ইসলামী আক্বীদা এবং উনার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,” যে দেখো, কুফরী করলে কোন রেহাই নেই। কুফরী করার পর যদি মারা যাও যমীন থেকে আসমান পরিমাণ স্বর্ণও যদি কাফফারা দাও, যেটা তোমাদের পক্ষে কখনও সম্ভব নয় তারপরেও যদি তোমরা দাও সেটা কিন্তু গ্রহণ করা হবে না।” খুব ফিকির করতে হবে। মুসলমানকে মুসলমান হিসেবে ফিকির করতে হবে। একজন মুসলমানের জন্য ইসলামের যে বিষয়টা রয়েছে সেটা তাকে ফিকির করতে হবে। একটা শিখ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট হয়, তাদের জেনারেল হয়, তাদের বড় বড় হর্তা কর্তা হয়ে থাকে, সে কিন্তু তাদের কথিত পাগড়ী খোলে না। তাদের কথিত পাগড়ীটা ঠিকই থাকে। একটা কাফির সে। তার হাতের বালাটাও থাকে। তার দাড়িও থাকে। দাড়ি লম্বা হয়ে যায় সেটা কাটে না,  মাথার চুলগুলো মেয়েদের মত হয়ে যায় সেটাও সে কাটে না, বড় করে রাখে। তারপরও সে প্রেসিডেন্ট হতে পারে, তারপরও সে জেনারেল হতে পারে, তারপরও সে তাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব হতে পারে। তাহলে মুসলমানগণ কেন পারবে না। একটা শিখ যদি কুফরী ধর্মের মধ্যে থেকে সেটা করে, কেন সে সেটা করে, সেটার কারণও সে বলে থাকে।
শিখরা কেন দাড়ি রাখে, কেন চুল লম্বা রাখে, কেন তারা তাদের কথিত পাগড়ী পরে, কেন তারা তাদের হাতে বালা পরে থাকে? তারা বলে থাকে যে, মুসলমানদের রক্ত দিয়ে গোসল না করা পর্যন্ত তারা সেটা কাটবেওনা, খুলবেও না। নাউযুবিল্লাহ! এ তো বড় শক্ত কুফরী কথা বলার পরও তাদেরকে কেউ কিন্তু বাধা দেয় না, তারা কিন্তু সেটা করে যাচ্ছে।

তাহলে মুসলমানদের পাগড়ী কোথায় গেলো, মুসলমানের দাড়ি গেলো কোথায়, মুসলমানের লম্বা কোর্তা কোথায় গেলো, এটা ফিকির করতে হবে। এটা কিন্তু মুসলমানেরা ফিকির করেনা। খুব সূক্ষ্ম বিষয়, ঈমান বিশুদ্ধ করতে হবে। ঈমান শুদ্ধ করতে হবে। এটা ফিকির করতে হবে। কুফরী করে মারা গেলে, যমীন থেকে আসমান পরিমাণ কাফফারা দিলেও তা কবুল হবে না; তা স্বর্ণ কেন তা সহ আরো কিছু দিলেও সেটা কিন্তু কবুল হবে না। তাকে জাহান্নামে যেতে হবে। এখান থেকে কেউ রেহাই পাবে না।

কাজেই, এটা ফিকির করতে হবে, একজন মুসলমানকে অবশ্যই মুসলমান হিসেবে থাকতে হবে। একজন মুসলমান যখন মুসলমান হিসেবে থাকতে পরবে, তখনই সে কামিয়াব হবে। প্রত্যেকটা আমলের মধ্যে, আখলাক্বের মধ্যে। একটা হিন্দু সে ঠিকই ধূতী পরে ঘুরে, তাহলে মুসলমানের লম্বা কোর্তাটা কোথায় গেলো? এখন লম্বা কোর্তা পরলে, পাগড়ী পরলে, দাড়ি রাখলে এটা বলে থাকে ব্যাকডেটেট। নাউযুবিল্লাহ!

কিন্তু এটা মুসলমানগণ ফিকির করে না। এ বিষয় মুসলমানদের ফিকির করতে হবে। অর্থাৎ আমাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ রাখতে হবে।  আক্বীদা শুদ্ধ  না থাকলে ঈমান থাকবেনা। মহান আল্লাহ পাক আমাদের ঈমান হিফাজত করুন। আমিন

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে