ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকরা চায় মুসলমানদেরকে ঈমান আনার পর কিভাবে কাফিরে পরিনত করা যায়


দুনিয়ার একমাত্র নাজাতপ্রাপ্ত সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত হলো মুসলমানরা। যাদের দ্বীন ধর্মই হলো আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত পছন্দনীয় সন’ষ্টিপ্রাপ্ত এবং অপরিবর্তনীয়। যেটাকে অনুসরণ-অনুকরণ করে মুসলমানরা জান্নাতী হয়। এ কারণে শুরু থেকেই ইহুদী-নাছারা ও মুশরিক গং চেষ্টা করে আসছে কিভাবে মুসলমানদের ঈমান আখলাক নষ্ট করে তাদেরকে বেঈমান করে দেয়া যায়।

এ কুফরী লক্ষ্যে তারা মুসলমানদের চরিত্র নষ্ট করতে যত প্রকার হারাম কুফরী-শিরকীর আঞ্জাম দেয়া যায় সবই করে যাচ্ছে। কিন্তু  মুসলমানরা এই অপশক্তির চক্রান্তের জালে আটকা পড়ে গেছে। মুসলমানদের জীবন বিধানে খেলাধুলা হারাম, গান-বাদ্য হারাম, টিভি সিনেমা হারাম, ছবি তোলা রাখা দেখা হারাম, দাড়ি মোচ চাছা হারাম, কাফিরদের পোশাক পরিচ্ছদ ব্যবহার করা হারাম, তাদের প্রশংসা করা হারাম ইত্যাদি। অথচ আজকে মুসলমানরা বুকে হাত দিয়ে বলুক তারা কোনো হারাম কাজটা করছে না। তাহলে কি তারা তাদের জান্নাতী দ্বীন ধর্মকে বিসর্জন দিবে। তারা কি মনে করে দুনিয়ার এ জীবনটাই শেষ? তাদেরকে কি পাকড়াও করা হবে না। ঈমান আনার পরও যে বা যারা কুফরীকে গ্রহণ করে তাদেরকে আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তির সম্মুখীন করেই ছাড়বেন।
অতএব, ঈমান আনার পর গান বাদ্য খেলাধুলা নাট্য-সিনেমাসহ যাবতীয় পাপ পঙ্কিলতায় ডুবে থেকে নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবি করা কিছুতেই ছহীহ হতে পারে না। কাফির মুশরিকরা এমন মুসলমানই চায়। নাঊযুবিল্লাহ! মুসলমানদেরকে এখনি সজাগ সতর্ক হতে হবে, কাফির-মুশরিকদের চক্রান্ত তাদেরকে বুঝতে হবে। আশা করি বুঝে শুনে মুসলমান পাপ পঙ্কিলতাতে নিজেদের ডুবিয়ে রাখবে না। কারণ বুঝে শুনে কেউ নিজের ধ্বংস কামনা করে না। আসন্ন সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ-এর মাস পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উপলক্ষে মুসলমানরা নব উদ্যেমে জাগ্রত হোক এই কামনাই করি।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+