আহলান সাহলান, ত্বলায়াল ত্বলায়াল সাইয়্যিদে শাহরুল আ’যম, মহা-পবিত্র শাহে রবীউল আউওয়াল শরীফ “শাহরুল আ’যম ইলাহী রহম খুশির সাগর করে উত্তাল, তাশরীফ এনে ধন্য করেন হাবীবে ইলাহী নূর কামাল”


সুবহানাল্লাহ! কুল-কায়িনাতের বছরব্যাপী অধীর অপেক্ষার অবসান ঘটাতে যাচ্ছেন শাহরুল আ’যম মহাপবিত্র মাহে রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার উদ্ভাসিত চন্দ্র মুবারক। দিকে দিকে আনন্দ উৎসব তথা পবিত্র মীলাদ শরীফ, দুরূদ শরীফ, তাছবীহ তাহলীল, মুনা;জাত শরীফ, দান খয়রাত ইত্যাদির ধুম পড়েছে। কারণ, এই মহাসম্মানিত মকবুল মাসেই দুনিয়ার যমীন তথা কুল-কায়িনাত উজাল করে পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মাঝে তাশরীফ এনেছেন সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, শাফিউল মুজনিবীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বলঅর অপেক্ষা রাখে না সবচাইতে পছন্দনীয় মাস উনাকেই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সবচাইতে সম্মানিত মাহবুব পাক উনার তাশরীফ আনয়নের জন্য নির্ধারণ করেছেন। মূলত, এই কারণেই সমস্ত মাসের মধ্যে সাইয়্যিদ, আফজল, আ’যম, আকবর হয়ে গেলেন মহাপবিত্র মহাপবিত্র মাহে রবীউল আউওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, প্রত্যেক মুসলমান তিনি যে দেশের যে প্রান্তের হোন না কেন সকলের জন্য ফরয ওয়াজিব এই মহান সম্মানিত মর্যদাবান মাস উনার তাযীম তাকরীম করার জন্য সাবির্কভাবে নেমে পড়া। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক সর্বক্ষেত্রেই এই সুমহান সম্মানিত মাস উনার শানে করণীয় কাজগুলো যথাযথভাবে আঞ্জাম দিতে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল উনাদেরকে উদ্যোগী হতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই মহান উপলক্ষে প্রতিক্ষেত্রে শরীয়তসম্মত সর্বোচ্চ ঈদ বা খুশি উদযাপন করাটাই হচ্ছে প্রধান দায়িত্ব কর্তব্য। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি কুল-কায়িনাতের সকলকে সুমহান সম্মানিত মাস উনার গুরুত্ব অনুধাবনে মশগুল হবার তাওফীক দান করুন। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে