সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

উচ্চ শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে কাট্টা নাস্তিকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা। এখনো কি এই কুফরী শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের সময় হলো না।


অনার্স প্রথমবর্ষের রশিদুল ইসলাম শেখ ও মাহবুবুর রহমানের লেখা ‘লোক প্রশাসন ও বাংলাদেশ’ বইয়ের ১৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়, “মাওসেতুং-এর যোগ্য নেতৃত্বের গুণে দুর্দশা পীড়িত চীন আজ মহাচীনে পরিণত হয়েছে।”
এই লজ্জা আমরা কোথায় রাখি! এই নাস্তিক মাওসেতুং লংমার্চ করে উইঘুরিস্থানের কোটি কোটি মুসলমানদের শহীদ করে উইঘুরের খনিজ সম্পদ লুটপাট করে। এই মাওসেতুং চীনের মুসলিম এলাকাগুলোতে পারমাণবিক বোমা ফুটিয়ে চীনের কোটি কোটি মুসলমানদের শহীদ করেছিল। এর প্রেক্ষিতে বর্তমানে বিশ্বের সন্ত্রাসী ১০ রাষ্ট্রের মধ্যে চীনের অবস্থান পঞ্চম।
৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের সিলেবাসে কি করে নাস্তিক, কাট্টা ইসলামবিদ্বেষী মাওসেতুং-এর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হয়?
শিক্ষাই জাতির মেরুদ-! এখন জাতি মেরুদ- নাস্তিকের মেরুদ-ে পরিণত হতে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! এটা হচ্ছে আমাদের যুব সমাজকে নাস্তিকে পরিণত করার পশ্চিমাদের গভীর ষড়যন্ত্র। কাজেই আমাদের এ নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস পরিবর্তন করে ইসলামী ভাবধারায় সিলেবাস প্রবর্তন করতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে