উপজাতি-বৌদ্ধগুলোর রাজাকারগিরি ইতিহাস থেকে মুছে যায়নি


৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের দুই প্রধান ত্রিদিব এবং অংশু প্রু পাকিস্তানের পক্ষ নেয়। ত্রিদিব সে প্রথম রাঙ্গামাটিতে পাকিস্তানি আর্মিদের নিয়ে আসে।
এরপর আসে বিশুদ্ধানন্দের নাম। ‘একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়’ বইতে উল্লেখ করা হয়েছে- স্বাধীনতা যুদ্ধের নয় (৯) মাস বিশুদ্ধানন্দ পাকসেনাদের কার্যকলাপকে অভিনন্দন জানিয়ে বহু বিবৃতি দিয়েছে, পাকসেনার জন্য সমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান সফর করেছে। ৬ মে তারিখে সে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকারি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবদুল হামিদ খান এবং লেঃ জেনারেল টিক্কা খানের সাথে বৈঠকে মিলিত হয়।
চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক আজাদী’ পত্রিকায় এ প্রসঙ্গে লেখা হয়েছে- পাকিস্তানের সাথে চীনের বন্ধুত্ব থাকার সুবাদে চট্টগ্রামের বৌদ্ধরা পাকিস্তান আমলে ‘চায়না বুডিস্ট’ নামে পরিচিত হয়ে পাকিস্তান সরকারের আনুকূল্য পেতো। চট্টগ্রামীরা এ বৌদ্ধদেরকেই ঠাট্টা করে ‘চায়না বুডিস্ট’ না বলে ‘চাইর আইন্যা বুডিস্ট’ বলে মজা করতো। [সূত্র: ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩]
বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী উপজাতি, চাকমা, বৌদ্ধগুলোর বেঈমানী ও মুনাফিকী চরিত্রের ইতিহাসের এখানে থেমে থাকলেও হতো। কিন্তু না, তারা এখনো সক্রিয়। তারা সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলে, কাজ করে। এইতো কিছুদিন আগেও তারা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসকে বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছিলো।
পাহাড়ি উপজাতি বিধর্মীগুলোর দেশবিরোধী এই মানসিকতা বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জানা থাকা আবশ্যক। কারণ এরাই সবসময় দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিতে শত্রুপক্ষকে সহযোগিতা করে থাকে। তাই দেশের স্বাধীনতা অটুট ও অক্ষুণœ রাখতে হলে সবসময়ই এইসব উপজাতি বিধর্মীগুলোকে নজদারিতে রাখতে হবে। এই দায়িত্ব যেমনিভাবে সরকারের তেমনিভাবে দেশের প্রতিটি নাগরিকেরও।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে