উদ্দেশ্য তবে একটাই হোক…


যে ব্যক্তি সব উদ্দেশ্যকে এক উদ্দেশ্যে পরিণত করতে পারবে তার সমস্ত কিছুর জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনিই যথেষ্ট হয়ে যাবেন। সুবহানাল্লাহ্‌!
অর্থাৎ যেকোনো কাজেই উদ্দেশ্য হবে পরকালীন সফলতা হাছিল করা।
ইমামে আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে কাজী,মুফতি,রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণে পদে যোগদান করতে বলা হয়েছিলো,কারাবন্দীও করা হয়েছিলো।কিন্তু উনি কোনো মাখলূকাতের গোলামী করতে রাজি হননি। যারা পরকালীন ফায়দা হাছিল করতে চান তারা কখনো স্রষ্টা রেখে সৃষ্টির গোলামী করেন না। বিশেষত এ বৈশিষ্ট্য তাদের ক্ষেত্রেই পরিলক্ষিত হয়, যারা হক্কানী আলিম।
আর এজন্যই উনারা সর্ব অবস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি হাছিলের কোশেশেই রত থাকেন।
ইমামে আ’যম হযরত আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি ব্যবসা করেছিলেন কিন্তু তার জন্য আবার তালীম-তালকীন,দর্স-তাদরীস এর কাজ বন্ধ রাখেন নি। অর্জিত সম্পদ দানও করেছেন অকাতরে।
এভাবেই আমাদেরো সমস্ত কাজ -দেখতে সেটা যতই দুনিয়াবী হোক তা করতে হবে মহান আল্লাহ পাক উনারই সন্তুষ্টি হাছিলের জন্য।উদ্দেশ্য শুধুই যদি দুনিয়া হাছিল করা হয়-সেক্ষেত্রে দুনিয়া হয়তো ঠিকই হাছিল করা হবে কিন্তু পরকালীন স্বার্থসিদ্ধী হবে না।
যেমন হক্ব কথা বলা।সামনে কাউকে আল্লাহ পাক,হাবীব পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের শানের খিলাফ কোনো কথা শুনলে অবশ্যই দায়িত্ব হবে তাকে থিকটা জানিয়ে দেয়া,এতে সে খুশি হোক বা না হোক।
আবার পোশাক-পরিচ্ছদ,কথা-বার্তা,খাওয়া দাওয়া সবক্ষেত্রে সুন্নত মুবারক অনুসরণ করা।
তবেই দুনিয়াবী কাজটাই বন্দেগী হয়ে যাবে…ফযীলতও লাভ হবে,সন্তুষ্টিও মিলবে।।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে