“ইলম ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা জাতি উন্নতি করতে পারে না।আর ইলমের ভাণ্ডার হলেন ‘পবিত্র কুরআন শরীফ”


ইলম হলো আমলের ইমাম। তাহলে ইলমের গুরুত্বটা কতটুকু? ইলম ছাড়া কি কোনো আমল হতে পারে? এজন্য নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলম অর্জনের উপর এতো তাগিদ দিয়েছেন। ইলমকে করেছেন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আলিমের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও মূল্যবান”। কিন্তু হায়! আজ মুসলমানগণই ইলম অর্জনে পিছিয়ে। মুসলমানগণ যখন ইলমে অগ্রগামী ছিল তখন তারা বিশ্ব শাসন করেছেন। মুসলমানগণই ছিলেন বিশ্বের একমাত্র বিশ্বশক্তি। ইলম উনার ভান্ডার হলেন পবিত্র কুরআন শরীফ। মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ অধ্যায়ন করতো এবং তা আমল করতো। মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ এড়িয়ে চলে যা কিছু জ্ঞানার্জন করে তা বস্তাপচা পাশ্চাত্যের খুদ-কুড়া। অথচ তারাই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বেশি গবেষণা করছে এবং এই শক্তি বলে পৃথিবীর পরাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।তাই আসুন, আমরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার জ্ঞান অর্জন করি, যা আল্লাক পাক ও উনার রাসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ নির্দেশ মুবারক।

3 Shares

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে