একজন জিহাদিকারী বা মুজাহিদ কেমন হবেন ?


একজন জিহাদিকারী বা মুজাহিদ কেমন হবেন ? আচ্ছা ধরেন একজন লোক দ্বীন ইসলাম উনার জন্য নিবেদিত প্রাণ।সে দ্বীন ইসলামকে সারা দুনিয়া জুড়ে প্রতিষ্টা করতে চায়। তাহলে তার চিন্তা চেতনা কেমন হওয়া উচিত? মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ নিষেধ গুলু পরিপূর্ণভাবে পালন করা তার জন্য আবশ্যক,এবং যিনি এই দুনিয়া মাঝে দ্বীন ইসলাম কায়েম করেছেন তিনি আমাদের রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নাহ মুতাবেক হবে তার চাল-চলন আচার ব্যবহার।কারন আমরা হযরত সাহাবা আজমাঈন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদেরকে অনুসরণ করবো কেননা উনারা ছিলেন পরিপূর্ণভাবে পবিত্র কোরআন সুন্নাহর অনুসারী। যেমন উনারা কিভাবে জ্বিহাদ করেছিলেন! দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাস বলেন যে ইসলাম কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেন না,তাহলে কিভাবে দ্বীন ইসলাম অযথা একজন মানুষকে আঘাত করবে? অতীত ইতিহাসে আমরা যতগুলো জ্বিহাদ পেয়েছি , সবগুলোর মাঝে দুশমন পক্ষ আগে আঘাত করেছে তখন নিজেদের অসতীত্ব রাক্ষার্থে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক আক্রমণ করা হয়েছে।আর যিনারা জ্বিহাদ করেছেন সবাই ছিলেন সংঘবদ্ধ এবং ইসলামী খিলাফত উনার আন্ডারে।বিচ্ছিন্নভাবে কোন যুদ্ধ জ্বিহাদ হয়নি।তাছাড়া সকল মুজাহিদিগনই ছিলেন অধিক সমজধার,দ্বীনদার,হাফেজে কোরআন এবং আলেম-ওলামা, এবং উনারা কেউই বিচ্ছিন্ন ছিলেন না।এবং অযথা অতর্কিতভাবে হত্যাযজ্ঞে লিপ্ত হতেন না।সুনির্দিষ্টভাবে সেনাপতি নির্ধারণ করা থাকতো এবং জ্বিহাদ উনার দিনক্ষণ জানা থাকতো প্রায়।যেখানে দ্বীন ইসলাম একটা পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা সেখানে কিভাবে অপরিপূর্ণ নিয়মকানুন লোকায়িত থাকবে?
আজকাল জীহাদের নামে চলছে দ্বীন ইসলাম উনাকে ক্ষুন্য করার পাঁয়তারা,’অবশ্যয়ই আকলমান্দ কে লিয়ে ঈশারা’ই কাফি’ আজকে একটা নিউজে দেখলাম শোলাকিয়ায় নিহত জঙ্গি আবির ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তার একটা ছবিও দেওয়া আছে, ছবিতে লক্ষ্য করলাম তার পিছনে একটা বাদ্যযন্ত্র গিটার দেখা যাচ্ছে,তার পাশে একটা ক্রিকেট খেলার ব্যাট।যে ছেলে দ্বীন ইসলাম উনার হালাল হারম চিনলো না সে আবার জঙ্গি হয় কিভাবে? সে হলে সন্ত্রাসী হতে পারে! আজকাল সন্ত্রাসীকে আমরা জঙ্গি বলে চালিয়ে দেয়।আমরা হয়ত জানি জঙ্গি শব্দের একটা মহ্যত্ব রয়েছে।এইসব ফাসিক-ফুজ্জার কাফের-মুশরিকদের দালাল আর চ্যালা চামুণ্ডারা প্ল্যান করে জঙ্গি সব্দটাকে সাধারণ মুসলমান উনাদের কাছে ভুলভাবে ব্যখ্যা করছে । আসলে জঙ্গি হলেন উনারা যারা দ্বীন ইসলাম উনাকে রক্ষ্যা করার জন্য কোন এক খিলাফতের আন্ডারে ন্যায়সঙ্গত ভাবে যুদ্ধ এবং জ্বিহাদ করছেন।আর ঐ সকল বীর মুজাহিদগন জীহাদের ময়দানে রোজা রেখেছেন,নামাজ পরছেন মূল কথা হল উনারা সকল প্রকার ফরজ আমল করেছেন তো অবশ্যয়ই,সাথে সাথে ছিলেন পরিপূর্ণ সুন্নাত উনার পাবন্দ।আর কখনো অন্যায়ভাবে কোন শ্ত্রু পক্ষকে বদ করতেন না।আর ইহাই ছিল প্রকৃত জ্বিহাদ আর উনাদেরকেই বলা হত জঙ্গি।আশা করি যারা নিজেকে আকলবান বুদ্ধিমান এবং প্রকৃত মুসলমান দাবী করে থাকেন তারা বুঝতে পারছেন।
লিঙ্কঃ http://goo.gl/D5nqad

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে