকৌশলী মহিরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক নাজওয়ানুল ইসলাম, রুবেল শেখ ও মাসুম বাংলানিউজকে জানান, খনন কাজের একপর্যায়ে তাদের উত্তোলনকৃত মাটি চুনাপাথর বলে প্রতিয়মান হয়। সেগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে এখানে ৩৬ ফুট স্তর বিশিষ্ট চুনাপাথর মজুদ রয়েছে।

পরবর্তী খননে চুনাপাথরের ১৭০ ফুট নিচে ভু-পৃষ্ঠ থেকে ১ হাজার ৭০০ ফুট নিচে সাদামাটির সন্ধান পাওয়া যায়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সাদামাটি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সাদামটির এ স্তর প্রায় ৬০ ফুট বলে জানান কর্মকর্তারা।

ওই কর্মকর্তারা আরও জানান, সাদামাটির স্তরের পর ৩০ ফুট খনন করে আদি শিলাস্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে। সাধারণত আদি শিলা পাওয়ার পর সেখানে অন্য কোনো শিলা থাকার সম্ভাবনা নেই। যে কারণে খনি এলাকার ওই কূপের খনন কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
চুনাপাথরের পরের প্রায় দেড়শ ফুট পর্যন্ত শেল, ক্লে ও স্যান্ড স্টোন স্তর রয়েছে বলেও জানান তারা।

সুত্র

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+