ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি যদি দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন, তাহলে অবশ্য অবশ্যই নবী ও রসূল হিসেবে প্রকাশিত হতেন তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ হুবহু ক্বায়িম-মাক্বাম নবী ও রসূল হিসেবে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে অবস্থান মুবারক করতেন


ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি যদি দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন, তাহলে অবশ্য অবশ্যই নবী ও রসূল হিসেবে তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ হুবহু ক্বায়িম-মাক্বাম নবী ও রসূল হিসেবে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে প্রকাশিত হতেন। সুবহানাল্লাহ! এই সম্পর্কে সম্মানিত ছহীহ সনদ মুবারক-এ অনেক সম্মানিত হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। যেমন ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম উনার শান মুবারক-এ ‘ছহীহ বুখারী শরীফসহ আরো অন্যান্য বিশুদ্ধ হাদীছ শরীফ উনাদের কিতাব মুবারক’ উনাদের মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اِسْـمَاعِيْلَ بْنِ اَبِىْ خَالِدٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ قُلْتُ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ اَبِىْ اَوْفٰى رَضِىَ الله تَعَالـٰى عَنْهُ رَاَيْتَ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمَ ابْنَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَليْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَاتَ وَهُوَ صَغِيْرٌ وَّلَوْ قُضِىَ اَنْ يَّكُوْنَ بَعْدَ سَيّـِدِنَا مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِىٌّ لَّعَاشَ ابْنُهٗ وَلٰكِنْ لَّا نَبِىَّ بَعْدَهٗ অর্থ: “হযরত ইসমাইল ইবনে আবূ খালিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবূ আওফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বললাম, আপনি কি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ (হযরত ইবরাহীম) আলাইহিস সালাম উনাকে দেখেছেন? তিনি বললেন, (হ্যাঁ, দেখেছি।) ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি (দুনিয়াবী দৃষ্টিতে) অল্প বয়স মুবারক-এ মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর নবী হওয়ার (নবী ও রসূল হিসেবে প্রকাশ হওয়ার) কোনো (কুদরতী) ফায়সালা থাকতো, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি অবশ্যই দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু ফায়সালা তো হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর আর কোনো নবী হবেন না, কেউ নবী হিসেবে প্রকাশ হবেন না। (তাই ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি (দুনিয়াবী দৃষ্টিতে) অল্প বয়স মুবারক-এ মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন।) সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মুখতাছার, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ) আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ اَبِىْ خَالِدٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ سَـمِـعْتُ ابْنَ اَبِىْ اَوْفـٰى رَضِىَ الله تَعَالـٰى عَنْهُ يَقُوْلُ لَوْ كَانَ بَعْدَ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِىٌّ مَّا مَاتَ ابْنُهٗ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ. অর্থ: “হযরত ইবনে আবূ খালিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবূ আওফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বলতে শুনেছি, যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর নবী বা রসূল হওয়ার ব্যবস্থা থাকতো, তাহলে ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করতেন না।” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদে আহমদ ৩১/৪৫৪, কাশফুল খফা ২/১৫৭, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ শরীফ ১১/২৫ ইত্যাদি) আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنِ السُّدِّىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قُلْتُ لِاَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ كَمْ بَلَغَ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ ابْنُ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قَدْ كَانَ غُلَامًا بِالْـمَهْدِ وَلَوْ بَقِىَ لَكَانَ نَبِيًّا وَّلٰكِنْ لَّـمْ يَبْقَ لِاَنَّ نَبِيَّكُمْ اٰخِرُ الْاَنْبِيَاءِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. অর্থ: “হযরত ইমাম সুদ্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, আমি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহু উনাকে সুওয়াল করেছিলাম যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বয়স মুবারক কতো ছিলেন? তিনি বললেন, তিনি ছিলেন উনার মহাসম্মানিতা মাতা উম্মুলমু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ ‘আশার (হযরত মারিয়াহ ক্বিবতিয়াহ) আলাইহাস উনার সম্মানিত কোল মুবারক উনার শিশু। যদি তিনি দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন, তাহলে তিনি অবশ্যই নবী তথা রসূল হতেন। অর্থাৎ উনার সম্মানিত রিসালতী শান মুবারক প্রকাশ হতো। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু তিনি দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক না করে মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। কারণ আপনাদের (সমস্ত কায়িনাতের) নবী-রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সর্বশেষ নবী। (উনার পরে যেহেতু আর কেউ নবী বা রসূল হবেন না, নবী বা রসূল হিসেবে প্রকাশ পাবেন না, তাই সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (ইবনে আসাকির, সুবুলুল হুদার ওয়ার রশাদ শরীফ ১১/২৫) আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ لَمَّا مَاتَ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ ابْنُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلّٰى رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ اِنَّ لَهٗ مُرْضِعًا فِى الْـجَنَّةِ وَلَوْ عَاشَ لَكَانَ صِدِّيْـقًا نَّبِيًّا অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত জানাযার নামায পড়ান। তারপর তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম উনার জন্য সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ একজন সম্মানিতা দুধপানকারিনী রয়েছেন। আর তিনি যদি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ না করে দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন, তাহলে তিনি অবশ্য অবশ্যই ছিদ্দীক্ব শ্রেণীর নবী-রসূল হিসেবে প্রকাশ পেতেন তথা আমার হুবহু পরিপূর্ণ ক্বায়িম-মাক্বাম নবী ও রসূল হিসেবে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন।” সুবহানাল্লাহ! (ইবনে মাজাহ শরীফ, বাইহাক্বী শরীফ) আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ الله تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ عَاشَ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ لَكَانَ صِدِّيْـقًا نَّبِيًّا. অর্থ: “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদি সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ না করে দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন, তাহলে তিনি অবশ্য অবশ্যই ছিদ্দীক্ব শ্রেণীর নবী-রসূল হিসেবে প্রকাশ পেতেন তথা আমার হুবহু পরিপূর্ণ ক্বায়িম-মাক্বাম নবী ও রসূল হিসেবে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন।” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১১/২৫, মুসনাদে আহমদ শরীফ) এরূপ আরো অনেক রিওয়ায়েত রয়েছে। মূল কথা হলো, উপরোক্ত সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের থেকে দিবালোকের ন্যায় অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যে, যদি ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ না করতেন, তাহলে তিনি অবশ্য অবশ্যই ছিদ্দীক্ব শ্রেণীর নবী ও রসূল হিসেবে প্রকাশ পেতেন তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুবহু পরিপূর্ণ ক্বায়িম-মাক্বাম নবী ও রসূল হিসেবে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম উনার যেই হুকুম মুবারক ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনারও ঠিক একই হুকুম মুবারক। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যদি ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ না করতেন, তাহলে তিনি অবশ্য অবশ্যই ছিদ্দীক্ব শ্রেণীর নবী ও রসূল হিসেবে প্রকাশ পেতেন তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুবহু পরিপূর্ণ ক্বায়িম-মাক্বাম নবী ও রসূল হিসেবে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহ! আর যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর আর কোনো নবী বা রসূল হবেন না, কেউ নবী বা রসূল হিসেবে প্রকাশ হবেন না। তাই ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি দুনিয়াবী দৃষ্টিতে অল্প বয়স মুবারক-এ মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল, তা জিন-ইনসান ও তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ! সেটাই মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, এক কথায় ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে আমাদের সবাইকে উনার হাক্বীক্বী মুরীদ হিসেবে কবূল করুন এবং এই জন্য যত পবিত্রতা, ইছলাহী, ইলম, ছহীহ সমঝ, মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের আখাচ্ছুল খাছ তাওয়াল্লুক-নিসবত, মা’রিফাত-মুহব্বত, কুরবত মুবারক, যা কিছু প্রয়োজন তা নছীব করুন। আমীন!
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে