সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পরিপূর্ণ মুহব্বত ও সর্বোচ্চ আদব প্রকাশের উপর; সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার প্রতিটি নির্দেশ মুবারক পালনের যোগ্যতা ও সক্ষমতা নির্ভর করে। সউদী ওহাবী সরকারের সে ধরনের মুহব্বত ও আদবের অভাব থাকার কারণেই তাদের প্রায় প্রতিটি কাজই সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ। অতএব, পবিত্র ছফর শরীফ মাস থেকে শিক্ষা নিয়ে অবশ্যই সউদী ওহাবী সরকারের এ বিষয়ে প্রকাশ্য তওবা করে ফিরে আসা ফরয।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নাসী অর্থাৎ মাস বা সময় আগ-পিছ করা কুফরীকে বৃদ্ধি করে।” নাউযুবিল্লাহ!
‘নাসী’ করা অর্থাৎ মাস বা সময় আগ-পিছ করা হারাম ও কুফরী। যা পবিত্র ছফর শরীফ মাস আমাদেরকে শিক্ষা দেয়। অথচ সউদী ওহাবী সরকার প্রতিটি আরবী মাসেই ‘চাঁদ না দেখে মনগড়াভাবে তারিখ ঘোষণা করে’ এই ঘৃণ্য কাজটি করে যাচ্ছে অর্থাৎ নাসী করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পরিপূর্ণ মুহব্বত ও সর্বোচ্চ আদব প্রকাশের উপর; সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার প্রতিটি নির্দেশ মুবারক পালনের যোগ্যতা ও সক্ষমতা নির্ভর করে। সউদী ওহাবী সরকারের সে ধরনের মুহব্বত ও আদবের অভাব থাকার কারণে তাদের প্রায় প্রতিটি কাজই সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ। ‘নাসী’ করা অর্থাৎ সময় আগ-পিছ করা হারাম ও কুফরী। অথচ সউদী ওহাবী সরকার প্রতিটি আরবী মাসই এই ঘৃণ্য কাজটি করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! অতএব, অবশ্যই সউদী ওহাবী সরকারের এ বিষয়ে প্রকাশ্য তওবা করে ফিরে আসা ফরয।
‘নাসী’ করা হারাম ও কুফরী- এ বিষয়ে আলোচনাকালে তিনি উপরোক্ত ক্বওল শরীফ উল্লেখ করেন।

মানুষ সৃষ্টির মূলেই রয়েছে মুহব্বত। সুতরাং মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সঙ্গে মুহব্বত ও নিসবত স্থাপন করা ছাড়া পরিপূর্ণ ইসলামী শরীয়ত উনার অনুসরণ অসম্ভব।

পবিত্র হিজরী সন উনার দ্বিতীয় মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ’। ফযীলত ও বুযূর্গীর ক্ষেত্রে এ পবিত্র মাসটিও এক বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। এ পবিত্র মাস উনারই শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার হচ্ছেন- ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’। এ মুবারক দিন উনার ফযীলত সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, রহমতুল্লিল আলামীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার তৃতীয় সপ্তাহ থেকে মারীদ্বি শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩০ তারিখ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার দিন সকাল বেলা তিনি ছিহ্হাতি শান মুবারক প্রকাশ করেন এবং পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ গমন করেন এবং নামাযের ইমামতিও করেন। এ খুশিতে সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সর্বোচ্চ সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী হাদিয়া পেশ করেন এবং দান-খয়রাতও করেন। এছাড়াও এই পবিত্র মাস উনার ২৮ তারিখ সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এ সম্মানিত মাস উনার ৭ তারিখে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। আবার এই সম্মানিত মাস উনার ২৮ তারিখ আফযালুল আউলিয়া, ক্বইয়্যূমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। যার ফলে এই পবিত্র মাস উনার মধ্যে রয়েছে রহমত, বরকত, সাকীনা হাছিল করার অনুপম সুযোগ। অথচ সউদী আরবসহ মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশেই অন্যান্য মাসের ন্যায় এই পবিত্র মাসটিও সঠিক তারিখে শুরু হয়নি এবং এই পবিত্র মাস উনার বিশেষ দিনগুলো পালনের জন্য কোনো আয়োজনও নেই। নাউযুবিল্লাহ!

সউদী সরকারের উচিত প্রতি আরবী মাস উনার চাঁদ তালাশের আয়োজন করা এবং চাঁদ দেখা বা না দেখা অনুযায়ী আরবী মাস উনার তারিখ ঘোষণা করা। কোনো আগাম ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখ ঘোষণা করা সম্মানিত ইসলামী শরীয়তসম্মত নয়। ইচ্ছামাফিক তারিখ আগ-পিছ করা সম্পূর্ণ হারাম এবং কুফরী। কেননা তা কাফিরদের ন্যায় পবিত্র ছফর মাস আগ-পিছ করার নামান্তর। যা থেকে বেঁচে থাকা সকলের জন্যই ফরয।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে