ইয়াযীদ সম্পর্কে শরয়ী ফায়সালা


কোনো কোনো উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মতে, ইয়াযীদ চরম ফাসিক। তবে খাছ ফতওয়া মতে, ইয়াযীদ কাট্টা কাফির। কারণ তার নির্দেশেই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত আহলে বাইত শরীফগণ উনাদেরকে শহীদ করা হয়েছিলো। নাউযুবিল্লাহ! তাছাড়া সে হযরত আহলে বাইত শরীফগণ উনাদের সাথে চরম বেয়াদবীমূলক আচরণ করেছিলো। নাউযুবিল্লাহ! ‘তিরমিযী শরীফ’-এ বর্ণিত আছে, হযরত যায়িদ ইবনে আরকাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্পর্কে বলেছেন, যারা উনাদের প্রতি শত্রুতা পোষণ করবে, আমি তাদের শত্রু। পক্ষান্তরে যে উনাদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে, আমি তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করবো।” অত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে যে, হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শত্রু। আর মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শত্রুরা মূলত কাফির। অতএব, আম ফতওয়া মুতাবিক ইয়াযীদকে চরম ফাসিক বলা হলেও সঠিক ও খাছ ফতওয়া মুতাবিক ইয়াযীদ মালউন কাট্টা কাফির ও চীর জাহান্নামী। আয় আল্লাহ পাক! আমাদের ও বিশ্ববাসীর অন্তরে হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত দান করুন এবং উনাদের শত্রুদেরকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করার তাওফীক দান করুন। (আমীন)
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে