ঈদের রাতটিও দোয়া কবুলের রাত


অন্তর একটাই,অথচ মুহব্বত ভাগ হয়ে যায়
জনে জনে!!!
ছোট অবস্থায় মুহব্বত থাকে শুধু পিতা
মাতাতে,ভাই বোনে,বিয়ে হয়ে গেলে
অংশীদার বাড়ে…সেই একটাই অন্তর
মুহব্বতের কাট ছাট করে স্বামী/ স্ত্রীতে
সংযোজিত হয়।
অত:পর তাও আরো ভাগ হয়,আগের মুহব্বতের
ব্যক্তিদের প্রতি মুহব্বত কমে গিয়ে তা
সন্তান সন্ততিতে গিয়ে পড়ে!
এরপর পিতা মাতা একজন বা উভয়েই
গায়েব হয়ে গেলে কিছুদিন কান্নাকাটি,
এরপর ভুলে যাওয়া। নিজের পরিবার
আঁকড়ে ধরেই বেচে থাকার চেষ্টা!
আবারো ঘটনার আবর্তন সেই ছোট সন্তানই
আবার পিতা মাতা। নিজের সন্তান
পাওয়ার পর নিজের পিতামাতার প্রতি
মুহব্বত কমে যাওয়া,মারা গেলে ধীরে
ভুলে যাওয়া!
এটাই হচ্ছে,তাই না!
যারা যতক্ষণ দুনিয়াতে আছে নিজের
পরিবার নিয়ে,সন্তান নিয়ে চিন্তা করতে
করতে,তাদের জন্য কামাই করতে করতে,
তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার বাসনায়
নিজের ভবিষ্যৎ ঘোর অন্ধকার করে
ফেলে। হয়তো সবাইই না,তবে
অধিকাংশই।
যারা চলে যায় তারা তখন বিপদের মুখে
পড়ে,অনন্তকালের জীবনে আকুল হয়ে
চেয়ে থাকে তাদের ক্ষণস্থায়ী
আবাসস্থলে রেখে যাওয়া সন্তান
সন্ততির প্রতি, যদি তারা কিছু পাঠায় তো
নাজাত মিলে,মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
সেই ডুবন্ত ব্যক্তির ন্যায় মৃত ব্যক্তিদের
ব্যাকুল হয়ে আশা করা আর অপেক্ষা করা
ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না!
কিন্তু হায়! সন্তান যে তাদের মতোই
তাদের সন্তানদের নিয়ে,সংসার নিয়ে
ব্যস্ত!
মহান আল্লাহ পাক তিনিও ইহসান
করেন,যদিও পিতামাতার প্রতি সন্তানের
দোয়া সব সময়ই কবুল হয়,তবুও কিছু বিশেষ
দিনরাত্রিও মহান আল্লাহ পাক দেন যার
দ্বারা সমস্ত দুনিয়াবাসী নিজেদের জন্য
এবং মৃত ব্যক্তিদের জন্যও দোয়া করে
নিজেদের এবং মৃত আত্মীয়স্বজন সকলের
গুনাহসমূহ ক্ষমা করিয়ে নিতে পারে।
আজও তেমন একটিই রাত। হাদীস শরীফ
মুতাবেক ৫রাত্রিতে নিশ্চিতভাবে
দোয়া কবুল হয়, সেই ৫রাত্রির এক রাত্রি
হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার রাত।
কাজেই আমাদের সকলের দায়িত্ব কর্তব্য
হবে নিজেদের জন্য পরকালীন পাথেয়
সংগ্রহের পাশাপাশি মৃত ব্যক্তিদের জন্যও
কিছু নেকী পাঠিয়ে দেয়া,তাদের জন্য
দোয়া করা,দান-সদকা করা।
মহান আল্লাহ পাক সকলকেই হক্ব বুঝার
তৌফিক দান করুন। আমীন।
সকলকেই ঈদের শুভেচ্ছা,,,,,ঈদ মুবারক,,,,,

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে