এই “কেন” এর জবাব কি?


কেন একজন ইহুদী, খ্রিস্টান কিংবা বিধর্মী দাড়ি রাখলে সে তার ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছে বলা হয়। অথচ একজন মুসলমান একই কাজ করলে সে একজন চরমপন্থী এবং উগ্রপন্থী কিংবা মধ্যযুগীয় মনমানসিকতা সম্পন্ন লোক বলে সম্বোধন করা হয়! কেন একজন নান তার ধর্মীয় পোশাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঢেকে রাখলে বলা হয় সে ঈশ্বরের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছে। কিন্তু একজন মুসলমান নারী পর্দা করার জন্য বোরকা কিংবা হিজাব পরিধান করলে বলা হয় তিনি নির্যাতিত কিংবা সেকেলে! কেন একজন পশ্চিমা অমুসলিম নারী ঘর-সংসার ও সন্তানদের দেখাশুনা করার জন্য ঘরে অবস্থান করলে বলা হয় সে একজন আদর্শ নারী হওয়ার কারণে সে তার পরিবারের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু একজন মুসলিম নারী একই কাজই করলে বলা হয় তার স্বাধীনতা প্রয়োজন কিংবা নারী মুক্তি ব্যাহত হচ্ছে! কেন একজন সাধারণ মেয়ে যে কোনো পোশাক (হোক সেটা শালীন কিংবা অশালীন) পরে যেকোন স্থানে বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে কোনো বাধা দেয়া হয় না। কিন্তু একজন মুসলিম মেয়ে হিজাব পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গেলে তাকে বাধা দেয়া হয়! কেন কোনো ইহুদী কিংবা খ্রিস্টান কিংবা বিধর্মী কাউকে বিনা অপরাধে হত্যা করলে সে খুনি বা সন্ত্রাসী হয় না। কিন্তু কোন মুসলমান অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই তাকে সন্ত্রাসী, মৌলবাদী ইত্যাদি বলে অভিহিত করা হয়!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে