ইসলাম প্রচারের নামে অশ্লীলতা প্রচার করছেন না তো ?


কিছু কিছু মানুষের টাইমলাইনে ঢুকলে আপনি ভয় পেয়ে যাবেন।

পুড়ো টাইমলাইন ইসলামীক পোস্ট সমৃদ্ধ, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মশহূর ঘটনায় পরিপূর্ণ, প্রতিটি ঘটনার সাথে সাথে রয়েছে উনাদের কাল্পনিক ছবিও।
ছবি দেখে বুঝার উপায় নেই, পোস্টের মাধ্যমে কি ইসলাম প্রচার হচ্ছে নাকি অশ্লীলতা(?)
পোস্টের like দেখেও বুঝার উপায় নেই, মানুষ কি পোস্ট পড়ে লাইক দিলো নাকি ছবি দেখে?
কমেন্ট বক্সে সুবহানাল্লাহ, আমিন এরও কমতি নেই।
অথচ কেউই বলছে না, এসব উলঙ্গ, অর্ধনগ্ন ছবি দিয়ে দ্বীনের প্রচার নয় বরং মানুষের চোখ জুড়ানো হচ্ছে, সঠিক দ্বীন ইসলাম থেকে মানুষকে বিমুখ করা হচ্ছে।

সুলতান সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময়ের ঘটনা,

তিনি যখন যুদ্ধের ময়দানে যেতেন , সে সুযোগে খ্রিষ্টানরা মিশরে বিভিন্ন ধরনের নাশকতা চালাতো। প্রতিবার-ই সুলতান সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সে নাশকতা বন্ধ করতেন। কিন্তু যখন সুলতান কার্ক জয়ের জন্য মিশর ত্যাগ করলেন তখন খ্রিষ্টানরা নতুন ফন্দি আটঁলো, মুসলিম যুবকদের ধর্মীয় চেতনা ধ্বংস করতে খেলাধুলার নাম দিয়ে রং বেরঙের এর তাবু খাটিয়ে শামিয়ানা ঝুলালো। বাহ্যিকদৃষ্টিতে কেউ আপত্তিকর মনে করতো না। শামিয়ানার ভিতরে ছোট ছোট তাবুতে আলাদা আলাদাভাবে যুবকদের নিয়ে যাওয়া হতো। এবং তাদের থেকে ফিস নিয়ে কাপড়ের উপর হাতে আকাঁ অশ্লীল উলঙ্গ নারীর ছবি প্রদর্শন করা হতো।যা দেখে পাথর চরিত্রের মানুষও মোম হয়ে যেত।
মুসলমানদের চরিত্র ধ্বংসে এ ধরনের কার্যক্রম কতটুকু সফল ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পরিস্থিতি এত বেহাল হয়েছিল যে সুলতান আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে কার্ক জয়ের দায়িত্ব উনার শায়েখ হযরত নূর উদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হাতে অর্পণ করে পিছু হটে উনাকে মিশরে ফিরে আসতে হয়েছিল।
এত কিছু জানানোর কারণ হচ্ছে,
কোন বিশেষ সম্প্রদায় যাদের উদ্দেশ্য ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি করা, তারা এসব ছবি আঁকে, প্রচার করে কোটি কোটি টাকা খরচ করে।অথচ নির্বোধ দূর্বল চরিত্রের কিছু মানুষ এগুলো দেখেই নিজের টাইমলাইনে ইসলাম প্রচারের নামে নোংরামি প্রচার করতে থাকে।
তাজমহল বললে যেমন চোখের সামনে তাজমহল ভেসে উঠে, চিড়িয়াখানা বললে যেমন পশু পাখি ভেসে উঠে, তেমনি অর্ধনগ্ন, উলঙ্গ ছবি যুক্ত ইসলামিক পোস্ট যারা পড়ে, তাদের মানসপটেও নবী-রসূল সম্পর্কে সে ধরনের ছবিই আকাঁ হয়ে যায়। যা পরবর্তীতে ইসলাম সম্পর্কে খারাপ ধারণা সৃষ্টি করতে সাহায্য করে।
নাউযুবিল্লাহ
তাই কোন অশ্লীল ছবি পোস্ট করা এবং ঐসব পোস্ট পড়া থেকে বিরত থাকুন। নিজ দায়িত্ব নিজের ঈমান আমল হেফাজত করুন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে