ইসলামী শরীয়ত উনার ফায়সালা হলো- হিন্দুদের পূজামণ্ডপে সরকারি-বেসরকারিভাবে যে কোনো মুসলমানের জন্য যাওয়া ও সাহায্য করা, পূজা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা, আনন্দ উপভোগ করা, প্রসাদ খাওয়া, এমনকি পূজার মেলায় যাওয়া ও জিনিস কেনাকাটা করাও সম্পূর্ণরূপে হারাম এবং কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের সাথে মিল মুহব্বত রাখবে, তারা সেই সমস্ত কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে কাজেই কোনো মুসলমান যেনো কোনো অবস্থাতেই পূজা সংশ্লিষ্ট কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হয়।
হিন্দুদের পূজার ক্ষেত্রে মুসলমানদের কিরূপ আক্বীদা রাখা ও আমল করা কর্তব্য তা অধিকাংশ মুসলমান জানে না। এমনকি মুসলিম দেশের সরকাররাও জানে না। আর ধর্মব্যবসায়ী মৌলানা-মুফতেরাও তাদের ধর্মব্যবসা জারি রাখার লক্ষ্যে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সঠিক মাসয়ালাসমূহও জানাচ্ছে না।, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্যে যারা কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের সাথে মিল মুহব্বত রাখবে, তারা সেই সমস্ত কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে সে তাদের দলভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।”
, সরকারিভাবে অথবা বেসরকারিভাবে মুসলমান হয়েও যারাই পূজার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে, পূজায় সাহায্য করে, আনন্দ উপভোগ করে, প্রসাদ খায়, পূজার মেলায় যায় ও জিনিস কেনাকাটা করে তাদের খাছ তওবা করা উচিত। কারণ পূজার জন্য কোনো প্রকার সাহায্য করা, পূজার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা, আনন্দ উপভোগ করা, প্রসাদ খাওয়া এমনকি পূজার মেলায় যাওয়া ও কেনাকাটা করা অর্থাৎ পূজা সংশ্লিষ্ট যে কোন কাজে, যে কোনোভাবে শরীক থাকা প্রকৃত পক্ষে পূজা করারই নামান্তর। নাঊযুবিল্লাহ!

, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মশহুর ‘পবিত্র সূরা কাফিরূন শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমাদের দ্বীন আমাদের জন্য।” কাজেই যারা বলে থাকে যে, মুসলমানরা হিন্দুদের পূজায় যাবে এবং হিন্দুরা মুসলমানদের ঈদে আসবে-

সে কথা সম্পূর্ণরূপে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিরোধী হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। আর বাস্তবে মুসলমানরা তাদের অজ্ঞতার জন্য হিন্দুদের পূজায় গেলেও কোনো হিন্দুই মুসলমানদের সাথে শবে বরাত, শবে ক্বদর ইত্যাদি মুসলমানদের অনুষ্ঠানে মসজিদে যায় না এবং যাবেও না। এখানে স্মরণীয় যে, বিধর্মীরা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শরীক হলেও মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদের কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শরীক হওয়া জায়িয নেই।
মূলকথা হলো
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইহুদীদের পরেই, হিন্দুদেরকে মুসলমানদের শত্রু বলেছেন এবং তাদের প্রতি মুসলমানদের সতর্ক মনোভাব পোষণের কথা বলেছেন। কাজেই হোক সরকারি অথবা হোক বেসরকারি কোনো মুসলমানের জন্যই হিন্দুদের পূজা অনুষ্ঠানে যাওয়া, অংশগ্রহণ করা, সাহায্য করা, আনন্দ উপভোগ করা, পূজার মেলার জিনিস কেনাকাটা করা, প্রসাদ খাওয়া

সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী। অতএব, মুসলমান মাত্রই সকলকে সর্বপ্রকার হারাম ও কুফরী কাজ থেকে বেঁচে থাকা ফরজ-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।

 

 

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. খুব সুন্দর পোষ্ট দিলেন সময় উপযোগী খুব ভাল হইছে Rose
    পোষ্টি ইস্টিক করা হোক নিবাচিত করা হোক.
    পোষ্টি ইস্টিক করা হোক নিবাচিত করা হোক.
    পোষ্টি ইস্টিক করা হোক নিবাচিত করা হোক

  2. কুমিল্লাবাসী আপনার সাথে আমিও এক মত
    পোস্টি নির্বাচিত করা হোক
    পোস্টি নির্বাচিত করা হোক
    পোস্টি নির্বাচিত করা হোক Announce

  3. সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী। অতএব, মুসলমান মাত্রই সকলকে সর্বপ্রকার হারাম ও কুফরী কাজ থেকে বেঁচে থাকা ফরজ-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।

  4. সরকারিভাবে অথবা বেসরকারিভাবে মুসলমান হয়েও যারাই পূজার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে, পূজায় সাহায্য করে, আনন্দ উপভোগ করে, প্রসাদ খায়, পূজার মেলায় যায় ও জিনিস কেনাকাটা করে তাদের খাছ তওবা করা উচিত।
    আর পোষ্টা নির্বাচিত করার জন্য অনুরুদ রইলো Rose

    • আহমদ মুঈনউদ্দীন চিশতিআহমদ মুঈনউদ্দীন চিশতি says:

      আর পোষ্টা নির্বাচিত করার জন্য অনুরুদ রইলো, তো লেখছেন ভাই কিন্ত মডারেট ভাইরাতো
      নির্বাচিত করেন না .
      আর আপনাকে কমেন্ট করার জন্য জানাই মুবারক বাদ Rose Island

  5. আল ফুরকান says:

    পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইহুদীদের পরেই, হিন্দুদেরকে মুসলমানদের শত্রু বলেছেন ,,, তার পরেও কী ভাবে হিন্দু নাপাকদের কাছে মুসলমানরা যাইতে পারে ?
    না কোন অস্বাতাতেই যাওয়া যাবেনা ..তা থেকে সবাইকে বেচেয় থাকতে হবে তা না করলে কঠিন
    অস্বস্তা সমমুখখিন হতে হবে,,,,

  6. হিন্দুদের পূজার ক্ষেত্রে মুসলমানদের কিরূপ আক্বীদা রাখা ও আমল করা কর্তব্য তা অধিকাংশ মুসলমান জানে না। এমনকি মুসলিম দেশের সরকাররাও জানে না। আর ধর্মব্যবসায়ী মৌলানা-মুফতেরাও তাদের ধর্মব্যবসা জারি রাখার লক্ষ্যে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সঠিক মাসয়ালাসমূহও জানাচ্ছে না??
    আর উলামায়েছুদের হাকীকত বেশী করে আম মানুষকে জানাইতে হবে আমাদের সবাইকে
    আর
    আম পাবলিক যেন তাদের আসল হাকীকত জানতে পারে তাদের কাছথেকে দুরে থাকতে পারে….
    লেখাটা খূব সুন্দর হইছে ধন্যবাদ Rose Rose

  7. কুমিল্লাবাসী*
    আবূ ইয়াকুব রাসেল*
    আহমদ বেলাল হুসাইন খান *

    আপনাদের সাথে আমিও সহমত

    পোষ্টি ইস্টিক করা হোক নিবাচিত করা হোক
    পোষ্ট নির্বাচিত করা হোক নির্বাচিত করাহোক

  8. হিন্দুদের পূজার ক্ষেত্রে মুসলমানদের কিরূপ আক্বীদা রাখা ও আমল করা কর্তব্য তা অধিকাংশ মুসলমান জানে না। এমনকি মুসলিম দেশের সরকাররাও জানে না। আর ধর্মব্যবসায়ী মৌলানা-মুফতেরাও তাদের ধর্মব্যবসা জারি রাখার লক্ষ্যে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সঠিক মাসয়ালাসমূহও জানাচ্ছে না।

  9. সূচনাসূচনা says:

    সত্য কথা কইছেন. এক দম, ধন্যবাদ Rose Rose

  10. কুতুব পুরকুতুব বাগ says:

    সুন্দর লেখা দিছেন যা নাকী সময়সাময়ীক পোয়োজন মূলক পোষ্ট…..
    Rose Dead Rose

  11. আহমদ মুঈনউদ্দীন চিশতিআহমদ মুঈনউদ্দীন চিশতি says:

    আপনাদের সকলকে কমেন্ট করার জন্য জানাই আন্তরিক ভাবে মুবারক বাদ
    Rose Rose Rose

  12. রাতের তারারাতের তারা says:

    কোন মুসলমান যদি তার মুসলমানিত্ব টিকিয়ে রাখতে চাই অবশ্যই তাকে নাপাক,নোংরা,অস্পৃশ্য,যবন হিন্দুদের মদ,জুয়া আর বেশ্যাবৃত্তির স্থান পূজামন্ডপে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।আর এই নোংরা কাজে যারা আর্থিক সহযোগিতা করবে তাদের হাশর নশরও নাপাক হিন্দুরে সাথে হবে।

    পোস্টকারী ভাইকে মুবারকবাদ। চালিয়ে যান। এধরনের পোস্ট বিশেষ প্রয়োজন। Rose Rose Rose

  13. এখন মুসলমান আর মুসলমান নেই। তারা এখন মানুষ হয়ে গেছে। তাদের কাছে ইসলামের চেয়ে অন্য ধর্মই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

  14. কন ফারেন্স ১৩কন ফারেন্স ১৩ says:

    পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মশহুর ‘পবিত্র সূরা কাফিরূন শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমাদের দ্বীন আমাদের জন্য।” কাজেই যারা বলে থাকে যে, মুসলমানরা হিন্দুদের পূজায় যাবে এবং হিন্দুরা মুসলমানদের ঈদে আসবে-
    সে কথা সম্পূর্ণরূপে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিরোধী হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
    তা তেথে বেচে থাকা সকল মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব কর্তব্য

  15. আমজাদআমজাদ says:

    “ যারা নাপাক কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের সাথে মিল মুহব্বত রাখবে, তারা সেই সমস্ত কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হবে

  16. কাউছার পুর ১৯কাউছার পুর ১৯ says:

    আয় বারে ইলাহি আমাদের কে নাপাক হিন্দুদের কাছ থেকে হিফাজত করুন …আমিন Rainbow

  17. কাশ্মিরী ফুল says:

    হিন্দুদের পূজায় হিন্দুদের জন্যই ‘সার্বজনীন’ বলে প্রচারণা চালানোর অপচেষ্টা করা কাট্টা কুফরী হবে ,,,,
    তা থেকে বাচতে হবে সাইকে..সাবধান Announce Announce

  18. অচিন পুর ২৯অচিন পুর ২৯ says:

    Announce Announce সরকারের অচিৎ মাত্র ২% হিন্দুদের পূজায় এত টাকা খরচ না করে ৯৭%মুসলমানদের পবিত্র মহান কুরবানী শরীফ উনাকে উপলক্ষে সাহাজ্জ সহো জোগিতা করা যা সরকারের দায়ীতো করত্ব বটে
    যাদের টাকা সরকার চলে তাদের খবর না নিয়ে মাত্র ২ % মানুষের খবর নিচ্ছে ..যা নাকী সারকার কে কঠিন জাবাব দিতে হবে ???

  19. অচিন পুর ভাই আপনি ঠিক বলছেন মাত্র২ ভাগ নাপাকদের লাইগা সরকার পাগল হইয়া গেছে
    আমরা ৯৭ ভাগ সুমলমানের কোন খবর নাই,,, মালিকের খাবার খায় আর কাজ করে আরেক জনের Announce Announce

  20. আহমদ says:

    আর কত বোবা হয়ে থাকবে মুসলমান জাগো জাগো নিযের অধিকার আদায় কর আর ঘুমাইয়া থা্ইকো না ঘুম জাগো….

  21. পোষ্ট নির্বাচিত করার জন্য মডারেটার ভাইদের জানাই শুকরান জাজিরান Rose

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে