আল হাজরে আসওয়াদ (সাত)


হাজরে আসওয়াদএ রিং/গোলক ব্যবহারঃ

সুধু হাজরে আসওয়াদএর সৌর্ন্দয বৃদ্ধির জন্য রুপার র্নিমত গোলক ব্যবহা করা হয়নি। আব্দুল্লাহ আল ওযালদি মুহম্মদ বিন আহমদ আল আজরাকি নামক এক ইতিহাস বিদের মতে ক্বাবা শরীফে আগুন লাগার পর রুপার গোলকটি এথম ব্যবহার করেন আব্দুল্লাহ্ বনি জুবায়ের। হাজরে আসওয়াদের সহজে কোন ক্ষতি না হয় তার জন্য রুপার গোলকটি ব্যবহার করা হয়েছে। পরর্তী রুপার গোলাকটি লাগান হয় ১৮৯ হিজরিতে। যখন সুলতান হারুন আল রশিদ ওমরা করতে আসেন তখন তিনি ইবনে আত্ তানান কে আদেশ দেন হাজরে আসওয়াদ কে সামনঞস্য আকৃতির পুরু উজ্জল রুপার গোলকে আবৃত করার জন্য। তার পরবর্তী উদ্দ্যগ নেন সুলতান আবদুল মজদি ১২৬৮ হিজরিতে। হাজরে আসওয়াদ চুরি হয়ে যাবার পর তিনি সনের পাতে হাজরে আসওয়াদকে মুড়েদেন। এর পর ১৩৩১ হিজরিতে সোনার পাত সুলতান মুহম্মদ রশিদ এর র্নিদের্শে পরর্বিতন করে রুপার পাত ব্যবহার করেন সুলতান আবদুল আজিজ। তিনি এর স্থায়ীত্বের কথা বিবেচনায় রেখে রুপার পাতের মধ্যে হাজরে আসওয়াদ রাখেন। চিত্রে দেখুন একটি রিং খয় হয়ে যাবার পর একে খুলে ফেলা হয়। কখনো পবিত্র বাইতুল্লাহ বা ক্কাবা শরীফ এর দেয়াল পরিস্কার করার জন্য ও পার্শবর্তী রিং পরানর জন্য হাজরে আসওয়াদ খুলা হয়। চিত্র দেখুনঃ

3 View Black Stone

রুকনে ইয়ামানিঃ ক্বাবা শরীফের পশ্চিম-দক্ষিণ কোন। তাওয়াফের সময় এ কোণকে সুযোগ পেলে স্পর্শ করতে হয়। চুম্বন করা নিষেধ। হাদীসে এসেছে হযরত ইবনে ওমর (র.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলইহে ওয়া সাল্লাম কে দুই রুকনেই ইয়ামানি ব্যতীত অন্য কোনো জায়গায় স্পর্শ করতে দেখিনি।
মুলতাজামঃ হাজরে আসওয়াদ থেকে ক্বাবা শরীফের দরজা পর্যন্ত জায়গাটুকুকে মুলতাজাম বলে। মুলতাজাম শব্দের আক্ষরিক অর্থ এঁটে থাকার জায়গা। সাহাবায়ে কেরাম মক্কায় এসে মুলতাজামে যেতেন ও দু’হাতের তালু, দু’হাত ও চেহারা ও বক্ষ রেখে দোয়া করতেন। বিদায়ী তাওয়াফের পূর্বে বা পরে অথবা অন্য যে কোনো সময় মুলতাজামে গিয়ে দোয়া করা যায়। যদি মুলতাজামে আসার ইচ্ছা করে মুলতাজাম হলো হাজরে আসওয়াদ ও দরজার মধ্যবর্তী স্থান- অতঃপর সেখানে তার বক্ষ, চেহারা, দুই বাহু ও দুই হাত রেখে দোয়া করে, আল্লাহর কাছে তার প্রয়োজনগুলো সওয়াল করে তবে এরূপ করার অনুমতি আছে। বিদায়ী তাওয়াফের পূর্বেও এরূপ করতে পারবে। মুলতাজাম ধরার ক্ষেত্রে বিদায়ী অবস্থা ও অন্যান্য অবস্থার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আর সাহাবী রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম গণ যখন মক্কায় প্রবেশ করতেন তখন এরূপ করতেন। তবে বর্তমান যুগে লাখ লাখ মানুষের ভিড়ে মুলতাজামে ফিরে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তাই সুযোগ পেলে যাবেন অন্যথায় যাওয়ার দরকার নেই। কেননা মুলতাজামে যাওয়া তাওয়াফের অংশ নয়।
ফ্রেমে মুখ ঢুকিয়ে হাজরে আসওয়াদে চুম্বন করতে হয়। এর পাশে ২৪ ঘণ্টাই থাকে সৌদি পুলিশ। তাঁরা খেয়াল রাখেন, ফ্রেমে মাথা ঢোকাতে বা চুম্বন করতে কারও যেন কষ্ট না হয়। হাজরে আসওয়াদে চুম্বনের জন্য নারীরাও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। কাবা শরিফে বিভিন্ন ওয়াক্তের নামাজ আদায় করতে গিয়ে দেখা যায়, ফরজ নামাজ চলাকালে হাজরে আসওয়াদে কেউ চুম্বন করতে পারেন না।

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. জানতে চাই says:

    শুনেছি একজন ফেরেস্তা ছিলেন যিনি আদম আলাইহিস সাল্লাম এর সাথে বেহেস্ত থেকে পৃথিবীতে আসেন। সেই ঘটনাটা বিস্তারিত জানালে ভাল হয়।

  2. জানতে চাই says:

    শুনেছি “হাজরে আসওয়াদ” একজন ফেরেস্তা ছিলেন যিনি আদম আলাইহিস সাল্লাম এর সাথে বেহেস্ত থেকে পৃথিবীতে আসেন। সেই ঘটনাটা বিস্তারিত জানালে ভাল হয়।

  3. পোষ্ট গুলো দারুন হচ্ছে Rose শুকরিয়া Rose

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে