ইদানীং পূজা নিয়ে সরকারের এত মেতে উঠার কারণ কি?


বাংলাদেশে শতকরা মাত্র প্রায় ১.৫ ভাগ হিন্দুর বাস। প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় সাধ্যাতীত আস্ফালন করা হয় এ পূজা নিয়ে। এক সপ্তাহ ঢাক-ঢোলের আওয়াজে অতিষ্ঠ করে রাখে পূজামন্ডপ এলাকা। হারাম পূজার প্রসাদ বিতরণ করে মুসলমানগণের মধ্যেও। সরলপ্রাণ সাধারণ মুসলমানগণ না বুঝে এ হারাম পূজায় চাঁদা দিয়ে থাকে। এরপর রয়েছে সরকারি অনুদান। দেশের মাত্র প্রায় ১.৫ ভাগ লোক যদি তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এতো সুযোগ-সুবিধা পায়, তাহলে ৯৮ ভাগ লোক তাদের দ্বীনি অনুষ্ঠানে কতো সুযোগ পাওয়ার হক্বদার। হিন্দুরাই কি জোট সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে? পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের ৫ মিনিট আযানের শব্দ সহ্য হয় না, বিধায় আযানে মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ। পুরা সপ্তাহ ধরে মুসলমানগণ কি করে ঢাক-ঢোলের অসহ্য শব্দ দূষণ মেনে নিচ্ছে। মজলুম মুসলমান জনসাধারণের। পবিত্র রোযায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকে, সকল ঈদের শ্রেষ্ঠ ঈদ, নূর নবীজী উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ, পবিত্র ঈদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে মাত্র ১ দিনের দায়সারা ছুটি দেয়া হয়। আর এই অনুষ্ঠানে অনুদান তো অকল্পনীয়! এ তারতম্য ও হিন্দুদের তোয়াজ করার কি উদ্দেশ্য? মাত্র প্রায় ১.৫ ভাগ হিন্দুর ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুসলমানগণ কেন ছুটি ভোগ করবে? তাদেরকে কি তাহলে পূজায় অংশগ্রহণের জন্য এ ছুটি দেয়া হচ্ছে? ঈদের সময় মুসলমানগণের ছুটিটা বৃদ্ধি করা উচিত ছিল এবং পবিত্র ঈদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছুটি অবশ্যই বাড়াতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে