উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম


আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে,

“আমি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে দেখিনি। তবে উনার প্রতি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত দেখে আমি আশ্চর্যান্বিত হতাম। অন্য কোনো উম্মুাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ক্ষেত্রে এরূপ দেখিনি। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা বেশি বেশি আলোচনা করতেন। তিনি যখনই কোনো ছাগল জবেহ করতেন, তার কিছু অংশ কেটে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বান্ধবীদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন। আমি বলতাম, ইয়া রসূল্লাল্লাহু ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি ছাড়া দুনিয়াতে যেন কোনো মহিলাই নেই। তখন তিনি বললেন- সত্যি, হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি এমন এমন ছিলেন। তাছাড়া উনার মাধ্যমে আমি সন্তান লাভ করেছি।


উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি আরো বলেন-

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার প্রসঙ্গ উঠলেই তিনি উনার প্রশংসা না করে বিরত হতেন না। সুবহানাল্লাহ! তিনি হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার প্রশংসা না করে কোনোদিন হুজরা শরীফ থেকে বের হতেন না।


একদিন আমি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মুখ মুবারকে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার অত্যাধিক প্রশংসা শুনে বললাম: ইয়া রসূল্লাল্লাহু, ইয়া হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি তো অনেক বয়সের অধিকারিনী ছিলেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি তো উনার পরিবর্তে আরো অনেক উম্মুাহাতুল মু’মিন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে আপনার মুবারক খিদমতে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন- হে ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম! আপনি মনে রাখুন, তিনি আমার উপর সেই সময় বিনা দ্বিধায় ঈমান এনেছেন যখন অন্যান্য সবাই আমাকে স্বীকার করতে চায়নি। কোনো মানুষই যখন আমাকে গ্রহণ করতে চায়নি সেই সময় তিনিই আমাকে গ্রহণ করেছেন। আমার ইতমিনানের জন্য তিনি সদা প্রস্তুত থাকতেন। আমি যখন চিন্তাযুক্ত হতাম তিনি আমার চিন্তা দূর করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে