আল হাজরে আসওয়াদ


হাজরে আসওয়াদ

Hazra Aswad
বাংলায়

কালপ্রস্তর

আরবীতে

الحجرالأسود

ইংরেজীতে

Al-Hajaru-l-Aswad

র্পূব নামঃ

হাজরে আস-আদ

সাদা প্রস্তর

হাজরে আসওয়াদ মূলতঃ কোন পাথর নয়, প্রকৃত পক্ষে হাজরে আসওয়াদ একজন ফেরেশ্‌তা ছিলেন। আর হাজরে আসওয়াদ খালেছ নিয়তে চুম্বনকারী ব্যক্তির গুনাহ্‌ চুষে নেয়। একটি পাথর যার রং শুরুতে এক হাদীস অনুযায়ী দুধেরমত বা বরফের চেয়েও সাদা ছিল। পরে আদম-সন্তানের পাপ তাকে কালো করে (তাফসীরে ইবনে কাসীর সূরা বাকারা ১২৭ নং আয়াতের তাফসীর)হাজরে আসওয়াদের ঠিক নিচ থেকে একটি পানির ধারা যমযম কুপে প্রবেশ করেছে।বিশ্ব মুসলিম নর-নারীর কাছে এ পাথর অতি মূল্যবান। তিরমিজী শরীফের হাদীস শরীফে বর্ণীত হয়েছে, হাজরে আসওয়াদ যখন (হযরত আদম আলাইহিস সালাম -এর সঙ্গে) জান্নাত থেকে অবর্তীণ হয় তখন তা দুধের চেয়েও সাদা ছলি; কিন্তু আদম সন্তানের গুনাহ একে কালো করে দিয়েছে। তিরমিজি, ইবনু খুযাইমা, ইবনু হিব্বান ও হাকেম র্বণতি সহি হাদীস শরীফে র্বণীত হয়েছে যে, এ পাথরের একটি জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট রয়েছে, তা দ্বারা কিয়ামতের দিন চুম্বনকারীদের পক্ষে সাক্ষ্য দেবে।
হাজরে আসওয়াদ সর্ম্পকে তাফসীরের কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক যখন হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম উনাদের কে সৃষ্টি করে বেহেশতে অবস্থান করার ব্যবস্থা করে দিলেন তখন আদম আলাইহিস সালাম ও হযরত হাওয়া আলাইহাস সালামকে আল্লাহ পাক বলেছিলেন “আপনারা উভয়ে এ গাছের(গন্ধম) নিকটর্বতী হবেন না।(সুরা বাক্বারা ৩৫)
হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম যাতে এ আদেশ যথাযথভাবে পালন করতে পারেন, আর বিতাড়িত ইবলিশ যাতে তাঁদেরকে নিষিদ্ধ গন্ধম গাছের ফল খাওয়াতে না পারে, সেজন্য একজন ফেরেশ্‌তা মোতায়েন করেছিলেন। শয়তান যখন মিথ্যা কসম খেয়ে, মিথ্যা কথার দ্বারা হযরত হাওয়া আলাইহাস সালামকে হযরত আদম আলাইহিস সালাম  উনার অনুপস্থিতিতে বিপরীত দিকের অনুরুপ একটি গাছথেকে ফলপেড়ে পিষে সরবতএর মত করে উনার অজান্তে খাওয়লেন, তখন আল্লাহ পাক উক্ত পাহারয় রত ফেরেশতাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, বিতাড়িত ইবলিশ যখন মিথ্যা কসম খেয়ে, মিথ্যা কথার দ্বারা তাঁদেরকে নিষিদ্ধ গন্ধম গাছের ফল খাওয়ালো, তখন তুমি কোথায় ছিলে? ফেরেশতা জবাবে বললেন, আল্লাহ পাক আপনার দেয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছিলাম কিন্তু এতে কোন প্রকার অঘটনের কিছু না দেখে আপনার সুন্দরতম সৃষ্টি বেহেশত দেখার জন্য অন্যদিকে গিয়েছিলাম, এ সময়ের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে যায়।
আল্লাহ পাক বললেন, যেহেতু হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম উভয়ে গন্ধম ফল খেয়েছেন, সেহেতু তাঁদেরকে যমিনে চলে যেতে হবে। আর সেখানে তাঁদের সন্তান জম্মগ্রহণ করবে, তাদের পক্ষে দুনিয়ার গুনাহ্‌ থেকে বেঁচে থাকা কঠিন হবে। এখন তোমাকে তাঁদের সাথে গিয়ে তাঁদের সন্তানদের যে গুনাহ্‌ হবে, তা তোমাকে ক্ষমা করাতে হবে।
তখন ফেরেশতা বললেন, আল্লাহ পাক আপনার আদেশ তো অবশ্যই পালন করবো কিন্তু প্রত্যেকের বাড়ী বাড়ী গিয়ে কি করে সম্ভব? কারণ আমি একদিক থেকে আদম সন্তানের গুনাহ্‌ ক্ষমা করাতে করাতে যখন অন্যদিকে যাবো, তখন যেদিক থেকে ক্ষমা করিয়ে আসবো সেদিকে আবার আদম সন্তান নতুন করে জন্মগ্রহণ করবেন। তাঁদের গুনাহ ক্ষমা করার জন্য পূঃনরায় তাঁদের কাছে যেতে হবে। সেটা কি করে সম্ভব, তা আমার কাছে দূরূহ মনে হচ্ছে। আপনি দয়া করে আমাকে কোন এক নির্দিষ্ট স্থানে রাখলে সেখানে আদম সন্তানগণ এসে আমাকে চুম্বন বা স্পর্শ করলেই আমি তাদের গুনাহ চুষে নিবো। তখন আল্লাহ পাক বললেন, “বেশ। তাই হবে। তোমাকে ক্বাবা শরীফে স্থাপন করা হবে।” এবং সে অনুযায়ী উক্ত ফেরেশ্‌তাকে পাথরের আকৃতিতে ক্বাবা শরীফের দক্ষিণ পূর্ব কোণে দরজার পাশে স্থাপন করা হয়। (সমুহ তাফসীরের কিতাব)

আলোচনা প্রসঙ্গে বলা হয় পূর্ববতী সহিফা ও আসমানি কিতাবে হাজরে আসওয়াদ পৃথিবীতে নাজীল হওয়ার ঘটনা বর্নীত ছিল যা এখন বিকৃত আবস্থায় বর্নীত থাকলেও পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ পাক-এর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলনে, হাজরে আসওয়াদ জান্নাত থেকে নাযিল হয়েছে এবং সেটা দুধ অপেক্ষা সাদা ছিল, অতঃপর আদম সন্তানের গুনাহ কারণে সেটা কালো হয়ে গিয়েছে হাদীস শরীফে আরো বর্ণিত হয়েছে, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ্ পাক-এর কসম! ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্ পাক হাজরে আসওয়াদকে দুটি চোখ দান করবেন, তা দ্বারা সে দেখতে পাবে এবং একটি জিহ্বা দান করবেন, তা দ্বারা সে কথা বলবে। যারা আন্তরিকতার সাথে তাকে চুম্বন করেছে, তাদের সম্বন্ধে সে সাক্ষ্য দিবে।“ (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাযাহ শরীফ, দারেমী শরীফ, মেশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ, আশয়াতুল লুমায়ত, লুমায়ত, মুযাহিরে হক্ব, নুজহাতুল মাজালিশ)  তাওয়াফ করার সময় হাজীগণ বরকতের কারণে হাজরে আসওয়াদকে চুম্বন করে থাকেন। এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আবেস বনি রাবেয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি বলনে, আমি হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কে ‘হাজরে আসওয়াদ’ চুম্বন করতে দেখেছি। তিনি বলে ছিলেন, নশ্চিয়ই আমি জানি তুমি একখানি পাথরমাত্র, কোন উপকার বা অপকার করার ক্ষমতা তোমরা নাই। যদি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে তোমায় চুম্বন করতে না দেখতাম, তবে কখনোই আমি তোমায় চুম্বন করতাম না। একথা বলে হযরত ওমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু চুম্বন করতে থাকেন। তখন হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলনে, হে আমীরুল মু’মিনিন! হাজরে আসওয়াদ উপকার বা অপকার উভয়ই করতে পারে। হযরত ওমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু জিজ্ঞেস করলে, তা কিরুপে? হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আল্লাহ্ পাক আলমে আরওয়াহ্ তে যখন সমস্ত বনী আদমের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন, তখন তাঁর একটি র্পূণ তালিকা তৈরী করা হয়েছিল। সেই র্পূণ তালিকাটি হাজরে আসওয়াদ গ্রাস করেছিল। ওটা এখন ঈমানদারগণের অঙ্গীকার পূরণ করার পক্ষে এবং কাফেরদের অঙ্গীকার পূরণ না করার পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবে।” (ইহ্ইয়াউল উলুমুদ্দিন) আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে, যে লোক হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর ধরল সে যেন আল্লাহর (কুদরতের) হস্ত ধরল। অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি প্রিয় নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাত ধরে বায়আত করার সুযোগ লাভ করেনি, সে যেন হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ ও চুম্বন করে। অনেকে বলে থাকে হাজরে আসওয়াদে চুম্বনের ব্যাপারে কুরআন শরীফে কোন বর্ণনা নেই। অথচ আল্লাহ পাক বলেন, “রসূল উল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন কথাই ওহী ব্যতীত নিজ থেকে বলেন না” (সূরা নজম ৩-৪) উপরোক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা এটা স্পষ্টই বুঝা যায় যে, হাদীস শরীফগুলোও কুরআন শরীফের ন্যায় ওহীর অন্তর্ভূক্ত। কুরআন শরীফের ন্যায় হাদীস শরীফও শরীয়তের অকাট্য দলীল। কারণ হাদীস শরীফ ব্যতীত উম্মতের জন্য কুরআন শরীফের সঠিক ব্যাখ্যা অনুধাবন করা সম্ভব নয়। অতএব, কুরআন শরীফের ন্যায় হাদীস শরীফ মানা ও তারঅনুসরণ অনুকরন করা ও অবশ্যই কর্তব্য। আর তাই আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “আমার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা নিয়ে এসেছেন তা আকঁড়ে ধর এবং যার থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা থেকে বিরত থাক।”(সুরা হাশর -৭) উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা হাদীস শরীফ অনুসরণ অনুকাণ করা ফরয প্রমানিত হয়। সতরাং যে বা যারা হাদীস শরীফ অস্বীকার করবে এবং তার তার অনুসরণ অনুকরন করবেনা-, তারা গোমরাহ্ ও বাতিল এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাশ্তি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “সুতরাং যারা তাঁর (রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর) আদেশের বিরোধীতা করে, তাদের ভয় করা উচিৎ যে, তাদের উপর এসে পড়বে কোন ফিতনা বা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।”(সূরা নূর ৬৩) এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আবূ রা’ফে রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণীত, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি তোমাদের কাউকে যেন এরূপ না দেখি যে, সে তারা গদিতে ঠেস দিয়ে বসে থাকবে। আর তার নিকট আমার আদেশবলীর কোন একটি আদেশ পৌঁছাল, যাতে আমি কোন বিষয়ে আদশে বা নিষেধ করেছি। তখন সে বলবে, আমি এসব কিছু জানি না, আল্লাহ পাক উনার কিতাবে যা পাবো, তাই অনুসরণ করবো।”(তিরমিযী শরীফ,আবূ দাউদ শরীফ, ইবনে মাজাহ্ শরীফ, মিশকাত শরীফ, মায়ারিফুস সুনান, বযলুল মাজহুদ, মিরকাত, লুময়াত, আশয়াতুল লুময়াত, শরহুত্ ত্বীবী, আত্ তা’লীকুছ্ ছবীহ্, মুযাহিরে হক্ব)হাদীস শরীফে আরো ইরশাদ হয়েছে, “হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া রাদ্বিয়িল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, একদিন আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমাদের মধ্যে) দাঁড়ালেন এবং বলন, তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার গদীতে হেলান দিয়ে একথা মনে করে যে, আল্লাহ পাক যা এ কুরআন শরীফে হারাম করেছেন তা ব্যতীত তিনি আর কিছুই হারাম করেননি। তোমরা জেনে রাখো, আমি আল্লাহ পাক-এর কসম দিয়ে বলছি! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের অনেক বিষয় আদেশ দিয়েছি, উপদেশ দিয়েছি এবং অনেক বিষয় নিষেধও করেছি, আমার এরূপ বিষয়ও নশ্চিয়ই কুরআন শরীফের বিষয়ের সমান। বরং তা থেকেও অধিক হবে। তোমরা মনে রাখবে যে, অনুমতি ব্যতীত আহ্-লেকিতাব যিম্মীকরে বসতঘরে প্রবেশ করা, তাদের নারীদের প্রহার করা এবং তাদের ফল-শস্য খাওয়াকে আল্লাহ পাক তোমাদের জন্য হালাল করেননি, যদি তারা তাদের উপর নির্ধারিত কর আদায় করে দেয়। (অথচ এ সকল বিষয়ে কুরআন শরীফে নেই। আমার মাধ্যমেই আল্লাহ পাক হারাম করেছেন)” (আবূ দাউদ শরীফ, মিরকাত শরীফ)উপরোক্ত আয়াত শরীফ এবং হাদীস শরীফ দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, কুরআন শরীফের ন্যায় হাদীস শরীফ মানা ও তার অনুসরণ অনুকরণ কারাও অবশ্যই কর্তব্য।
আবার অনেকে হাজরে আসওয়াদকে চুম্বন করা মূর্তিপুজার সমতূল্য বলে মনে করে থাকে(নাউযূবিল্লাহ)্। অথচ হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণীত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা মুশরিকদের অর্থাৎ মূর্তিপুজকদের বিপরীত আমল কর।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ) হাদীস শরীফে আরো এসেছে,“আল্লাহ পাক আমাকে বাদ্যযন্ত্র এবং মূর্তি ধ্বংস করার জন্য প্রেরণ করেছেন।”

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন,“নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক আমাকে প্রেরণ করেছেন সমস্ত জাহানের জন্য রহমতস্বরূপ এবং হেদায়েতস্বরূপ। আর আদেশ করেছেন বাদ্যযন্ত্র, মুর্তি, ক্রুশ ও জাহিলী কাজসমূহ ধ্বংস করার জন্য।” (আহমদ শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ) সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রায়শঃই হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করতেন। সুতরাং উক্ত কাজটি মূর্তিপুজা তো নয়ই বরং সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাই কেউ যদি সুন্নতের খেয়ালে এটা চুম্বন করে, তাহলে সে আল্লাহ পাক- উনার সন্তুষ্টি ও রহমত এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি সুন্নত আদায় কারা তৌফিক রাভ করবে। আর যে সুন্নতকে অস্বীকার করবে তার সম্পর্কে হাদীস শরীফে এসেছে,“যদি তোমরা তোমাদের নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত অস্বীকার করো তাহলে অবশ্যই তোমরা কাফির হয়ে যাব।” (আবূ দাউদ শরীফ) হাদীস শরীফে আরো ইরশাদ হয়েছে, “যদি তোমরা তোমাদরে নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত তরক (পালন না করা) করো তাহলে তোমরা গোমরাহ হয়ে যাবে।” (আবূ দাউদ শরীফ)আর আক্বাইদের কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, “সুন্নতকে ইহানত করা কুফরী।”

 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

১৬টি মন্তব্য

  1. ট্যাগ কোথায় ভাইজান? প্রত্যেক পোষ্টেই বেশী বেশী ট্যাগ থাকা দরকার।

  2. প্রভাতের সূর্যপ্রভাতের সূর্য says:

    সুন্দর পোস্ট Clover Watermelon

  3. খুব সুন্দর হয়েছে। আসলে আমি ছোট বেলায় আমার মায়ের নিকট এই ওয়াকেয়া (গল্প)টা শুনেছিলাম।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে