আসলে এটা শুধু একটি অমুসলিম জাতি নয়।


সকল প্রকার বিধর্মী বিজাতী কাফির মুশরিক গং তাদের ধর্ম পালনে, তাদের কালচার পালনে, তাদের সংস্কৃতি লালনে কোনপ্রকার কমতি বা গাফলতি করেনা। অর্থাৎ তারা এতই গুমরাহ পথভ্রষ্ট যে, তারা কখনোই সোজা সরল পথ পেলেও তাদের গুমরাহীতেই তারা নিমজ্জিত থাকবে। এ বিষয়টা আবারো প্রমানিত হলো, সম্প্রতি সৌদী ওহাবী বাদশাহ’র ইন্দোনেশিয়া ভ্রমনে। খবরে প্রকাশ, সৌদী ওহাবী বাদশাহ ইন্দোনেশিয়া আসার কারনে জাকার্তার সকল প্রানীর মুর্তি ভাস্কর্যগুলো লতাপাতা আর কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। কিন্তু বাদশাহ একই দেশের পর্যটন এলাকা বালি দ্বীপে গেলে সেখানকার হিন্দু মুশরিক কর্র্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দেয়, তারা বালির বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত নগ্ন, অর্ধনগ্ন নারী দেবীর মুর্তি ভাষ্কর্যগুলো জাকার্তার ন্যায় ঢেকে রাখবে না। কারন হিসেবে তারা বলেছে, সৌদী বাদশাহর পক্ষ থেকে এগুলো ঢেকে রাখার কোন অনুরোধ তারা পায়নি যে তার সম্মানে এগুলো ঢেকে রাখতে হবে। বরং এসব মুর্তি ভাস্কর্য হলো হিন্দু মুশরিকদের পুজনীয় সম্মানিত। এগুলো বালির হিন্দু মুশরিকদের ঐতিহ্য সংস্কৃতির অংশ। তারা এসবকে বরং সারাবিশ্বের পর্যটকদের জন্য তুলে ধরতে চায়। এমনি ছিলো হিন্দু অধ্যূষিত বালির হিন্দু মুশরিক কর্র্তপক্ষের বিবৃতি।

হে মুসলমান! এবার একটু আবারো চিন্তাফিকির করে দেখুন! হিন্দু মুশরিক বিধর্মী বিজাতীরা তাদের ধর্ম কৃষ্টি কালচার যতই অসভ্য নোংরা অশ্লীল হোক না কেনো সেগুলো পালনে, ধরে রাখার বিষয়ে কত বেশী সচেতন সতর্ক ! অথচ, মুসলমানদের সামনে পরিস্কার কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ থাকার পরও, পরিস্কার শরয়ী বিধান থাকার পরও দ্বীন ধর্ম, তাহজিব তামাদ্দুন কৃষ্টি কালচার, ঐতিহ্য সংস্কৃতি লালন পালনে, প্রচার প্রসারে, আমলে বাস্তবায়নে কতটুকু সতর্ক সচেতন রয়েছে? বরং মুসলমানরা দ্বীন ধর্মকে ছেড়ে দিচ্ছে। মুসলমানরা তাদের সুসভ্যতাকে ভুলে গেছে। মুসলমানরা তাদের ঐতিহ্যকে হারিয়ে ফেলেছে। মুসলমানরা পরকালকে ভুলে দুনিয়াকে গ্রহন করেছে। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক! যার কারনেই আজ মুসলমানদের চোখের সামনেই, গুটিকতক হিন্দু মুশরিক বিধর্মী বেজাতী গং রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম বাদ দেয়ার চক্রান্ত করছে। মুসলমানদের চোখের সামনেই রাস্তার মোড়ে মোড়ে এমনকি এখন আদালতের সামনেই মুশরিক দেবী মুর্তির ভাস্কর্য গড়া হচ্ছে। এখনো যদি নিজেদের মুসলমানগণ সম্মিলিতভাবে সচেতন সতর্ক হয়ে, মুসলমান তাদের ইতিহাস ঐতিহ্যকে তুলে না ধরে, মুশরিকী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে না তুলে তবে অচিরেই মুসলমানদের মুসলমানিত্বকেও বিসর্জন দিতে হবে বলে আশঙ্কা হচ্ছে। নাউযবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে