ঈমান হেফাজতে প্রতিবাদ করুন…


একটা মানুষ জন্মায়,ধীরে ধীরে বড় হয়,কিশোর হয়,যুবক হয়,প্রৌঢ় হয় একসময় বৃদ্ধ হয় তারপর মারা যায় ,গায়েব হয়ে যায়।যে একটু আগেও ছিলো সে একটু পরই নেই হয়ে যায়!এই যে বাস্তবতা এটা কিন্তু মানুষ ভুলে যায়।তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয় ।যার কারণে সে যতক্ষণ দুনিয়াতে থাকে হাসি-ঠাট্টায় মশগুল থাকে ,নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে ।তার শুরু আর শেষের চিন্তা তাকে ভাবায় না,যার কারণে তার মধ্যবর্তী সময়টাতে কর্তব্য কি তা সে ভুলে যায়। সব মানুষ গণায় না ধরে শুধু মুসলিমদের কথা বলি…তারা কি করছে?পরকাল বলেও যে কিছু আছে তাকি মনে আছে? তারা সব দেখেও না দেখার ভান করছে,সব শুনেও না শুনার ভান করছে ।ভাবে মুসলিম হয়েই যখন জন্মেছি একদিন জান্নাত নিশ্চিত ,তাদের তা-ই জানানো হয়। আসলেই কি তাই???? নাকি যারা ঈমানদার,শুধু মাত্র তারাই জান্নাতে যাবে । অনেকে ভাবে কলেমা শরীফ যখন পড়েছি তখন আমি মুসলিম ।আমার নাজাত নিশ্চিত ।না,শুধু এতোটুকুই নয়। এর মাধ্যমে শুধু ঈমান আনা হয় ।কিন্তু এরপরো কিছু বিষয় থেকে যায় যা পালন না করলে ঈমান এর উপর ইস্তিক্বামত থাকা যায় না ।মুরতাদ হয়ে যেতে হয়,কাফির হয়ে যায় মানুষ। এরকম অসংখ্য বিষয়ের মধ্যে একটি হচ্ছে অন্যায় দেখলেও তা বাধা না দিয়ে ,চুপ করে থাকা,তা মেনে নেয়া । এটা ঈমানদারের লক্ষণ না ।আর এ কথাটাও আমার না। হাদীস শরীফই তাই বলে। এ জাতি জিহাদ করবে কিভাবে? শুধু মুখে মুখেই প্রাণ দিবো বলে।অথচ জবানই খরচ করতে পারে না! আজকে হিন্দুরা রিট করছে ,টাকা খরচ করছে তারা রাষ্ট্রধর্ম যাতে ইসলাম না থাকে সেই জন্য।অথচ মুসলিমরা ন্যূনতম প্রতিবাদও করছে না রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম উনাকে টিকিয়ে রাখার জন্য ,টাকা খরচ করা তো দূরের কথা! জবাবদিহির সম্মুখীন তো হতে হবে,উত্তর দিবেন কীভাবে ? কীভাবে পারেন নিজেকে মুসলিম পরিচয়ে পরিচিত করতে???

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে