ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী যবন ঠাকুর কবির মুখোশ উন্মোচন! প্রত্যেক সচেতন মুসলমানের জন্য যা জানা জরুরী বটে!-৪


কাট্টা যবন ঠাকুর কবি কিভাবে মডারেট মুসলমান বানানোর কু-শিক্ষা দিচ্ছে দেখুন। সে লিখেছে, ‘আশ্চর্য, এই মুসলমান বাড়ীর আট মহলার এক মহলে আছে শিবের মন্দির আর হিন্দুয়ানীর সমস্ত ব্যবস্থা।“ নাউজুবিল্লাহ! প্রিয় পাঠক! আসলে কি কোন ধর্মপ্রান ঈমানদার মুসলমানদের বাড়ীর ভিতর কোন মুশরিক দেব-দেবীর মুর্ত্তি বা মন্দির থাকতে পারে? কষ্মিনকালেও পারেনা তবে কেন যবন ঠাকুর কবি তার অপন্যাসের মাধ্যমে উপস্থাপন করলো যে মুসলমানের বাড়ীতে হিন্দুয়ানীর সমস্ত ব্যবস্থা আছে। আসলে ইহুদী মুশরিক নাছারা গং যুগ যুগ ধরে মুসলমানদেরকে ঈমানহারা আমলহারা করার যে সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত করেছিলো তারই ধারাবাহিকতায় যবন ঠাকুর কবি মুসলমানদেরকে হিন্দু মুশরিকদের সমগোত্রীয় জাত ভাই হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলো। নাউজুবিল্লাহ! একারনেই যবন ঠাকুর কবি অন্যত্র বলেছে-‘তখনকার বংশীয় মুসলমানেরা র্ধমনিষ্ঠ হিন্দুকে শ্রদ্ধা করতো!‘  নাউজুবিল্লাহ! আরেক কুফরীমূলক অপবাদ অর্থা’ৎ যবন ঠাকুরের মতে বংশীয় মুসলমান তারাই যারা কাট্টা মুশরিক হিন্দুদেরকে শ্রদ্ধা করে। নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক! অথচ, মুসলমানদের জীবন বিধান পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর অসংখ্য অগনিত জায়গায় যারা মুশরিক বেঈমান তাদের সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক না রাখার জন্য আদেশ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে নাপাক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদেরকে সম্মান শ্রদ্ধা করলে আল্লাহ পাক রব্বুল ইজ্জত উনার আদেশ মুবারককে অবজ্ঞা উপেক্ষা করা হয়। এটা কি কোন সম্ভ্রান্ত বংশীয় মুসলমান তাদের পক্ষে কখনো সম্ভব? মূলত; যবন ঠাকুর তার এ জাতীয় গল্প কবিতা অপন্যাসের মাধ্যমে উপমহদেশের মুসলমানদেরকে কুট-কৌশলে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছে মাত্র। তার কুটচালের কাছে ঐ সমস্ত নামধারী মুসলমানরাই বিভ্রান্ত হয়েছে যারা আজ দ্বীন ইসলামের তর্জ-তরীকা ঐতিহ্য ছেড়ে দিয়ে যবন ঠাকুর কবির মুশরিকী ঐতিহ্যে বিভোর রয়েছে। নাউজুবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. সুন্দর পোস্ট। যবন ঠাকুরের আরো মুখোশ উন্মোচন করা হোক।

  2. উদীয়মান সূর্যউদীয়মান সূর্য says:

    Sun ধারাবাহিক পোস্ট এর জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ Coffee

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে