উলামায়ে ‘সূ’দেরকে দলীল-প্রমাণ যতোই দেয়া হোক তারা তা গ্রহণ করে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি হক্ব বা সত্যবাদী হওয়ার জন্য দলীল পেশ করতে বলেছেন অর্থাৎ মুসলমানদের জন্য মনগড়া আক্বীদা বা আমল করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পূর্ণাঙ্গ শরীয়ত তথা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম নাযিল করেছেন। মুসলমানদের মধ্যে দু’শ্রেণীর লোক হবেচ। এক শ্রেণী হচ্ছে আলিম, আরেক শ্রেণী হচ্ছে সাধারণ মুসলমান। সাধারণ মুসলমান তারা আলিমদেরকে অনুসরণ করে। যারা সাধারণ মানুষ তারা সম্মানিত ইসলাম সম্পর্কে বেশি কিছু জানে না। তারা আলিম-উলামাদের নিকট থেকে জেনে এবং অনুসরণ করে আমল করে থাকে। সেক্ষেত্রে আলিমদের দায়িত্ব হলো, তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী সঠিক আক্বীদা ও আমল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো। কিন্তু দেখা যায়, আলিম পরিচয়ধারী ব্যক্তিরা তারা নিজেরা মনগড়া, ভুল আক্বীদা-আমলের অনুসরণ করে এবং সাধারণ মানুষদেরকেও সেটাই শিক্ষা দেয় এবং অনুসরণ করতে বলে। যেমন তারা ছবি তোলে, টিভিতে প্রোগ্রাম করে, টিভি দেখে, বেপর্দা হয়, হরতাল করে, লংমার্চ করে, ভোট-নির্বাচন করে, নারী নেতৃত্ব সমর্থন করে। অথচ এসব বিষয়গুলো পবিত্র দ্বীন ইসলামসম্মত নয়। এ সম্পর্কে তাদেরকে শত-সহস্র দলীল প্রমাণ দেয়ার পরও তারা তা গ্রহণ না করে বরং বিনা দলীল প্রমাণ ছাড়াই নিজের নফসের অনুসরণ এবং দুনিয়াবী ফায়দা লাভের উদ্দেশ্যে মনগড়াভাবে হারাম ও কুফরী আমলের অনুসরণ করে যাচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ!
এদের সম্পর্কেই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি জিন-ইনসানের মধ্যে অনেককে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। এদের অন্তর থাকার পরও অনুধাবন করে না, চোখ থাকার পরও এরা দেখে না এবং কান থাকার পরও এরা শোনে না। এরা হচ্ছে চতুষ্পদ জন্তুর মতো বরং তদপেক্ষা নিকৃষ্ট৫তর এবং এরাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নিষেধ পালনের ক্ষেত্রে গাফিল বা উদাসীন।”

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে