একজন মুসলমান উনার কেমন হওয়া উচিত?


যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছেন, আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান এনেছেন, উনাকে সম্মানিত নবী ও রসূল হিসেবে এবং একমাত্র আদর্শ হিসেবে মেনে নিয়েছেন, সর্বোপরি আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা পোষণ করেন তিনিই হচ্ছেন প্রকৃতপক্ষে মুসলমান।
এগুলো হচ্ছে আত্মিক ও বিশ্বাসের বিষয়। এছাড়া একজন মুসলমানের ছুরতান কিছু পরিচয় আছে। তাঁকে দেখলে স্পষ্টই বোঝা যাবে তিনি একজন মুসলিম। মুসলমান পবিত্র সুন্নত উনার আমল করে থাকবেন। যেমন- পুরুষেরা দাঁড়ি রাখবেন, টুপি ও সুন্নতি পোশাক পরবেন, মহিলাগণ খাছ পর্দা করবেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করবেন, রোযা রাখবেন, সামর্থ্যবান মুসলমান পবিত্র হজ্জ করবেন, যাকাত আদায় করবেন, মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে পবিত্র পশু কুরবানী দিবেন।
মুসলমান পবিত্র কুরআন শরীফ উনার শিক্ষা নিয়ে কাফির-মুশরিকদের শত্রু হিসেবে জানবে। কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে বিরত থাকবে। যেমন- কাফিরদের কোট-স্যুট, টাই, শার্ট-প্যান্ট ইত্যাদি ড্রেসকোড পরিহার করবেন, কাফিরদের ছানা ছিফত করবে না, জীবনী পড়বে না। এছাড়া একজন মুসলমান হারাম খেলাধুলা, ছবি তোলা, গান-বাজনা ইত্যাদি হারাম কাজ থেকে বিরত থেকে পড়াশোনায়, গবেষণায়, যুদ্ধবিদ্যা চর্চায়, যিকির আযকারে মশগুল থাকবেন পাশাপাশি একজন হক্বানী-রব্বানী আলিম তথা ওলী আল্লাহ উনার নিকট বায়াত গ্রহণ করে উনার ছোহবত ইখতিয়ার করবেন। মুসলমান সবসময় ঈমানীয় জযবায় ও দেশপ্রেম চেতনায় উজ্জীবিত থাকবেন। হারাম ও অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করবেন। বিশেষ করে প্রাণের নবীজী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে কেউ কটূক্তি করলে কিংবা মুবারক শান উনার খিলাফ কিছু করলে সাথে সাথে তার তীব্র প্রতিবাদ করবে, সম্ভব হলে অপরাধীকে খুঁজে বের করে কঠিন শাস্তি দিবে। এমন গুণাগুন থাকলেই একজন মুসলমান প্রকৃত মুসলমান হতে পারে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ঈমান আনয়নকারীদের উদ্দেশ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মুসলমান না হয়ে ইন্তেকাল করো না।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে