এই শিক্ষানীতি মুসলমানদের হতে পারে না!!


 

পাঠ্যবইগুলোতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে আলোচনা নেই কেন? আমাদের এই দেশের বইগুলোতে খিস্টানদের ক্রিসমাস ডে’র কথা আছে, হিন্দু-মুশরিকদের পহেলা বৈশাখের কথা আছে, পূজার কথা আছে, বৌদ্ধদের পালিত দিবসের আলোচনা আছে। এছাড়াও ওমুক দিবস, তমুক দিবসের নামে বড় বড় প্রবন্ধ-রচনাও আছে। কিন্তু আফসুস! পাঠ্যবইগুলোর কোথাও পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কোনই আলোচনা নেই। নাউযুবিল্লাহ! যে সিলেবাসে, যে শিক্ষানীতিতে দ্বীন ইসলাম উনার প্রধান বৈশিষ্ট্য বা চিহ্ন পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই আলোচনা নেই- সেটা কি করে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধুষিত দেশের ‘শিক্ষানীতি’ হতে পারে? অথচ এই দিবস মুবারকটিই হলো- মুসলমানদের মুসলমানিত্বের চিহ্ন, ঈমানদারের ঈমানের নিদর্শন। দেশের সিলেবাসকে পরিবর্তনে, দেশের শিক্ষানীতি পরিবর্তনে ঈমানদার মুসলমানদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। সরকার ও প্রশাসনকে যেভাবেই হোক পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ ঈদে মীলাদুন নবী অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারকসমূহ পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য করতে হবে। প্রয়োজনে নিজের জান ও মাল ব্যয় করতে হবে। এটাই হবে সত্যিকার মুসলমানের পরিচয়।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে