ইহকালে যা উপার্জন করা হয়েছে, পরকালে তাই খরচ করতে হবে। মুফতে কিছু মিলবে না


আমরা এক মাসে যা আয় করি পরবর্তী মাসে তা থেকে ব্যয় করি। কোনো মাসে আয় কম হলে পরবর্তী মাসে কষ্টে জীবন চলে।
মানব জীবনের অন্য দিক ইহজীবন এবং পরজীবনে একই নিয়ম চালু আছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আছে- এই দুনিয়া আখিরাতের শস্য ক্ষেত্র। এখানে ফসল ভাল হলে আখিরাতের জীবনে প্রাচুর্য থাকবে। সব কিছু নিয়মতান্ত্রিক, গোজামিলের স্থান নাই। অথচ এই সহজ বিষয়টি উপেক্ষা করে স্থায়ী পরজীবনের কথা ভুলে বর্তমানের অস্থায়ী জীবন মেতে আছে অধিকাশ মানুষ। পার্থিব জীবনের রিযিকদাতা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে কিন্তু পরকালে শুধু ইহকালের অর্জিত এবং পরকালের জন্য যা কিছু সঞ্চয় করা হয়েছে তাই পাবে এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি খুশি হলে হিসাব ছাড়াই রিযিক পাবে। সুতরাং পরকালের কথা ভুললে চলবে না। পার্থিব জীবনে মহান আল্লাহ পাক উনার পথে প্রচুর ব্যয় করলে বহুগুণ বাড়িয়ে এর বদলা পরকালে দান করা হবে। শুধু এ জীবনে খাই খাই করলে পরকালে নাই নাই শুনতে হবে। বিষয়টি খুবই সহজ শুধু মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে