আশ্চর্য হলাম এমন একটি বিশেষ দোয়া কবুলের রাতে একটি মানুষও মসজিদে নাই।


রাত ১১ টায় বাসায় ফিরলাম। ফিরার পথে লক্ষ করলাম মসজিদগুলোতে  একটি করে লাইট জ্বলছ্‌   ভিতরে একটি লোকও নেই বাইরে তালা মারা। আশ্চর্য হলাম এমন একটি বিশেষ দোয়া কবুলের রাতে একটি মানুষও মসজিদে নাই। এবং কোন আলোচনা নেই, দোয়াও নেই। চিন্তা করলাম মুসলমানরা কতটা গাফেল হয়ে গেছে।  কোথায় এই রাতে বেশি বেশি তওবা-ইস্তেগফার ,দোয়া,মিলাদ শরীফ পড়বে,বেশি বেশি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ডাকবে, অর্থাৎ ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকবে । কিন্তু সেটা না  করে অনেকে ঘুমাচ্ছে আবার অনেকের বাসার টিভির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ

অথচ এই দিনে যারা বেশি বেশি দোয়া- খায়ের করবে,  জিকির-ফিকির করবে, মহান আল্লাহ পাক তাকে কুদরতিভাবে রিযিক বৃদ্ধি করে দিবেন। গুনাহ মাফ করবেন।  মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি দান করবেন। প্রতিটি বিশেষ রাতেই মহান আল্লাহ পাক তিনি এভাবে বান্দা-বান্দীকে উনার নিয়ামত মুবারক দান করেন। (সুবহানাল্লাহ)

কিন্তু মুসলমানরা তাদের দ্বীন সম্পর্কে যথেষ্ট গাফেল।যার কারণে সংসারে অভাব অনটন,ফেতনা- ফ্যাসাদ অশান্তিসহ বিভিন্ন সমস্যা ও যুলুমের শিকার হতে হচ্ছে। যদি তারা গাফেল না থাকতো তাহলে আজকে মুসলমানদের এভাবে মার খেতে হতনা। যেহেতু অধিকাংশ মুসলমান দ্বীন সম্পর্কে ইলম কম তাই যারা ইমাম সাহেব রয়েছেন তাদের উচিৎ হবে মসজিদে মসজিদে শরিয়তের হুকুম-আহকাম ও আমল সম্পর্কে বেশি বেশি আলোচনা করা। তাহলে মুসলমানরা জেনে আমল করতে পারবেন। মহান আল্লাহ পাক আমাদের বেশি বেশি জেনে আমল করার তওফিক দান করুন। আমিন

 

 

 

 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+